লাইফস্টাইল লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
লাইফস্টাইল লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

সোমবার, ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২১

অতিরিক্ত আমলকি খেলে যাদের সমস্যা হতে পারে

অতিরিক্ত আমলকি খেলে যাদের সমস্যা হতে পারে


 ছোট্ট একটি ফল। একটু কষ ও তেঁতো ভাব থাকলেও আমলকি খাওয়ার পর মিষ্টি লাগে। কমলার চেয়েও না-কি বেশি পরিমাণে ভিটামিন সি রয়েছে আমলকিতে। শারীরিক বিভিন্ন সমস্যার সমাধান রয়েছে এতে।

শুধু শরীর নয়, ত্বক ও চুলের বিভিন্ন সমস্যার সমাধানেও কার্যকরী ফল এটি। আয়ুর্বেদে আমলকির ব্যবহার সর্বত্র। চুলের জেল্লা বৃদ্ধি, রুক্ষ্মতা কমানো, ত্বকের উজ্জ্বলতা, পেটের সমস্যা দূর, শরীর চাঙা- এমন হাজারও উপকার করে আমলকি।

আমলকিতে থাকা ভিটামিন সি ও অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট একাধিক রোগের হাত থেকে বাঁচাতে পারে। তবে অতিরিক্ত আমলকি খেলে হীতে বিপরীত হতে পারে। চলুন জেনে নেওয়া যাক সুস্থ থাকতে আমলকি কতটুকু খাবেন ও অতিরিক্ত আমলকি খেলে কী হতে পারে-

>> জুস বা অন্য কোনোভাবে খাওয়ার থেকে আমলকি চিবিয়ে খাওয়াই ভালো। প্রতিদিন সকালে খালি পেটে ১-২টি আমলকি খাওয়া যায়। এতে সবচেয়ে বেশি উপকার হয়। তবে দিনে দু’একটির বেশি আমলকি খাওয়া ঠিক নয়। কারণ এতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি থাকে। এ কারণে কোষ্ঠকাঠিন্য হতে পারে।

>> সার্জারি হলে আমলকি খাওয়া থেকে বিরত থাকুন। এ ছাড়াও ব্লাড থিনিংয়ের ওষুধ খেলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে আমলকি খাওয়া উচিত।

jagonews24

>> অন্তঃসত্ত্বা বা স্তন্যদানকারী মায়েরাও আমলকি খাওয়া থেকে বিরত থাকুন।

>> হার্টের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে বেশি মাত্রায় আমলকি খাওয়ার অভ্যাস। বিশেষজ্ঞদের মতে, হৃদরোগের সমস্যা থাকলে ফলটি খাওয়ার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

>> আমলকির প্রভাবে অ্যালার্জিও হতে পারে। এ ছাড়াও পাকস্থলীর কৃমি, বমি বমি ভাব, ডায়রিয়া, পেটের ব্যথা হতে পারে।

>> এ ফল শরীরের তাপমাত্রা অনেকাংশে কমিয়ে দেয়। তাই বেশি পরিমাণে আমলকি খেলে জ্বর-সর্দি বা কাশি হতে পারে।

বুধবার, ৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২১

মনের মানুষের বিশ্বস্ততা বুঝবেন যেসব লক্ষণে

মনের মানুষের বিশ্বস্ততা বুঝবেন যেসব লক্ষণে

 

একটি সম্পর্কে বিশ্বাস যতটা থাকবে; ততটাই গভীর হবে বন্ধন। বিশ্বাস ভেঙে গেলে সম্পর্কও নষ্ট হয়ে যায়। এজন্য নিজেও সৎ থেকে যেমন প্রেমিকের বিশ্বাস বাড়াতে হবে; ঠিক প্রেমিকেরও উচিত আপনার বিশ্বাসের মূল্যায়ন করা।

সব নারী ও পুরুষই চায়, তাদের জীবসঙ্গী যেন বিশ্বস্ত হয়। সম্পর্কে প্রতারণা নারী বা পুরুষ কারও কাম্য নয়। তবুও অনেক সময় পরকীয়ায় ঝুঁকে পড়েন অনেকেই। এতে বিশ্বাসে ফাটল ধরে। আর তারপরই ঘটে বিচ্ছেদ।

এজন্য আপনার মনের মানুষটি কতটা বিশ্বস্ত তা বুঝে নেওয়ার রয়েছে কয়েকটি লক্ষণ। চাইলেই মিলিয়ে নিতে পারেন আপনার ভালোবাসার মানুষ কতটা বিশ্বস্ত-

>> যেসব পুরুষরা বিশ্বস্ত এবং ভরসাযোগ্য হন; তারা কখনো ঘনিষ্ঠ হওয়ার জন্য খুব একটা অনুরোধ করেন না। আবার পরিকল্পনা করে রোমান্টিক ডেটও করেন না। ১০-২০ মিনিট সঙ্গীকে নিজের কাছে পেলেই এমন ব্যক্তিরা খুশি থাকেন।

jagonews24

>> আপনার সঙ্গীর পরিবার আপনাদের সম্পর্কের বিষয়ে জানেন কি? তাহলে তো ভালোই। প্রেমিকের বাড়িও মাঝে মধ্যে যেতেই পারেন। দু’জনের মতো বসে কথা বলতে পারেন। এমনকি প্রেমিক কোথাও গেলেও আপনার উপর ভরসা করে চাবি দিয়ে যেতে পারেন। এমন পুরুষদের উপর ভরসা করা যায়।

>> বিশ্বস্ত সঙ্গী গুড নাইট কিংবা গুড মর্নিং বলতে কিংবা খেয়েছেন কি-না তাও জানতে চায়। সেই সঙ্গে আপনার কাজ কেমন চলছে, তা জানতেও কিন্তু তিনি ভোলেন না। ব্যস্ত থাকলেও ২ মিনিটের জন্য হলেও একটা ফোন করেন।

>> সারাদিন আপনি কী করছেন, এসব জানতে চায় বারবার। আপনি কী করছেন, কোথায় যাচ্ছেন সেদিকে তার কড়া নজর আছে। এমনকি আপনি কার সঙ্গে মিশছেন এসব বিষয়েও বিশ্বস্ত সঙ্গী খোঁজ রাখেন।

>> ‘আপনাকেই এ কাজটি করতে হবে’ বা ‘সে কেন কাজটি করবে’, ‘এটা তো তার কাজ নয়’-এমন কথা কখনো বিশ্বস্ত সঙ্গীরা বলেন না। তাদের মধ্যে লিঙ্গ ভেদাভেদ নেই। সত্যিকার প্রেমিক এসবের ধার ধারেন না।

jagonews24

>> এমন সঙ্গীরা কখনো প্রিয়জনের কাছে কোনো কিছু লুকান না। অতীত নিয়ে কিংবা সুবিধা-অসুবিধা, অর্থনৈতিক স্বাচ্ছ্যন্দের কথা সবই আপনাকে খুলে বলবে। এর অর্থ হলো তিনি আপনাকেও ভরসা করেন আর বিশ্বাসও। তাই এসব গুণ দেখলেই বুঝে নেওয়া যায়, মনের মানুষটি আসলে কতটা বিশ্বস্ত।

রবিবার, ৩১ জানুয়ারি, ২০২১

যে খাবারগুলো বাসি খেলে স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ে

যে খাবারগুলো বাসি খেলে স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ে

 

শরীর সুস্থ রাখতে টাটকা খাবার খাওয়ার বিকল্প নেই। তবে বর্তমানে অনেকেই কর্মব্যস্ততার কারণে খাবার সংরক্ষণ করে খেতে পছন্দ করি। এতে সময়ও বাঁচে, আর পেটও ভরে। তবে বেশ কিছু খাবার আছে; যেগুলো শারীরিক বিভিন্ন রোগের কারণ হতে পারে।

পুষ্টিবিজ্ঞানে কাঁচা সবজিকে সবচেয়ে বেশি পুষ্টিগুণসমৃদ্ধ বলে বিবেচনা করা হয়। এর কারণ হলো, রান্না করলেই খাদ্যের পুষ্টিগুণ নষ্ট হয়ে যায়। তাই শরীর সুস্থ রাখতে খাবারের যেমন প্রয়োজন; একইভাবে টাটকা খাবার খাওয়াও প্রয়োজন।

jagonews24

এমন অনেক খাবার আছে যেগুলো একবার রান্না করেই আমরা ফ্রিজে রেখে দেই। এ বিষয়ে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাসি খাবার খাওয়ার ফলে শরীর দ্রুত খারাপ হতে পারে। চলুন তবে জেনে নেওয়া যাক, কোন বাসি খাবারগুলো শরীরের জন্য সবচেয়ে বেশি বিপজ্জনক-

>> মাশরুমের ফাইবার ও এনজাইম হজমে সহায়তা করে। এটি অন্ত্রে উপকারী ব্যাকটেরিয়ার কার্যক্ষমতা বাড়ায়। এ ছাড়াও কোলনের পুষ্টি উপাদান শোষণকেও বাড়াতে সাহায্য করে। আর তাই মাশরুম একবার রান্নার পরে বাসি খেলে তা আমাদের পেটের জন্য ক্ষতিকর।

jagonews24

>> অনেকেই সময় বাঁচানোর জন্য একবারেই অনেক মুরগির মাংস রান্না করে রাখি। কিন্তু মুরগির মাংস বাসি খাওয়া উচিত নয়। কারণ মুরগির মাংসে প্রচুর প্রোটিন থাকে। রান্নার পরে ফের তা গরম করলে প্রোটিনের কম্পোজিশন বদলে গিয়ে তার থেকে বদহজম হতে পারে।

>> একবার চা বানানোর পর তা ঠান্ডা হয়ে গেলে পুনরায় গরম করা উচিত নয়। কারণ চায়ের মধ্যে ট্যানিক অ্যাসিড থাকে। এর ফলে একবার চা গরম করে পান করলে লিভারের ক্ষতি হতে পারে।

jagonews24

>> ভাত রান্নার সময় তাতে বেসিলস সিরিয়াস ব্যাকটেরিয়া তৈরি হয়। রান্না করা ভাত ফের গরম করলে এ ব্যাকটেরিয়া সংখ্যায় দ্বিগুণ হয়ে গিয়ে ডায়েরিয়া পর্যন্ত হতে পারে।

>> আলু রান্না বা সেদ্ধ করার পরে ঠান্ডা হওয়ার সময় তাতে বটুলিজম নামে একটি ব্যাকটেরিয়া তৈরি হয়। পরে যখন তা আবারো গরম করা হয়; তখন এই ব্যাকটেরিয়া আরও বেড়ে গিয়ে ফুড পয়েজনিং পর্যন্ত হতে পারে।

jagonews24

>> ডিমের মধ্যে রয়েছে প্রোটিন এবং অ্যান্টি-অক্সিডেন্টস। রান্নার পরে যদি ডিমের তরকারি আবারো গরম করা হয়; তখন তার থেকে টক্সিন তৈরি হবে। যা থেকে বদহজমের আশঙ্কা তৈরি হয়।

>> পালং শাকও রান্নার পর আর গরম করা উচিত নয়। এ শাকে অতিরিক্ত নাইট্রেটস থাকে। রান্না করা পালং শাক পুনরায় গরম করলে শরীরে সহজেই ক্ষতিকর টক্সিন ঢুকতে পারে।

বৃহস্পতিবার, ২৮ জানুয়ারি, ২০২১

পোশাকের ধরন বুঝে শীতে শাল পরার কৌশল

পোশাকের ধরন বুঝে শীতে শাল পরার কৌশল

 

শীতে অনেকেই শাল পরে থাকেন। তবে পোশাকের ধরন বুঝে শাল পরাতেও রয়েছে ভিন্নতা। না হলে আপনার পুরো লুকটাই নষ্ট হয়ে যাবে। শাড়ির সঙ্গে যেভাবে শাল পরা হয়, টপস বা জিন্সের সঙ্গে সেভাবে পরলে আপনাকে ভালো দেখাবে না।

jagonews24

বিভিন্ন মেটেরিয়ালের মধ্যে শাল রয়েছে। হালকা থেকে বেশি শীত, সবসময়ই আপনি শাল গায়ে দিতে পারেন। দেখতেও কিন্তু ভালো লাগবে যদি সঠিক উপায়ে পরেন। আধুনিক কায়দা জেনে পরতে হবে শাল। জেনে নিন শীতে শাল পরার ৫টি উপায়-

>> জিন্স-টপস পরলে অল্প শীতে শাল গায়ের উপর নিয়ে একটি বেল্ট পরে নিতে পারেন। এতে আপনার পুরো লুকটাই পাল্টে যাবে। বেশ স্টাইলিশ লাগবে সঙ্গে যেকোনো সময় শালটি খুলে গায়ে জড়িয়েও নিতে পারবেন অনায়াসে।

jagonews24

>> শাল শুধু শাড়ির সঙ্গেই মানাই, এমনটি অনেকেই বলে থাকেন। তবে বিষয়টি কিন্তু ভুল। কারণ শাল পরতে পারেন ওয়েস্টার্ন ড্রেসের সঙ্গেও। এক্ষেত্রে শাল নিতে হবে দুই ভাঁজ করে। অবশ্যই পাতলা ঘরানার শাল ব্যবহার করবেন। তাহলে স্কার্ফের মতো যেকোনোভাবে পরতে পারবেন।

jagonews24

>> যে শালগুলো একটু পাতলা; সেগুলো পরতে পারেন স্কার্ফ বা মাফলার হিসেবে। গলায় ভালো করে জড়িয়ে নিন ওয়েস্টার্ন পোশাকের সঙ্গে। পালাজো-কামিজের সঙ্গেও এমন শাল পরার স্টাইল বেশ মানিয়ে যাবে।

>> একটু কাজ করা ভারি শালগুলো পরতে পারেন কুর্তি বা সালোয়ার কামিজের সঙ্গে। এক্ষেত্রে ওরনার মতো যেকোনো ভঙ্গিতে নিলেই সুন্দর দেখাবে।

jagonews24

>> যেকোনো ধরনের জিন্সের উপরে চেক নকশার শালগুলো বেশ মানিয়ে যায়। এক্ষেত্রে গলায় পেচিয়ে পরলেই বেশ স্টাইলিশ লাগবে।

মঙ্গলবার, ২৬ জানুয়ারি, ২০২১

ডেজার্টে রাখুন মুগডালের হালুয়া

ডেজার্টে রাখুন মুগডালের হালুয়া

 

ভরপেট খাবারের পর একটু মিষ্টি খাবার খেতে মন চায় সবারই। যদিও মিষ্টিজাতীয় খাবার স্বাস্থ্যের জন্য ভালো নয়। তবে মিষ্টির পরিমাণ কম দিয়ে চাইলেই সুস্বাদু অনেক ডেজার্টের পদ তৈরি করে খেতে পারেন।

কর্মব্যস্ত জীবনে অনেকেই বাহারি পদ রান্না করার সময় পান না। সেক্ষেত্রে চাইলেই কিন্তু কম সময়ে তৈরি করে নিতে পারবেন মুগডালের হালুয়া। মজাদার এ হালুয়া একবার খেলে মুখে লেগে থাকবে।

শুধু বড়রা নয়, ছোটরাও এ হালুয়া চেটেপুটে খাবে। তাই চটজলদি অবসর সময়ে তৈরি করে পরিবারসহ উপভোগ করুন মুগডালের হালুয়া। জেনে নিন রেসিপি-

উপকরণ
১. মুগডাল ১ কাপ
২. তরল দুধ ২ কাপ
৩. গুঁড়া দুধ ২ টেবিল চামচ
৪. এলাচ গুঁড়া ১ চা চামচ
৫. চিনি ১ কাপ
৬. ঘি দেড় কাপ।

jagonews24

পদ্ধতি: ডাল ভালো করে ধুয়ে ২-৩ ঘণ্টা পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। এরপর ব্লেন্ড করে নিন। এবার প্যানে ঘি দিয়ে তার মধ্যে ব্লেন্ড করা ডাল ভালো করে মিশিয়ে নিতে হবে।

এরপর চুলায় প্যান বসিয়ে ডাল অনবরত নাড়তে হবে। ভালো করে নেড়ে ডাল ভাঁজতে হবে। এর জন্য প্রায় ২৫ থেকে ৩০ মিনিট সময় লাগবে।

ডাল থেকে যখন ঘি ছাড়বে; তখন তরল দুধ ও গুঁড়া দুধ একসঙ্গে মিশিয়ে দিয়ে নাড়তে হবে। দুধ শুকিয়ে আসার সময় চিনি ও এলাচ গুঁড়া দিয়ে আবার কিছুক্ষণ নাড়ুন।

চিনি ভালো করে মিশে গেলে চুলা থেকে নামিয়ে একটা বাটিতে ঘি ব্রাশ করে হালুয়াটা সমান করে বিছিয়ে দিন। ঠান্ডা হলে পছন্দমতো কেটে তার উপরে বাদাম-কুচি দিয়ে পরিবেশন করুন মজাদার মুগডালের হালুয়া।

হ্যান্ড স্যানিটাইজার শিশু স্বাস্থ্যের ক্ষতি করছে যেভাবে

হ্যান্ড স্যানিটাইজার শিশু স্বাস্থ্যের ক্ষতি করছে যেভাবে

 

ব্যক্তিগত সুরক্ষা নিশ্চিত করতে সবাই এখন স্যানিটাইজার ব্যবহার করে থাকেন। কারণ সবসময় তো আর সাবান দিয়ে হাত ধোয়ার সুযোগ থাকে না। তাই কাছে একটি স্যানিটাইজার থাকলে যেকোনো সময় হাতের জীবাণু ধ্বংস করা সম্ভব হয়।

বড়দের পাশাপাশি ছোটদের সুরক্ষাতেও আমরা স্যানিটাইজার ব্যবহার করে থাকি। তবে বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছে ছোটদের স্বাস্থের উপর মারাত্মক প্রভাব ফেলে হ্যান্ড স্যানিটাইজার।

আমেরিকান মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের প্রকাশিত এক গবেষণায় এমনই তথ্য জানানো হয়েছে। গবেষণা মতে, হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহারের কারণে শিশুদের চোখের এবং ত্বকের সমস্যা মারাত্মকভাবে বেড়ে যাতে পারে।

jagonews24

এ বিষয়ে শিশুস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হ্যান্ড স্যানিটাইজারে ৭০ শতাংশ অ্যালকোহল রয়েছে। এ মাত্রা শিশুদের জন্য অনেক ক্ষতিকর। যদিও করোনাকালীন এ সময়ে জীবাণু থেকে বাঁচতে সবাই স্যানিটাইজার ব্যবহারে বাধ্য; কিন্তু তা স্বাস্থ্যের জন্য চরম ক্ষতিকর।

গবেষণাপত্রের তথ্য মতে, ২০১৯ সালে যত জন শিশুর চোখের ইনফেকশনে চিকিৎসা করানো হয়েছিল; তার মধ্যে মাত্র ১.৩ শতাংশের ক্ষেত্রেই ইনফেকশনের কারণ ছিল হ্যান্ড স্যানিটাইজার। ২০২০ সালে এ সংখ্যা বেড়ে হয়েছে প্রায় ১০ শতাংশের কাছাকাছি। শুধু চোখ নয় বাড়ছে ত্বকের সমস্যাও।

এ বিষয়ে বিশেষজ্ঞদের মত, শিশুদের তালুর ত্বক যতটা নরম হওয়ার কথা, তা কমেছে এ সময়ের মধ্যে অনেকটাই কমেছে। অনেক শিশুর আঙুল ও নখে ধরেছে ফাটল ও ছত্রাকের আক্রমণ দেখা গেছে। কারণ শিশুরা কারণে বা অকারণে মুখে বা চোখে হাত দেয়। সে সময় যদি তাদের হাতে স্যানিটাইজার থাকে; তা সহজেই চোখে বা মুখে গেলে বিষক্রিয়া ঘটে।

jagonews24

হ্যান্ড স্যানিটাইজার সংশ্লিষ্ট এমন ক্ষতিকর প্রভাব এড়াতে ব্যবহারের উপর নিয়ন্ত্রণ আনতে হবে বলে মনে করছেন গবেষকরা। বাজারে যেসব স্যানিটাইজার পাওয়া যায়; সেগুলোর গুণগত মানের বিষয়েও কর্তৃপক্ষের নজরদারি প্রয়োজন।

শিশুদের কাছ থেকে হ্যান্ড স্যানিটাইজার দূর রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। তবে তাদের সুরক্ষায় কী করা উচিত? গ্লাভস ব্যবহারে উৎসাহিত করতে হবে শিশুদেরকে। এতে শিশুর হাতে স্যানিটাইজার লাগানোর প্রয়োজনীয়তা কমবে। সংক্রমণের আশঙ্কাও বাড়বে না।

শনিবার, ২৩ জানুয়ারি, ২০২১

ঘরেই তৈরি করুন মজাদার শন পাপড়ি

ঘরেই তৈরি করুন মজাদার শন পাপড়ি

 

মুখে দিলেই মিলিয়ে যায় শন পাপড়ি। এর স্বাদ অতুলনীয়। সব সময় বাজার থেকেই কিনে খাওয়া হয় শন পাপড়ি। চাইলে ঘরে বসেও তৈরি করে নিতে পারেন মুখরোচক এ পদ।

ছোট-বড় সবাই মিষ্টি খাবারটি খেতে পছন্দ করেন। অনেকেই হয়তো ভেবে থাকেন, এটি তৈরি করা বেশ কষ্টকর। মাত্র ৪৫ মিনিটেই কিন্তু সামান্য কিছু উপকরণ দিয়ে তৈরি করা যায় শন পাপড়ি।

চলুন তবে জেনে নেওয়া যাক রেসিপি-

উপকরণ
১. ময়দা ১১/৪
২. বেসন ১১/৪
৩. ঘি ২৫০ গ্রাম
৪. চিনি ২১/২
৫. পানি ১১/২ কাপ
৬. দুধ ২ টেবিল চামচ
৭. এলাচ গুঁড়ো ১২ চা চামচ
৮. চারমগজ মশলা ২ চা চামচ (শসা, কুমড়ো, খরমুজ ও তরমুজ বীজ)
৯. চারটি চারকোণা মোটা পলিথিন সিট।

jagonews24

পদ্ধতি: ময়দা ও বেসন একসঙ্গে মিশিয়ে নিন। একটি বড় প্যানে প্রথমে ঘি গরম করে বেসন আর ময়দার মিশ্রণটা দিয়ে দিন। অল্প আঁচে নাড়তে থাকুন। দেখবেন বাদামি রঙা হয়ে আসবে। এরপর নামিয়ে ঠান্ডা করে নিন।

এবার সিরাপ তৈরির পালা। এজন্য চিনি, পানি আর দুধ একসঙ্গে মিশিয়ে নিন। সিরাপ তৈরি হয়ে গেলে ময়দার মিশ্রণটির মধ্যে ধীরে ধীরে ঢেলে দিন। এবার ময়দা অনেকক্ষণ ধরে মথে নিতে হবে।

অনেকটা শক্ত হয়ে স্টিকি হবে মিশ্রণটি। এজন্য শক্তি প্রয়োগ করে মথতে হবে। বেশ মোটা হয়ে ঝুরি হয়ে আসবে, তখন একটি বড় প্লেটের মধ্যে লেয়ার তৈরি করে রাখুন।

এরপর লেয়ারের উপর একটি চারকোণা প্লাস্টিকের শিট রেখে বেলুন দিয়ে রুটির মতো বেলে নিয়ে সমান করে দিন। এবার চারমগজ মশলা ও এলাচ পিষে গুঁড়া করে নিয়ে রুটির উপর ছড়িয়ে দিন।

jagonews24

ছুড়ি দিয়ে চারকোণা করে কাটুন। এরপর যদি চারকোণা প্লাস্টিক সিটের মধ্যে রাখা হয় তাহলে বেশি ভালো হবে। এরপর কয়েক ঘণ্টা এভাবেই রেখে দিন শন পাপড়িগুলো। এয়ারটাইট কনটেইনারের মধ্যে রাখলে অনেকদিন থাকবে।

মজাদার ছিটা রুটি পিঠার সহজ রেসিপি

মজাদার ছিটা রুটি পিঠার সহজ রেসিপি

 

মুরগি, গরু কিংবা খাসি যেকোনো মাংসের ঝোলের সঙ্গে ছিটা রুটি পিঠা খাওয়ার স্বাদই আলাদা। শীত এলেই মজাদার এ ছিটা রুটি পিঠা তৈরির ধুম পড়ে যায়। এটি তৈরি করাও বেশ সহজ। দেখতেও যেমন সুন্দর; খেতেও তেমনই মজাদার ছিটা রুটি।

চালের গুড়ার মিশ্রণে হাত চুবিয়ে তাওয়া বা প্যানের উপর ছিটিয়ে তৈরি করা হয় বিশেষ এ রুটি। যে কারণে এর নাম ছিটা রুটি। কেউ আবার ছটকা রুটি বা ছিটরুটিও বলে থাকেন।

jagonews24

শুধু মাংসের ঝোলেই নয়; খেজুরের গুড়েও চুবিয়ে খাওয়া যায় ছিটা রুটি। চলুন তবে জেনে নেওয়া যাক ছিটা রুটি পিঠার সহজ রেসিপি-

উপকরণ
১. চালের গুড়া ২ কাপ (১২-১৫টি রুটি হতে পারে)
২. পানি ৩ কাপ
৩. ডিম ১টি ফেটানো
৪. লবণ পরিমাণমতো
৫. তেল পরিমাণমতো

jagonews24

পদ্ধতি: প্রথমে একটি পাত্রে লবণ ও ৩ কাপ পানিতে চালের গুড়া মিশিয়ে নিন ভালোকরে। পাতলা মিশ্রণ তৈরি করতে হবে। এ মিশ্রণের সঙ্গে ১টি ডিম ফেটিয়ে মিশিয়ে নিন। এ অবস্থায় মিশ্রণটি ১৫ মিনিট রেখে দিন।

এরপর একটি প্যানে তেল ব্রাশ করে চালের গুঁড়ার মিশ্রণে হাত চুবিয়ে প্যানে ছিটিয়ে দিন। আঙুলগুলো প্যানের উপর ঝেড়ে নিন। এভাবে প্রতি রুটির জন্য ৩-৪ বার মিশ্রণটিতে হাত চুবিয়ে পরপর ছিটিয়ে দিন।

চুলার আঁচ কমানো থাকবে রুটি যেন পুড়ে না যায় সেদিকে খেয়াল রাখুন। রুটি হয়ে গেলে আলতো করে পাটিসাপটার মতো রোল করে অথবা তিন কোণা আকৃতির ভাঁজ করে তুলে ফেলুন।

jagonews24

এভাবেই একেক করে ছিটা রুটি পিঠা তৈরি করে নিন। রুটিগুলো যেন গরম থাকে এমন কিছুতে তুলে রাখুন। মিশ্রণটি যদি জমে যাওয়ার মতো হয়; তাহলে একটু পানি মিশিয়ে ভালো করে নেড়ে নিন।

বানানো হয়ে গেলে ছিটা রুটির সঙ্গে ভুনা মাংস ও ঝোল, সালাদ, খেজুরের রস কিংবা নারকেল কোরানো দিয়ে পরিবেশন করতে পারেন।

বুধবার, ২০ জানুয়ারি, ২০২১

লে মেরিডিয়ানে শুরু হচ্ছে জমকালো বিয়ে উৎসব

লে মেরিডিয়ানে শুরু হচ্ছে জমকালো বিয়ে উৎসব

 

বিয়ে মানেই আনন্দ একটা উৎসব মুখর পরিবেশ। আর এই আনন্দকে আরো বেশি বাড়িয়ে দিতে লে-মেরেডিয়ান হোটেলে শুরু হচ্ছে বিয়ে উৎসব। হোটেলটির উপস্থাপনায় এঞ্জেলিকা ইভেন্ট সলিউশন আয়োজন করছে বাংলাদেশের বৃহত্তম এ বিয়ে উৎসব।

এই উপলক্ষে ঢাকার লে মেরিডিয়ান হোটেলে ১৯ জানুয়ারি আয়োজন করা হয় সংবাদ সম্মেলনের। সেখানে জানানো হয়, আসছে ২৩ ও ২৪ শে জানুয়ারি সকাল ১১ টা থেকে রাত ৯ টা পর্যন্ত লে-মেরিডিয়ান হোটেলের ইনফিনিটি হলে উৎযাপিত হবে এই বিয়ে উৎসব। এটি উদ্বোধন করবেন সংস্কৃতিমন্ত্রী কে. এম. খালিদ। থাকবেন নান অঙ্গনের তারকামুখ।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন হোটেলটির জেনারেল ম্যানেজার কনস্টেন্টিনোস এস গ্যাব্রিয়েল, এঞ্জেলিকা ইভেন্ট সলিউশনের সি ই ও নুসরাত জাহান, কালের কণ্ঠের মার্কেটিং জেনারেল ম্যানেজার হারুনুর রশিদ, এ টি এন এম সি এল এর সি ও ও সাজেদুর রহমান মুমিন এবং টি এ সি পারফিউম এর সেক্রেটারি আশরাফ মাহমুদ।

লে মেরিডিয়ান ঢাকার জেনারেল ম্যানেজার কনস্টেন্টিনোস এস গ্যাব্রিয়েল জানান, ‘বছরের বৃহত্তম ওয়েডিং ফেস্টিভ্যালের হোস্ট হিসেবে সংযুক্ত হতে পেরে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত। আসন্ন উৎসবে বিশ্বের সেরা ওয়েডিং ট্রেন্ড এবং ফ্যাশন প্রদর্শিত হবে বলে আশা করছি।’

এঞ্জেলিকা ইভেন্ট সলিউশনের সি ই ও নুসরাত জাহান জানান, কোভিড-১৯ এর কারনে বাংলাদের ওয়েডিং ইন্ডাস্ট্রিতে যে ধ্বস নেমেছে তার ভয়াবহতা কাটিয়ে উঠে সম্পূর্ণ ওয়েডিং ইন্ডাস্ট্রিকে এক ছাদের নিচে একত্র করার উদ্দেশ্যেই মূলত এই উৎসবটির উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। উৎসবে অংশগ্রহণ করতে কোনো রেজিস্ট্রেশন বা এন্ট্রি ফি দিতে হবে না। করোনার কথা চিন্তা করেই মূলত আয়োজকরা এ সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন।

চমৎকার ওয়েডিং ডেকোরেশন এ সজ্জিত হবে সম্পূর্ণ উৎসব। থাকবে ৪৫ টি স্টলের মেলা। যেখানে থাকবে বছরের সেরা প্যাকেজ ও ডিসকাউন্ট অফার।

উৎসবের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন পূর্ণিমা, ফেরদৌস, মেহজাবিন, তপু, কনাসহ আরো অনেকে। থাকবেন নদী খন্দকার, তৌসী, মারিয়া মৃত্থিক, শাহিদা হাসান, টিনকার জান্নাত মিম, বুশরা কবির এবং আরো অনেকে।

উৎসবটিতে টাইটেল স্পন্সর লে-মেরিডিয়ান ঢাকারন সঙ্গে কো-স্পন্সর হিসেবে থাকছে ‘টি এ সি পারফিউম, স্ট্র্যাটিজিক পার্টনার গুডি ব্রো, এসোসিয়েট পার্টনার ‘এম এন্ড এম বিজিনেস কমিনিউশন’ এবং ‘এটিএন এমসিএল’। পার্টনার হিসেবে থাকছে বাংলাদেশের আরও বেশ কিছু শীর্ষ প্রতিষ্ঠানসমূহ।

সোমবার, ১৮ জানুয়ারি, ২০২১

ঘরেই তৈরি করুন মজাদার ‘নাচোস’

ঘরেই তৈরি করুন মজাদার ‘নাচোস’

 

বিভিন্ন ফাস্টফুড হাউস কিংবা রেস্টুরেন্টে বিদেশি খাবার নাচোসের দেখা মেলে। ছোট-বড় সবারই পছন্দ মেক্সিকান খাবারটি। এরই মধ্যে বাঙালির কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। মুচমুচে নিমকি বা কর্ন চিপসের সঙ্গে সালাদ, চিকেন, মেয়োনিজ ও সসের দুর্দান্ত মিশেলে তৈরি হয় নাচোস।

jagonews24

এ খাবারে অনেক সস ও মেয়োনিজ থাকে, তাই বেশি ঝাল হয় না। এ কারণেই কম ঝালপ্রেমী ও শিশুদের কাছে নাচোস পছন্দের খাবার। তাই আপনি চাইলে কিছু উপকরণ দিয়ে ঘরেই তৈরি করে নিতে পারবেন খাবারটি। চলুন তবে জেনে নেওয়া যাক রেসিপি-

jagonews24

চিপসের উপকরণ
১. ভুট্টার আটা ২ কাপ
২. ময়দা আধা কাপ
৩. পনির গুঁড়া ২০০ গ্রাম
৪. কাঁচা মরিচ কুচি ১ টেবিল চামচ
৫. লবণ পরিমাণমতো
৬. মাখন ২৫ গ্রাম
৭. কুসুম গরম পানি পরিমাণমতো।

পদ্ধতি: ভুট্টার আটা, ময়দা, পনির, কাঁচা মরিচ কুচি, লবণ ও মাখন একসঙ্গে মিশিয়ে নিন। পানি দিয়ে ভালো করে ময়দা মথে নিয়ে আধা ঘণ্টা ঢেকে রাখুন। এবার খামির থেকে বড় আকারের রুটি পাতলা করে বানিয়ে নিন। তিন কোণা করে কেটে ডুবো তেলে অল্প আঁচে হালকা বাদামি রং করে ভাজতে হবে।

চিকেনের উপকরণ

jagonews24
১. মুরগির কিমা ২ কাপ
২. পেঁয়াজ কুচি ১ কাপ
৩. মরিচ গুঁড়ো ১ চা-চামচ
৪. গোলমরিচ গুঁড়ো ১ চা-চামচ
৫. আদা কুচি ১ চা-চামচ
৬. রসুন কুচি ১ চা-চামচ
৭. সয়াসস ২ টেবিল চামচ
৮. ওয়েস্টার সস ২ টেবিল চামচ
৯. লেবুর রস ২ টেবিল চামচ
১০. টমেটো সস ২ টেবিল চামচ
১১. মাখন ৫০ গ্রাম
১২. টমেটো সালসা আধা কাপ (টমেটো, ধনেপাতা, পেঁয়াজ কুচি, শুকনো মরিচ সব একসঙ্গে ব্লেন্ডারে অল্প ব্লেন্ড করতে হয়; যাতে একদম মিহি না হয়ে যায়)
১৩. পনির ২০০ গ্রাম
১৪. পেঁয়াজ গোল করে কাটা আধা কাপ
১৫. ধনেপাতা কুচি আধা কাপ।

jagonews24

পদ্ধতি: মুরগির কিমা, সয়াসস, ওয়েস্টার সস দিয়ে মাখিয়ে আধা ঘণ্টা রাখতে হবে। এরপর মাখন গরম করে আদা-রসুন ভেজে তাতে পেঁয়াজ দিয়ে কিছুক্ষণ ভেজে নিন। মাখানো কিমা দিয়ে ভুনতে হবে। মাংসের রং হালকা সাদা হলে টমেটো সস দিয়ে কিছুক্ষণ রান্না করুন। লেবুর রস ও ধনেপাতা কুচি দিয়ে নামাতে হবে।

পরিবেশন পাত্রে রান্না করা কিমা রেখে উপরে টমেটো সালসা, পনির, ধনেপাতা কুচি, পেঁয়াজ কুচি দিয়ে সাজিয়ে নিয়ে প্রি-হিটেড ওভেনে ১৮০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপে ১৫-২০ মিনিট রেখে কর্ন চিপস দিয়ে পরিবেশন করতে হবে।

এবার কর্ন চিপস, চিকেন, সালসা বড় একটি সার্ভিং ডিসে একের পর এক রেখে সাজিয়ে দিতে হবে। এর সঙ্গে গলানো ক্রিমি চিজ, পছন্দমতো ক্রিম, মেয়োনেজ লেয়ার করে দিন।

মঙ্গলবার, ১২ জানুয়ারি, ২০২১

কালো চা দূর করবে মুখের কালচে দাগ

কালো চা দূর করবে মুখের কালচে দাগ

 

শারীরিক সুস্থতায় কালো চা পানের বিকল্প নেই। কালো চা আমরা সাধারণত লিকার হিসেবে (রং চা) অথবা দুধ-চিনি মিশিয়ে পান করে থাকি। তবে রং চায়ে ক্যালোরির পরিমাণ অনেক কম থাকে।

গবেষণায় দেখা গেছে, কালো চা স্ট্রোকের ঝুঁকি কমায়। তা ছাড়া নিয়মিত কালো পান করলে উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আসে। এমনকি যারা ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে চান; তাদের জন্যও রং চা অনেক কার্যকরী। শুধু শারীরিক সুস্থতা নয় বরং ত্বকের কালো দাগ দূর করতে পারে চা।

কালো চায়ের মধ্যে সবচেয়ে বেশি অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট রয়েছে। চায়ের পলিফেনল হচ্ছে ব্যাকটেরিয়ার যম। যেকোনো জীবাণু ধ্বংসে কাজ করে কালো চায়ে থাকা উপাদানসমূহ। ত্বক ও চুলের যত্নে কালো চা ব্যবহারেই দেখবেন ম্যাজিকের মতো ফলাফল। চলুন তবে জেনে নেয়া যাক রূপচর্চায় কালো চায়ের ব্যবহার-

jagonews24

>> চোখের নিচের বলিরেখা ও কালচে দাগ দূর করতে ব্ল্যাক টি’র ব্যবহৃত ঠান্ডা ব্যাগ চোখের উপর দিয়ে রাখুন।

>> চুলের ঝলমলে ভাব আনতে শ্যাম্পু শেষে ব্ল্যাক টি লিকার দিয়ে ধুয়ে নিন।

>> মেহেদির সঙ্গে কালো চায়ের লিকার মিশিয়ে চুলে লাগালে রঙিন আভা চলে আসবে।

>> ত্বকের কালচে দাগ দূর করতে ঠান্ডা টি ব্যাগ চেপে চেপে লাগান।

jagonews24

>> চুল লম্বা করতেও কালো চায়ের বিকল্প নেই! এজন্য কয়েকটি কালো চায়ের টি ব্যাগ এক কাপ পানিতে সারারাত ভিজিয়ে রাখুন। পরদিন শ্যাম্পু শেষে চুলের গোড়ায় স্প্রে করুন। ১৫ মিনিট চুলে তোয়ালে পেঁচিয়ে রাখুন। এরপর চুল শুকিয়ে নিন।

রবিবার, ১০ জানুয়ারি, ২০২১

শত বছরের ‘বল প্রিন্টে’ মেতেছে ফ্যাশন দুনিয়া

শত বছরের ‘বল প্রিন্টে’ মেতেছে ফ্যাশন দুনিয়া

 

যুগ যুগ ধরে বল প্রিন্ট বা পোলকা ডটের পোশাক চলে আসছে। পুরোনো এ ফ্যাশনের চাহিদা এখনো কমেনি। তা আবারো প্রমাণ হলো বলি কুইনদের নতুন ফ্যাশন ট্রেন্ড দেখে।

কারিশমা কাপুর থেকে শুরু করে সোনম কাপুর, দিপিকা পাড়ুকোন, প্রিয়াঙ্কা চোপড়া, কারিনা কাপুর, আলিয়া ভাটসহ ভূমি পেডনেকার- সবাইকে বল প্রিন্টের পোশাক পরতে দেখা গেছে।

হালকা গোলাপির ওপর কালো বল প্রিন্টের হাই নেক ও ফুল স্লিভ টপসে সম্প্রতি দেখা মিলেছে ভূমি পেডনেকারকে। তার পরনে ছিলো ১৯৭০ সালের জনপ্রিয় বেল বটমস স্টাইলের প্যান্ট। চুলগুলো পনিটেইল করে বাধা। অভিনেত্রী ইনস্টাগ্রামে তার পোলকা ডটসের পোশাক পরিহিত ছবি শেয়ার করেছেন।

jagonews24

সোনম কাপুরকেও সম্প্রতি সাদার ওপরে কালো পলকা ডটসের একটি হাফ স্লিভ শর্ট টপস পরতে দেখা গেছে। তার পরনে ছিল একটি কালো রঙের প্যান্ট। আবার কারিশমা কাপুরের একটি পুরোনো ছবিতে দেখা গেছে, তার পরনে রয়েছে সাদার মধ্যে কালো পলকা ডটের একটি স্কার্ট।

পুরোনো পলকা ডট আবার নতুনভাবে ফিরে এসেছে ফ্যাশন অঙ্গনে। এটি এমনই একটি ভার্সেটাইল প্রিন্ট যে স্কার্ট বা টপ, শাড়ি বা লেহেঙ্গা, থ্রি-পিস- সব কিছুতেই মানিয়ে যায়। সুতি, জর্জেট বা সিল্ক সব ধরনের কাপড়ের ওপর এ প্রিন্ট অনবদ্য।

jagonews24

ডিজাইনার অনুরাধা রহমানের মতে, বর্তমানে পোলকা ডট যেন আবারো অতীতকে টেনে এনেছে। ক্যাজুয়াল পরিধানের জন্য পোলকা ডটের টপস, কুর্তি এগুলো ব্যবহার করা যেতে পারে।

১৯২০ সালে ফ্যাশন দুনিয়ায় আসে বল প্রিন্টের পোশাক। ডিজনির মিকি মাউস তখন লাল রঙা পোলকা ডটসের পোশাক পরত। তখন থেকেই চল শুরু হয় বল প্রিন্ট পোশাকের। বিভিন্ন সময়ে এ প্রিন্ট ফিরে এসেছে ফ্যাশন ট্রেন্ড হয়ে। ১৯৭০ সাল থেকে হিন্দি ছবিতেও নায়ক-নায়িকার শরীরে শোভা পেতে থাকে বল প্রিন্টের পোশাক।

jagonews24

১৯৭৩ সালে মুক্তি পায় ‘ববি’ সিনেমা। অভিনয়ে ছিলেন ডিম্পল কাবাডিয়া ও ঋষি কাপুর। ববি সিনেমায় ডিম্পলের লুক দেখে মুগ্ধ হয়েছিল দর্শকরা। পোলকা ডটস প্রিন্টেড শার্ট পরেছিলেন ডিম্পল। যা তখনকার সময়ে ভারতের ফ্যাশন অঙ্গনে তুঙ্গে ওঠে।

jagonews24

২০১৩ সালে মুক্তিপাপ্ত ‘ঘনচক্কর’ ছবিতে অভিনয় করেন ইমরান হাশমি ও বিদ্যা বালান। ফ্যাশন নিয়ে নির্মিত এ ছবিতেও নায়ক-নায়িকা দু’জনকেই পলকা ডটের পোশাক পরতে দেখা যায়।

শনিবার, ৯ জানুয়ারি, ২০২১

শরীরের কোথাও কেটে গেলে দ্রুত যা করবেন

শরীরের কোথাও কেটে গেলে দ্রুত যা করবেন

 

রান্নাঘরে প্রায়ই ধারালো সরঞ্জামে লেগে হাত-পা কেটে যাওয়ার ঘটনা ঘটে। ছোটখাটো এসব কাটা-ছেঁড়া যেন গৃহিণীদের নিত্যদিনের সমস্যা। শিশুদের ক্ষেত্রে এ ধরনের দুর্ঘটনার সম্ভাবনা আরও বেশি থাকে।

ধারালো কোনো বস্তুতে কেটে গিয়ে ক্ষত সৃষ্টি হওয়াকে বলা হয় কাট ইনজুরি। আবার ভোঁতা কোনো জিনিস দিয়ে বা কোথাও পড়ে গিয়ে আঘাত পেলে সাধারণত ত্বক কেটে যায় না বরং থেঁতলে যায় বা ছিঁড়ে যায়- একে বলা হয় ল্যাসারেসন হওয়া।

যেভাবেই ক্ষত তৈরি হোক না কেন, শরীরের কোথাও কেটে যাওয়ার পর প্রাথমিকভাবে করণীয় হলো- রক্তপাত বন্ধ করা এবং সংক্রমণ যাতে না হয়, সেদিকে লক্ষ্য রাখা।

jagonews24

তবে রক্তপাত বন্ধ না হলে আক্রান্ত ব্যক্তিকে হাসপাতালে নেওয়ার প্রয়োজন হতে পারে। এজন্য কোথাও কেটে গেলে প্রাথমিকভাবে বেশকিছু বিষয় মাথায় রাখা জরুরি-

১. একটা পরিষ্কার কাপড় বা গজ দিয়ে কাটা স্থানটি চেপে ধরে রাখুন। কাপড় বা গজ না পেলে হাতের তালু কিংবা দুই আঙুল ব্যবহার করে চিমটির মতো ধরে রাখতে পারেন। টানা ২০-৩০ মিনিট চাপ দিয়ে ধরে রাখলে রক্ত জমাট বেঁধে রক্তপাত বন্ধ হয়ে যাবে।

২. পাশাপাশি এক টুকরো বরফও পেঁচিয়ে ধরে রাখতে পারেন। কাটা স্থানটি একটু উঁচু করে রাখতে হবে। রক্ত বন্ধ হয়েছে কি-না তা বারবার খুলে না দেখাই ভালো।

jagonews24

৩. রক্ত পড়া বন্ধ হয়ে গেলে টিউবওয়েল বা ট্যাপের বহমান পানিতে ভালো করে ধুয়ে নিতে হবে। কাটা স্থান জীবাণুমুক্ত এবং পরিষ্কার করার জন্য সাবান বা আয়োডিন ও আয়োডিনজাত অ্যান্টিসেপটিক কিংবা ক্লিনজারও ব্যবহার করা যায়।

৪. কাটা স্থান পরিষ্কার করার পর ওই জায়গায় পাতলা স্তরে অ্যান্টিবায়োটিক মলম দিয়ে ঢেকে দিন। মিউপিরোসিন, নিওমাইসিন বা এ জাতীয় মলম সব সময় বাড়িতে প্রাথমিক চিকিৎসার ওষুধ হিসেবে রাখা উচিত।

৫. এগুলো হাতের কাছে না পেলে হলুদের গুঁড়া কিংবা লবণ পানিও ব্যবহার করা যায়। সবশেষে একটি পাতলা গজ বা ব্যান্ডেজ দিয়ে সম্পূর্ণ স্থানটি হালকাভাবে আটকে দিতে হবে।

৬. ব্যবহৃত ব্যান্ডেজটি সাধারণ গজ ব্যান্ডেজ বা স্টিকারযুক্ত ব্যান্ডেজ যা-ই হোক না কেন, প্রতিদিন অন্তত একবার তা পরিবর্তন করতে হবে। যদি কাটা জায়গাটা ফুলে যায় কিংবা লাল দেখায়, ব্যথা বেড়ে যায় কিংবা ব্যান্ডেজ ভিজে যেতে থাকে অথবা জ্বর চলে আসে, তাহলে দেরি না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। এগুলো কাটা জায়গায় সংক্রমণ সংঘটনের লক্ষণ।

jagonews24

৭. খেয়াল রাখবেন, কেটে-ছিঁড়ে গেলে রক্তপাত হওয়াটা স্বাভাবিক। তবে ফিনকি দিয়ে রক্ত ছুটলে বুঝতে হবে যে, রক্তনালি কেটে গেছে। যা সহজে বন্ধ না-ও হতে পারে।

৮. আবার রক্ত জমাট বাঁধার প্রক্রিয়ায় কোনো সমস্যা থাকলে, যেমন- যকৃতের রোগ, হিমোফিলিয়া, ডেঙ্গু কিংবা দীর্ঘদিন ধরে অ্যাসপিরিন সেবন করছেন, এমন রোগীর রক্তপাত সহজে বন্ধ না-ও হতে পারে।

৯. অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের ফলে নাড়ির স্পন্দন কমে আসতে পারে। সেইসঙ্গে রক্তচাপ কমে যেতে পারে এবং হাত-পা ঠান্ডা হয়ে আসতে পারে। এর অর্থ হলো- রোগীর জীবন বিপন্ন হয়ে আসছে। আবার কোনো রোগী কাটা-ছেঁড়ার পর হঠাৎ অজ্ঞান হয়ে পড়তে পারেন। আধা ঘণ্টা চেপে রাখার পরও যদি রক্তপাত বন্ধ না হয়, তাহলে ওই স্থানে সেলাই লাগতে পারে।

jagonews24

১০. কোনো ধাতব নোংরা বস্তুর কারণে ক্ষত তৈরি হলে এক ডোজ টিটেনাস ইনজেকশন নেওয়া প্রয়োজন। তবে ১০ বছরের মধ্যে টিটেনাস টিকা না দেওয়া থাকলে পরিষ্কার ক্ষত হলেও একটি বুস্টার ডোজ নেওয়া ভালো। এ ছাড়া নোংরা বস্তু দিয়ে কেটে গেলে অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধ মুখে সেবন করার প্রয়োজন হতে পারে।

১১. রড বা টেঁটা জাতীয় কোনো বস্তু ঢুকে রক্তপাত হলে এবং ক্ষতস্থানে ওই বস্তু থেকে গেলে ক্ষতস্থানের দুই পাশ চেপে ধরতে হবে। কোনোভাবেই ক্ষতস্থানের ওপর চাপ দেওয়া যাবে না। এমনকি ক্ষতস্থান থেকে বস্তুটি তুলে ফেলারও চেষ্টা করবেন না। ক্ষতস্থান ও বস্তুটির ওপর আলতো করে গজ বা পরিষ্কার কাপড় দিয়ে মুড়িয়ে দিন। এরকম আহত ব্যক্তিকে যত দ্রুত সম্ভব নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যেতে হবে।

বুধবার, ৬ জানুয়ারি, ২০২১

ধূমপায়ীর ফুসফুস পরিষ্কারের প্রাকৃতিক উপায়

ধূমপায়ীর ফুসফুস পরিষ্কারের প্রাকৃতিক উপায়

 

প্রাকৃতিক দূষণ ও ধূমপানের কারণে ফুসফুসে প্রতিনিয়ত জমছে ময়লা। এ কারণে শ্বাসকষ্টসহ ফুসফুসের জটিলতায় ভুগছেন অনেকেই। শ্বাসকষ্টের সমস্যায় এখন ছোট থেকে বড় সবাই ভুগে থাকেন।

ধূমপান স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। আবার পরোক্ষ ধূমপানের কারণেও ক্ষতিগ্রস্ত হতে হয়। তবে ঘরোয়া কিছু টোটকা মেনে ফুসফুস পরিষ্কার রাখা সম্ভব। এতে মারাত্মক বিভিন্ন ব্যাধির ঝুঁকি অনেকটাই কমে আসবে।

jagonews24

ভাঁপ নিন: নিয়মিত গরম পানির ভাঁপ নিতে শুরু করুন। যখন গরম ভাঁপ নেবেন; তখন ফুসফুসের ড্রেনে জমে থাকা শ্লেষ্মা গলে যাবে এবং ভালোভাবে নিশ্বাস নিতে পারবেন। ‘জার্নাল অব পালমোনারি অ্যান্ড রেসপিরেটরি মেডিসিনে’ প্রকাশিত এক গবেষণায় ফুসফুস ভালো রাখতে গরম পানির ভাঁপ কার্যকরী বলে প্রমাণিত হয়েছে।

১৬ জন পুরুষের উপর গবেষণাটি করা হয়; যারা ক্রনিক অবস্ট্রাকটিভ পালমোনারি ডিজিজে (সিওপিডি) আক্রান্ত ছিলেন। এ ব্যাধিতে আক্রান্তরা ঠিকভাবে নিশ্বাস নিতে পারেন না। গবেষকরা ১৬ জনের উপর পরীক্ষাটি করার আগে তাদের হার্ট রেট ও রেসপিরেটরি রেটের পরিমাণ অনেক কম দেখতে পান।

jagonews24

গ্রিন টি: শারীরিক সুস্থতায় গ্রিন টি’র বিকল্প নেই। এতে অ্যান্টি-অক্সিডেন্টের পরিমাণ রয়েছে অনেক। যা ফুসফুস সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করে। ফুসফুসের টিস্যুগুলো ধূমপানের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে থাকে। গ্রিন টি’তে থাকা উপাদানগুলো ওই ক্ষতি থেকে আপনার ফুসফুসকে রক্ষা করবে।

jagonews24

দ্য জার্নাল অব নিউট্রিশনে প্রকাশিত এক গবেষণায় গ্রিন টি’র এমন সক্ষমতার কথা জানানো হয়েছে। এক হাজার কোরিয়ান প্রাপ্তবয়স্কের উপর গবেষণাটি চালানো হয়। তারা নিয়মিতভাবে দিনে দুইবার গ্রিন টি পান করতেন। এরপর গবেষকরা দেখতে পান, গ্রিন টি না খাওয়া ব্যক্তিদের ফুসফুসের তুলনায় যারা নিয়মিত খেয়েছেন; তাদের ফুসফুস বেশি কার্যকর।

অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি খাবার: শ্বাসকষ্ট বা বুকে চাপ অনুভব করলে অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি খাবার খাওয়া শুরু করুন। এতে অনেকটাই উপকৃত হবেন। এজন্য যেসব খাবার খাদ্যতালিকায় অন্তর্ভুক্ত করবেন, সেগুলো হলো- হলুদ, সবুজ শাক-সবজি, চেরি, ব্লুবেরি, জলপাই, আখরোট, মটরশুটি ও মসুর ডাল।

jagonews24

শরীরচর্চা: ফুসফুসের কার্যকারিতা বাড়াতে শারীরিক কসরতের বিকল্প নেই। নিয়মিত ব্যায়াম করলে শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ থাকা যায়। ডায়াবেটিস, স্ট্রোক ও হার্ট অ্যাটাকের মতো কঠিন রোগের ঝুঁকি কমে।

ফুসফুসের সুস্থতায় নিশ্বাসের ব্যায়ামগুলো করার বিকল্প নেই। ব্রিদিং এক্সারসাইজের মাধ্যমে ফুসফুসের জটিলতা দূর করা সম্ভব। বুক ভরে শ্বাস নেওয়ায় শরীরে অক্সিজেনের সাপ্লাই বাড়ে। যারা সিওপিডি, সিসটিক ফাইব্রোসিস বা অ্যাজমার সমস্যায় ভুগছেন তাদের জন্য ব্রিদিং এক্সারসাইজ সবচেয়ে কার্যকরী।

jagonews24

মধু: কাশি কমাতে মধু খেতে পারেন। ফুসফুসে জমা শ্লেষ্মা দূর করতে মধু সাহায্য করে। কুসুম গরম পানিতে মধু মিশিয়ে খেলে কাশির প্রকোপ কমে। মধুতে রয়েছে জীবাণুনাশক উপাদানসমূহ, যা সংক্রমণ রোধ করে।

jagonews24

গাজর: গাজরের রস শুধু ফুসফুস নয়, শরীরের নানা দূষিত পদার্থকেও বাইরে বের করে দেয়। প্রতিদিন অল্প করে গাজরের রস খেলে শরীর অনেক চাঙা থাকে। গাজরের সঙ্গে আপেল বা আঙুরের রসও খেতে পারেন। এতেও উপকার পাবেন।