ফুটবল লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
ফুটবল লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

শুক্রবার, ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১

নেইমারের পিএসজিতেই যাচ্ছেন মেসি!

নেইমারের পিএসজিতেই যাচ্ছেন মেসি!

 

লিওনেল মেসি এখন মুক্ত-স্বাধীন। এই মৌসুম শেষ হলেই তিনি চাইলে বার্সায়ও থাকতে পারবেন, চাইলে অন্য কোনো ক্লাবেও যোগ দিতে পারবেন। কোনো ট্রান্সফার ফি পর্যন্ত লাগবে না। গত মৌসুমের শেষে মেসি যে বার্সা ছাড়তে চেয়েছিলেন, তখন তাকে কেনার জন্য উঠেপড়ে লেগেছিল ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ক্লাব ম্যানচেস্টার সিটি।

কিন্তু এবার বার্সা অধিনায়ককে কেনার জন্য সবার চেয়ে এগিয়ে রয়েছে ফ্রান্সের ক্লাব পিএসজি। যে দলটির হয়ে খেলছেন নেইমার, এমবাপেরা। এবার মেসি যদি যোগ দেন, তাহলে চাঁদের হাট বসবে প্যারিসে। রিয়ালকে বাদ দিয়ে গ্যালাক্টিকোর মালিক হয়ে যাবে তাহলে পিএসজিই।

মূলতঃ নেইমারের সঙ্গে সম্পর্কের কারণেই মেসি নিজেই এখন যেতে চাচ্ছেন পিএসজিতে। এমনই খবর ইউরোপিয়ান মিডিয়াগুলোর। পিএসজিও মেসিকে যথাযত সম্মান দিয়ে বরণ করে নিতে চাচ্ছে। দুয়ে-দুয়ে চার মিলে গেলে তো পার্ক ডি ফ্রান্সেসেই দেখা যাবে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে খেলছেন মেসি এবং নেইমার।

মাঝে নেইমার নিজেই চেয়েছিলেন পিএসজি ছেড়ে যাবেন। মুখ ফুটেও পর্যন্ত বলে ফেলেছিলেন। মেসি নিজেই চেয়েছিলেন নেইমারকে বার্সায় ফিরিয়ে আনতে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত কোনোটাই সম্ভব হয়নি। উল্টো নেইমার এখন বলছেন, তিনি পিএসজিতেই খুব ভালো আছেন এবং এখানেই থাকতে চান।

শুধু তাই নয়, এরই মধ্যে পিএসজির সঙ্গে চার বছরের নতুন চুক্তিও করে ফেলেছেন নেইমার। বিশ্লেষকরা বলছেন, মেসির আসার সম্ভাবনা বাড়ার কারণেই পিএসজির সঙ্গে লম্বা সময়ের চুক্তি করলেন এই ব্রাজিলিয়ান তারকা।

নেইমার এ নিয়ে বলেন, ‘পিএসজিতে আমি খুবই খুশি আছি এখন। অনেক কিছুই পরিবর্তন হয়ে গেছে। আমি আরও কয়েকটি মৌসুম এখানে কাটাতে চাই। আশা করি কিলিয়ান এমবাপেও একইভাবে থাকবেন এখানে।’

কিছুদিন আগেও এক সাক্ষাৎকারে মেসি বলেছেন, ‘বার্সা ছাড়ার যে সিদ্ধান্ত নিয়েছি, সেটাই ধরে রাখতে চাই আমি।’ যদিও সম্প্রতি স্প্যানিশি পত্রিকা এল মুন্ডো বার্সার সেঙ্গ মেসির করা বিশাল অর্থনৈতিক চুক্তির বিষয়টি ফাঁস করে দিয়েছে, এমনকি অন্য কোথাও এত বিপুল পরিমাণে অর্থ মেসি নাও পেতে পারেন, এই পরিস্থিতিতে তিনি ন্যু ক্যাম্প ছাড়বেন কি না তা নিয়েও জ্বল্পনা-কল্পনা তৈরি হয়েছে।

তবে পিএসজির সামনে বড় সমস্যা হয়ে দেখা দিয়েছে তারা কিলিয়ান এমবাপেকে ধরে রাখবে নাকি ছেড়ে দেবে। মেসিকে যদি তারা নিতে পারে, তাহলে এমবাপেকে ছেড়ে দেয়াছাড়া উপায় নেই। আর যদি তাকে ধরেই রাখে, তাহলে মেসিকে কিভাবে কিনবে? করোনার কারণে যে অর্থনৈতিক সমস্যা তৈরি হয়েছে, সেটাকে সামলাতে একজন তারকাকে ছাড়তেই হবে পিএসজিকে।

পিএসজির সঙ্গে এমবাপের চুক্তি শেষ হবে ২০২২ সালে। ইউরোপিয়ান ফুটবলের ফাইন্যান্সিয়াল রেগুলেশন রয়েছে, সে হিসেবে পিএসজির পক্ষে একসঙ্গে নেইমার এবং এমবাপেকে ধরে রাখা সম্ভব নয়। সে ক্ষেত্রে এমবাপেকে কেনার জন্য ঝাঁপিয়ে পড়তে পারে রিয়াল মাদ্রিদ। এ ক্ষেত্রে তারা দু’একজন খেলোয়াড়কে ছেড়েও দিতে পারে। যেমন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। এমবাপেকে পেতে এই ব্রাজিলিয়ানকে উৎসর্গ করে দিতে পারে রিয়াল মাদ্রিদ।

এসবই ঘটতে পারে মেসির পিএসজিতে যাওয়াকে কেন্দ্র করে। যদি মেসি প্যারিসে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েই থাকেন, তখন।

রবিবার, ৩১ জানুয়ারি, ২০২১

মেসির অস্বাভাবিক পারিশ্রমিকের তথ্য ফাঁস, ফুটবল বিশ্বে তোলপাড়

মেসির অস্বাভাবিক পারিশ্রমিকের তথ্য ফাঁস, ফুটবল বিশ্বে তোলপাড়

 

একজন ফুটবলার ফুটবল খেলে সর্বোচ্চ কত উপার্জন করতে পারেন? ইউরোপিয়ান ফুটবল, চীনের ‘চাইনিজ ফুটবল লিগ’ কিংবা যুক্তরাষ্ট্রের এমএলএস লিগে কাঁড়ি কাঁড়ি টাকা উড়ছে ফুটবলারদের জন্য। কিন্তু তাই বলে সেটার ও তো একটা সীমা থাকা প্রয়োজন।

কিন্তু স্প্যানিশ ক্লাব বার্সেলোনা তাদের বিশ্বসেরা ফুটবলার লিওনেল মেসির পেছনে গত চার মৌসুমে যে টাকা ব্যয় করেছে, তা রীতিমত অবিশ্বাস্য। স্প্যানিশ পত্রিকা এল মুন্ডো এই বিশাল তথ্য ফাঁস করে দিয়েছে। তাদের হাতে সমস্ত তথ্য-প্রমাণ রয়েছে।

সে আলোকেই এল মুন্ডো রিপোর্ট করেছে, গত চার বছরে মেসির পেছনে বার্সা ব্যয় করেছে ৫৫ কোটি ৫২ লাখ ৩৭ হাজার ৬১৯ ইউরো (৫ হাজার ৭০৩ কোটি টাকা)। বাৎসরিক পারিশ্রমিক, বোনাস এবং সাইনিং মানি- সব মিলিয়ে এত বিশাল পরিমাণে অর্থ মেসির পেছনে ব্যয় করেছে বার্সেলোনা।

এলমুন্ডো রিপোর্ট করেছে, এত বিশাল পরিমাণে ব্যয় করার কারণেই সম্প্রতি অনেক বড় আর্থিক সমস্যার মধ্যে পড়ে গেছে স্প্যানশি লা লিগার এই জায়ান্ট ক্লাবটি। ইউরোপিয়ান মিডিয়াগুলোও বলছে, বার্সার এতবড় আর্থিক সমস্যায় পড়ার পেছনে মেসির সঙ্গে এতবড় চুক্তিই সবচেয়ে বড় দায়ী।

২০১৭ সালের পর থেকে চার মৌসুমের জন্য মেসির সঙ্গে এই আর্থিক লেনদেনের চুক্তি করা হয়েছে। যার এখনও পাঁচ মাস বাকি। চুক্তি অনুযায়ী চলতি বছর জুনের ৩০ তারিখ মেসির সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন হবে।

শুধু ফুটবলই নয়, ক্রীড়া দুনিয়ার ইতিহাসে নির্দিষ্ট একজন ফুটবলারের পেছনে এত বড় আর্থিক লেনদেনের এটা বিশাল এক রেকর্ড। চোখ কপালে তুলে দেয়ার মত। এল মুন্ডোর এই রিপোর্ট দেখে চোখ কপালে উঠে গেছে সারা দুনিয়ার মানুষের।

২০১৭ সালের নভেম্বরে তৎকালীন সভাপতি হোসে মারিয়া বার্তেম্যুর সঙ্গে এত বড় আর্থিক বিনিময়ে বার্সার সঙ্গে চুক্তি করেন মেসি। চলতি বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত যে চুক্তির মেয়াদ শেষ হবে, এরপর মেসির সঙ্গে বার্সার আর কোনো লেনদেনের সম্পর্ক থাকবে না। দেনা-পাওনা থাকবে না।

গত মৌসুমের শেষেই বার্সা ছাড়তে চেয়েছিলেন মেসি। কিন্তু সেবার নানা শর্তের বেড়াজালে আটকে গিয়ে আর পারেননি ন্যু ক্যাম্প ছাড়তে। যদিও এবার চুক্তি শেষ হওয়ার পর আর মেসির পক্ষে বার্সা ছাড়ার পেছনে কোনো শর্ত থাকবে না। তাকে আটকাতেও পারবে না বার্সা কর্তৃপক্ষ।

jagonews24

সম্প্রতি বার্সার অ্যাকাউন্টের হিসাব বাইরে ফাঁস হয়েছে, তাতে দেখা যাচ্ছে স্প্যানিশ জায়ান্ট ক্লাবটির ঋণ প্রায় এক বিলিয়ম ডলারের ওপর। ক্লাবের বাজেটের চার ভাগের তিনভাগই ব্যয় হয় খেলোয়াড়দের পারিশ্রমিক বাবদ।

শনিবার শেষ রাতের দিকেই এল মুন্ডো এই রিপোর্ট প্রকাশ করে। তারা লিখেছে, ৩০ পৃষ্ঠার চুক্তিপত্রে লেখা আছে প্রতি মৌসুমে ১৩ কোটি ৮০ লাখ ইউরো পারিশ্রমিক দেয়া হবে মেসিকে। এর মধ্যে অবশ্য সব শর্ত জুড়ে দেয়া আছে (বোনাস, সাইনিং মানি- সব)।

চার বছরের এই চুক্তিতে যোগ করা হয়েছে ১১ কোটি ৫২ লাখ ২৫ হাজার ইউরো রাখা হয়েছে চুক্তি নবায়নের বোনাস এবং লয়ালটি বোনাস রাখা হয়েছে, ৭ কোটি ৭৯ লাখ ২৯ হাজার ৯৫৫ ইউরো। সব মিলিয়ে চার মৌসুমে ৫৫ কোটি ৫২ লাখ ৩৭ হাজার ৬১৯ ইউরো (৫ হাজার ৭০৩ কোটি টাকা)।

চুক্তির এখনও ৫ বছর বাকি। এই ৫ মাস বাদে এরই মধ্যে মেসিকে বার্সার পক্ষ থেকে পারিশ্রমিক হিসেবে দেয়া হয়েছে ৫১ কোটি ১৫ লাখ ৪০ হাজার ৫৪৫ ইউরো। যদিও এত বড় চুক্তির বিষয়টি নিয়ে বার্সেলোনা এখনও পর্যন্ত কোনো মন্তব্য করেনি; কিন্তু তারা পুরোপুরি স্বীকারও করছে না।

এত বিশাল পরিমাণে চুক্তির পর বার্সেলোনাকে ২০১৮ এবং ২০১৯ স্প্যানিশ লা লিগা শিরোপা উপহার দিয়েছেন মেসি। যদিও এখনও পর্যন্ত উয়েফা চ্যাম্পিয়নশিপ জিততে পারেনি। গত তিন মৌসুমে এএস রোমা, লিভারপুল এবং বায়ার্ন মিউনিখের কাছে হেরে বিদায় নিয়েছে বার্সেলোনা।

শুক্রবার, ২৯ জানুয়ারি, ২০২১

রিয়ালে ‘নিউটেলা’ খেয়ে ১৪ কেজি ওজন বাড়ান ইতালিয়ান তারকা

রিয়ালে ‘নিউটেলা’ খেয়ে ১৪ কেজি ওজন বাড়ান ইতালিয়ান তারকা

 

নিজ দেশের ক্লাব রোমায় ধারাবাহিক পারফরম্যান্স করে ডাক পেয়েছিলেন বিশ্বের অন্যতম সেরা ক্লাব রিয়াল মাদ্রিদে। সেখানে শুরুটাও হয়েছিল দুর্দান্ত। কিন্তু এরপর কোচের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে রিয়াল মাদ্রিদ অধ্যায়টা ক্যারিয়ারের অন্যতম বাজে সময়ে পরিণত করেন ইতালির ফরোয়ার্ড অ্যান্তনিও কাসানো।

ইতালিয়ান ক্লাব রোমার হয়ে পাঁচ মৌসুমে ৫২ গোল করে ২০০৬ সালের জানুয়ারিতে রিয়ালে নাম লিখিয়েছিলেন কাসানো। সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে গিয়ে দুই ম্যাচে করেছিলেন দুই গোল। কিন্তু এরপর রিয়ালে থাকা প্রায় ১৪ মাস সময়টা স্রেফ নিজেকে হতাশায় ডুবিয়েছেন এ ৩৮ বছর বয়সী ফরোয়ার্ড।

রিয়ালের নগর প্রতিদ্বন্দ্বী অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের বিপক্ষে ম্যাচ জেতানো পারফরম্যান্স দিয়ে যাত্রা শুরু করেছিলেন কাসানো। এরপর কোচ ফাবিও ক্যাপেলোর সঙ্গে বাঁধে বিরোধ, সুযোগ কমে যায় খেলার। সেই হতাশায় ক্লাবে বসে সরাসরি জার থেকে নিউটেলা খেয়ে খেয়ে ১৪ কেজি ওজন বাড়িয়েছিলেন তিনি।

অথচ ক্লাবে যোগ দিয়ে শুরুতেই ১২ কেজি ওজন কমিয়ে ফেলেছিলেন কাসানো। বোবো টিভিতে ইতালির সাবেক সতীর্থ ক্রিশ্চিয়ান ভিয়েরির সঙ্গে এক আড্ডায় তিনি বলেছেন, ‘আমি যখন রিয়াল মাদ্রিদে গেলাম, শুরুতেই ১২ কেজি ওজন কমিয়ে ফেলেছিলাম। এরপর আবার ধীরে ধীরে ওজন বাড়তে শুরু করে।’

এর পেছনে অন্যতম কারণ ছিল রিয়ালের স্পন্সর কোম্পানি নিউটেলা। যারা প্রতি মাসে পাঁচ কেজি নিউটেলা দিয়ে যেত ক্লাবে। কাসানো বলেন, ‘যখন ক্যাপেলো এলো, আমি দুই ম্যাচে দুই গোল করি। তখন নিজেকে বিশ্বের রাজা মনে হচ্ছিল। কিন্তু অলিম্পিক লিয়নের বিপক্ষে প্রথমার্ধে আমাকে সাবস্টিটিউট করে ক্যাপেলো। ফলে তার সঙ্গে আমার তর্ক হয় এবং আমাকে দল থেকেই বাদ দিয়ে দেয়।’

তিনি আরও যোগ করেন, ‘ক্লাবের অন্যতম স্পন্সর ছিল নিউটেলা। তারা প্রতি মাসে ৫ কেজি করে নিউটেলা দিয়ে যেত। সাত মাসে আমি ১৪ কেজি ওজন বাড়িয়ে ফেলি। বসে বসে সরাসরি জার থেকে নিউটেলা খেতাম। কোনোকিছুর পরোয়া করতাম না তখন। আমি সত্যিই অসহ্য অবস্থায় ছিলাম।’

২০০৬ সালের জানুয়ারিতে রিয়ালে যোগ দেয়ার পর ২০০৭ সালের জুলাইয়ে লোনে সাম্পদোরিয়ায় চলে যান কাসানো। তার মতে রিয়ালের হয়ে খেলা এই দেড় বছরই ছিল ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় ভুল। এ সময়ে ১৯ ম্যাচে মাত্র ২টি গোলই করতে পেরেছেন তিনি।

কাসানো বলেছেন, ‘আমার সবচেয়ে বড় ভুল ছিল রিয়াল মাদ্রিদে থাকা দেড় বছর। কারণ ঐ সময়টায় আমি নিজেকে ধ্বংস করার সবকিছুই করেছি। এটা অনেক বড় হতাশা।’

রিয়াল মাদ্রিদ ছাড়ার পর লোনে সাম্পদোরিয়ার হয়ে ২২ ম্যাচে ১০ গোল করেন কাসানো। ফলে তাকে রেখে দেয় সাম্পদোরিয়া। সবমিলিয়ে সাম্পদোরিয়ার হয়ে ৭৪ ম্যাচে ২৫ গোল করেন তিনি। এরপর এসি মিলান, ইন্টার মিলান, পারমা ও ভেরোনার হয়ে খেলে আবার সাম্পদোরিয়ায় ফেরেন তিনি। ইতালির হয়ে ৩৯ ম্যাচে ১০ গোল করেছেন কাসানো।

বৃহস্পতিবার, ২৮ জানুয়ারি, ২০২১

কুমিল্লায় মোহামেডান-আবাহনী সমানে সমান

কুমিল্লায় মোহামেডান-আবাহনী সমানে সমান

 

কুমিল্লার শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্টেডিয়ামে মোহামেডান ও আবাহনীর মধ্যকার বাংলাদেশ প্রিমিয়ার ফুটবল লিগের মর্যাদার ম্যাচটি ড্র হয়েছে।

বৃহস্পতিবার দেশের দুই জনপ্রিয় ক্লাবের লড়াই শেষ হয়েছে ২-২ গোলে। প্রথমার্ধের বিরতি পর্যন্ত আবাহনী এগিয়েছিল ২-১ গোলে। দ্বিতীয়ার্ধে গোল শোধ করে একটি পয়েন্ট অর্জন করে নিয়েছে মোহামেডান।

ম্যাচের ১৪ মিনিটে ব্রাজিলের তোরেসের গোলে এগিয়ে যায় আবাহনী। তিন মিনিট পরই মোহামেডানকে ম্যাচে ফেরান মালির সোলেমান দিয়াবাতে। আবাহনী আবার এগিয়ে যায় ৩৩ মিনিটে। গোল করেন জুয়েল রানা।

দুই দুইবার এগিয়ে গিয়েও কুমিল্লা থেকে পূর্ণ পয়েন্ট নিয়ে মাঠ ছাড়তে পারেনি বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের ৬ বারের চ্যাম্পিয়ন আবাহনী। দুইবারই মোহামেডানকে ম্যাচে ফেরান তাদের মালির ফরোয়ার্ড সোলেমান দিয়াবাতে। তার দুটি গোলই ছিল দর্শনীয়- একটি ফ্লিকে, অন্যটি ব্যাক ভলিতে।

মোহামেডান আগে পয়েন্ট হারালেও, লিগে আবাহনী ছিল অপ্রতিরোধ্য। মোহামেডানই প্রথম পয়েন্ট হারাতে বাধ্য করল আবাহনীকে। ৪ ম্যাচ শেষে আবাহনীর পয়েন্ট ১০, মোহামেডানের ৫।

আবাহনী পয়েন্ট হারানোয় লাভ হলো বসুন্ধরা কিংসের। ৪ ম্যাচ শেষে গতবারের চ্যাম্পিয়নরা এককভাবে শীর্ষে। তাদের চেয়ে ২ পয়েন্টে পিছিয়ে পড়ল আবাহনী।

মঙ্গলবার, ২৬ জানুয়ারি, ২০২১

পাঁচ গোলের জয়ে সবার ওপরে ম্যান সিটি

পাঁচ গোলের জয়ে সবার ওপরে ম্যান সিটি

 

ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের (ইপিএল) শিরোপা পুনরুদ্ধারের মিশনে চলতি মৌসুমের শুরুটা খুব একটা ভাল ছিল না অন্যতম শক্তিশালী ক্লাব ম্যানচেস্টার সিটির। তবে ক্রমেই ঘুরে দাঁড়িয়েছে ক্লাবটি, লিগের মাঝপথ পেরিয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষস্থানে বসেছে তারা।

মঙ্গলবার রাতে তুলনামূলক দুর্বল ওয়েস্ট ব্রমের বিপক্ষে গোল উৎসব করে ২০১৯ সালের নভেম্বরের পর প্রথমবারের মতো ইপিএলের পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে উঠেছে ম্যান সিটি। ইল্কায় গুন্ডোগানের জোড়া গোলের ম্যানচেস্টার সিটি ম্যাচটি জিতেছে ৫-০ গোলের বড় ব্যবধানে।

নিজেদের ঘরের মাঠে খেলতে নেমে রীতিমতো দর্শকের ভূমিকাই যেন পালন করেছে ওয়েস্ট ব্রম। পুরো ম্যাচে মাত্র পাঁচ ভাগের এক ভাগ সময় বলের নিয়ন্ত্রণ ছিল তাদের কাছে, গোলের উদ্দেশ্যে শট নিতে পেরেছে মাত্র ৪টি। অন্যদিকে অন্তত ১৮টি শটের মধ্যে ৭টি লক্ষ্য বরাবর রেখেছে ম্যান সিটি।

ম্যাচের প্রথমার্ধেই চার গোল দিয়ে ফল ঠিক করে ফেলে সিটিজেনরা। মাত্র ৬ মিনিটের মাথায় প্রথম গোলটি করেন গুন্ডোগান। ডি-বক্সের মুখে জোয়াও কানসেলোর ক্রস থেকে পাওয়া বল নিয়ন্ত্রণে নিয়ে জোরালো শটে জালে পাঠান এ জার্মান মিডফিল্ডার।

দ্বিতীয় গোল করেন প্রথমটির জোগানদাতা কানসেলো। ২০ মিনিটের সময় বার্নার্দো সিলভার এগিয়ে দেয়া বল ধরে প্রায় একই শটে জাল কাঁপান কানসেলো। প্রথমে অফসাইড দেয়া হলেও ভিডিও এসিস্ট্যান্ট রেফারির সাহায্য নিয়ে সেটিতে গোল বহাল রাখেন মাঠের রেফারি।

মিনিট দশের পর নিজের দ্বিতীয় ও ম্যাচের তৃতীয় গোল করেন গুন্ডোগান। ঠিকঠাক বল ক্লিয়ার করতে পারেনি ওয়েস্ট ব্রম। সেখান থেকে সুযোগ পেয়ে ঠাণ্ডা মাথার ফিনিশিংয়ে ব্যবধান বাড়ান গুন্ডোগান।

বিরতির আগে রহিম স্টারলিংয়ের এসিস্টে হালিপূরণ করেন রিয়াদ মাহরেজ। দ্বিতীয়ার্ধে ফিরে ৫৭ মিনিটের মাথায় রিয়াদ মাহরেজের এসিস্টে ম্যাচের শেষ গোলটি করেন রহিম স্টারলিং। শেষের ত্রিশ মিনিটে আর গোলের দেখা পায়নি পেপ গার্দিওলার শিষ্যরা।

দিনের অন্য ম্যাচে সাউদাম্পটনকে ৩-১ গোলে হারিয়েছে আর্সেনাল, নিউক্যাসল ইউনাইটেডের বিপক্ষে ২-১ গোলে জিতেছে লিডস ইউনাইটেড এবং ক্রিস্টাল প্যালেসের বিপক্ষে ওয়েস্ট হ্যাম জিতেছে ৩-২ গোলে।

লিগের ১৯ ম্যাচ শেষে ১২ জয় ও ৫ ড্রয়ে ৪১ পয়েন্ট নিয়ে এককভাবে শীর্ষে অবস্থান করছে ম্যান সিটি। তাদের নগর প্রতিদ্বন্দ্বী ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের অবস্থান দ্বিতীয়, সমান ম্যাচে পয়েন্ট ৪০। আর্সেনাল ২০ ম্যাচে ৩০ পয়েন্ট নিয়ে অবস্থান করছে ৮ নম্বরে।

চেলসি কোচ ল্যাম্পার্ড বরখাস্ত

চেলসি কোচ ল্যাম্পার্ড বরখাস্ত

 

চেলসির কিংবদন্তি খেলোয়াড়দের একজন ফ্রাঙ্ক ল্যাম্পার্ড। কিন্তু দলটির কোচ হিসেবে দুই মৌসুমও টিকতে পারলেন না।

১৮ মাস দায়িত্ব পালন শেষে বরখাস্ত হলেন চেলসি ম্যানেজার। তার স্থলাভিসিক্ত হতে যাচ্ছেন সাবেক পিএসজি ম্যানেজার টমাস টুখেল।

রোববার এফএ কাপে লুটন টাউনের বিপক্ষে দলকে ৩-১ গোলের জয় এনে দিয়েছেন ল্যাম্পার্ড। কিন্তু প্রিমিয়ার লিগে টানা ব্যর্থতার পর এই জয় চাকরি বাঁচাতে পারল না তার। লিগে সর্বশেষ আট ম্যাচের পাঁচটিই হেরেছে চেলসি।

৪২ বছর বয়সী ল্যাম্পার্ডের কোচিংয়ে গত মৌসুমে সেরা চারে থেকেই শেষ করেছিল চেলসি। ট্রান্সফার নিষেধাজ্ঞার মধ্যে এমন ফল নিয়ে বেশ সুনাম কামিয়েছিলেন ল্যাম্পার্ড। এবার মুদ্রার উল্টো পিঠটাও দেখলেন।

চলতি মৌসুমে চেলসি মোটা অংকের টাকা খরচ করে। ২২০ মিলিয়ন ইউরো ব্যয় করে নতুন খেলোয়াড় আনতে। লক্ষ্য ছিল লিভারপুল আর ম্যানচেস্টার সিটির সঙ্গে দূরত্ব কমানো।

দলের সে চাহিদা পূরণ করতে পারেননি ল্যাম্পার্ড। তাতেই চাকরিটা খোয়াতে হলো ক্লাবের ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতাকে।

শনিবার, ২৩ জানুয়ারি, ২০২১

রোনালদোর পর মেসিরও ‘না’

রোনালদোর পর মেসিরও ‘না’

 

চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর পথেই হাঁটলেন লিওনেল মেসিও। সৌদি আরবের লোভনীয় এক প্রস্তাবকে ‘না’ বলে দিয়েছেন আর্জেন্টাইন খুদেরাজ। এর আগে রোনালদোও এই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন।

নিজেদের পর্যটন শিল্পকে বিশ্ব দরবারে আরও পরিচিত করতে নতুন প্রচারণা ক্যাম্পেইন ‘ভিজিট সৌদি’ চালু করতে যাচ্ছে সৌদি আরব। তারই অংশ হিসেবে মেসি- রোনালদোকে লোভনীয় প্রস্তাব দেয় তারা।

যুক্তরাজ্যভিত্তিক গণমাধ্যম ‘টেলিগ্রাফ’-এর রিপোর্ট, রোনালদোকে এই প্রচারণার বিনিময়ে বছরে ছয় মিলিয়ন ইউরো অফার করা হয়েছিল। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ৬২ কোটি টাকা!

কিন্তু এত বড় অংকের প্রস্তাবও নাকচ করে দিয়েছেন সিআরসেভেন। সৌদি আরবের অনুরোধে মন গলেনি জুভেন্টাস তারকার। মন গলেনি মেসিরও। তবে তাকে কেমন অংক প্রস্তাব করা হয়েছিল, সেটি জানা যায়নি।

আগামী মাস থেকে প্রচারণা ক্যাম্পেইন শুরু করবে সৌদি আরবের পর্যটন বোর্ড। বিশ্বজুড়ে এই ক্যাম্পেইনকে নজরে আনার লক্ষ্যেই ক্রীড়া জগতের বড় বড় তারকাদের এতে যুক্ত করতে চাইছে আরব দেশটি।

রাজনৈতিক নানা কারণে ইমেজ সংকটে পড়া সৌদি সরকার খেলাধুলার মাধ্যমে সেই সংকট কাটিয়ে ওঠার কৌশল নিয়েছে। ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করার অংশ হিসেবেই ২০১৯ সালে বার্সেলোনা, রিয়াল মাদ্রিদ, অ্যাটলেতিকো মাদ্রিদ ও ভ্যালেন্সিয়াকে নিয়ে স্প্যানিশ সুপার কাপ নিজেদের দেশে আয়োজন করেছিল সৌদি আরব।

হালান্ডের জোড়া গোলের পরেও বরুশিয়ার বড় পরাজয়

হালান্ডের জোড়া গোলের পরেও বরুশিয়ার বড় পরাজয়

 

নিজের সামর্থ্যের পুরোটা দিয়েই চেষ্টা করেছিলেন তরুণ প্রতিভাধর ফুটবলার আর্লিং ব্রট হালান্ড। জোড়া গোল করে দলকে এনে দিয়েছিলেন লিড। কিন্তু তা কাজে লাগাতে পারেনি বরুশিয়া ডর্টমুন্ড। তারা ম্যাচ হেরে গেছে বড় ব্যবধানে।

শুক্রবার রাতে বুন্দেসলিগার ম্যাচে মনশেনগ্ল্যাডব্যাখের কাছে ৪-২ গোলে হেরে গেছে বরুশিয়া ডর্টমুন্ড। বরুশিয়ার হয়ে একাই হালান্ড করেছেন জোড়া গোল। মনশেনের হয়ে দুইবার জালের ঠিকানা খুঁজে পেয়েছেন নিকো এলভেদি।

নিজেদের ঘরের মাঠে খেলতে নেমে মাত্র ১১ মিনিটেই প্রথম গোল পেয়ে যায় মনশেনগ্ল্যাডব্যাখ। অতিথিদের জালে প্রথম গোলটি করেন এলভেদি। এর ১১ মিনিট পর সমতা ফেরান বরুশিয়ার ২০ বছর বয়সী নরওয়েজিয়ান ফুটবলার হালান্ড।

পরে ২৮ মিনিটের মাথায় দলকে লিডও এনে দেন হালান্ড। কিন্তু তা যথেষ্ঠ হয়নি। মিনিট চারেক পর নিজের দ্বিতীয় গোলে ম্যাচে সমতা ফেরান এলভেদি। প্রথমার্ধ শেষ হয় ২-২ গোলের সমতায়।

দ্বিতীয়ার্ধে ফিরে মাত্র ৪ মিনিটের মধ্যে আবারও লিড মনশেনগ্ল্যাডব্যাখ। এবার গোল করেন রামি বেনসেবাইনি। আর সবশেষ ৭৮ মিনিটের মাথায় বরুশিয়ার কফিনে শেষ পেরেকটি ঠুকে দেন মার্কাস থুরাম।

এ পরাজয়ের ফলে আরও ধূসর হলো বরুশিয়ার শিরোপা স্বপ্ন। এ পর্যন্ত খেলা ১৮ ম্যাচে ২৯ পয়েন্ট নিয়ে তাদের অবস্থান পঞ্চম। মনশেনগ্ল্যাডব্যাখ সমান ম্যাচে ৩১ পয়েন্ট নিয়ে রয়েছে চারে। শীর্ষে থাকা বায়ার্ন মিউনিখের নামের পাশে রয়েছে ১৭ ম্যাচে ৩৯ পয়েন্ট।

বুধবার, ২০ জানুয়ারি, ২০২১

২ ম্যাচ নিষিদ্ধ হলেন মেসি

২ ম্যাচ নিষিদ্ধ হলেন মেসি

 

লম্বা শাস্তি থেকে রেহাই পেলেন বার্সেলোনা তারকা এবং অধিনায়ক লিওনেল মেসি। চার ম্যাচ নিষিদ্ধ হওয়ার শঙ্কা ছিল। শেষ পর্যন্ত তাকে দুই ম্যাচের জন্য নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে স্প্যানিশ ফুটবল ফেডারেশন।

স্প্যানিশ সুপার কাপের ফাইনালে অ্যাথলেটিক বিলবাওয়ের কাছে ৩-২ গোলে হেরে শিরোপা খোয়াতে হয়েছিল বার্সাকে। ওই ম্যাচেরই একেবারে শেষ মুহূর্তে মেজাজ হারিয়ে ফেলেন মেসি এবং বিলবাওয়ের খেলোয়াড় আসিয়ের ভিয়ালিবরের মাথায় আঘাত করে বসেন।

সেই ঘটনায় রেফারি ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারির (ভিএআর) সাহায্য নিয়ে মেসিকে সরাসরি লাল কাড দেখান। বার্সেলোনা ক্লাবের ইতিহাসে ৭৫৩টি ম্যাচ খেলার পর এই প্রথম লাল কার্ড দেখে মাঠ ছেড়ে যান মেসি।

ওই সময়ই গুঞ্জন শুরু হয়, যে অপরাধ করেছেন মেসি, তাতে ৪ থেকে ১২ ম্যাচ নিষিদ্ধ হতে পারেন তিনি। কিন্তু স্প্যানিশ ফুটবল ফেডারেশন (আরএফইএফ) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, মেসিকে ২ ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

এর অর্থ, মেসি বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিতব্য কোপা ডেল রে’র শেষ ৩২-এর ম্যাচে কর্নেলার বিপক্ষে খেলতে পারছেন না। এছাড়া স্প্যানিশ লা লিগায় এলচের বিপক্ষেও মাঠে নামতে পারছেন না। ২৯ জানুয়ারি সেই বিলবাওয়ের বিপক্ষেই লা লিগার ম্যাচে আবার মাঠে নামবেন তিনি।

বার্সেলোনা অবশ্য এমনি এমনি ছেড়ে দিচ্ছে না বিষয়টা। তারা বলেছে, এই শাস্তির বিপক্ষে আবেদন করা হবে।

সোমবার, ১৮ জানুয়ারি, ২০২১

মারুফকে হারিয়ে মানিকের হাসি

মারুফকে হারিয়ে মানিকের হাসি

মাঠে শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাব ও চট্টগ্রাম আবাহনী। দুই দলের ডাগআউটে দেশের দুই সিনিয়র কোচ শফিকুল ইসলাম মানিক ও মারুফুল হক। কৌশলের যুদ্ধে কে কাকে হারান সেটাই ছিল দেখার। শেষ পর্যন্ত মানিকের কাছে হেরে গেলেন মারুফুল।
বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের এই দুই দলের লড়াইয়ে ফেবারিট ছিল শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাবই। লিগের তিনবারের চ্যাম্পিয়ন জামাল ২-১ গোলে চট্টগ্রাম আবাহনীকে হারিয়ে লিগযাত্রা শুরু করেছে
এই দুই দলের ম্যাচ দিয়ে শেষ হলো বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের প্রথম রাউন্ড। প্রথম রাউন্ডে ফেবারিট দলগুলোর বেশিরভাগই জয় পেয়েছে। বসুন্ধরা কিংস, আবাহনী, শেখ রাসেল, মোহামেডানের পর জিতলো শেখ জামাল। সাইফ স্পোর্টিং ক্লাব পয়েন্ট হারিয়েছে রহমতগঞ্জের সঙ্গে ড্র করে।
সোমবার তিন গোলের দুটি হয়েছে দ্বিতীয়ার্ধে। জামাল ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যাওয়ার পর একটি গোল দিয়ে চট্টগ্রাম আবাহনী কেবল হারের ব্যবধান কমিয়েছে।
৪০ মিনিটে উজবেক মিডফিল্ডার ওতাবেকের গোলে এগিয়ে যায় শেখ জামাল। নুরুল আবসার ব্যবধান দ্বিগুণ করেন দ্বিতীয়ার্ধের খেলা শুরুর ৫ মিনিট পর। ৮৪ মিনিটে পেনাল্টি পায় চট্টগ্রাম আবাহনী। ব্রাজিলের নিক্সনের গোলে ব্যবধান কমিয়েছে মারুফুল হকের দল।
মঙ্গলবার দুটি ম্যাচ বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে। বিকেল সাড়ে ৩টায় বসুন্ধরা কিংস খেলবে বাংলাদেশ পুলিশ ফুটবল ক্লাবের বিপক্ষে এবং সন্ধ্যা ৬ টায় আবাহনীর প্রতিপক্ষ ব্রাদার্স ইউনিয়ন।


মঙ্গলবার, ১২ জানুয়ারি, ২০২১

৫৪ বছরের ‘বুড়ো’ ফুটবলারের সঙ্গে নতুন করে চুক্তি ক্লাবের!

৫৪ বছরের ‘বুড়ো’ ফুটবলারের সঙ্গে নতুন করে চুক্তি ক্লাবের!

 

আগামী মাসেই ৫৪-তে পা দেবেন। এমন সময়ে এসে ক্লাব ইয়কোহামা এফসির সঙ্গে নতুন করে চুক্তিবদ্ধ হলেন বর্ষীয়ান স্ট্রাইকার কুজোওশি মিউরা। এতে জাপানের সবচেয়ে বেশি বয়সী ফুটবলার হিসেবে রেকর্ডের পাতাটা আরও বড় করলেন তিনি।

উদ্যমী অনফিল্ড স্ট্রাইলের কারণে ফুটবল মাঠে তার বেশি পরিচিতি ‘কিং কাজু’ নামিই। চলতি বছর ক্যারিয়ারের ৩৬তম মৌসুমে পা রাখবেন মিউরা। হ্যাঁ, ঠিকই শুনছেন! খেলোয়াড়দের বয়স ৩৬ হতেই যেখানে ক্যারিয়ারের বিদায় ঘণ্টা বেজে যায়, মিউরা সেখানে খেলছেনই ৩৬ মৌসুম ধরে।

শুধু খেলছেনই না, এখনও তরুণদের মতো উদ্যম নিয়ে অনুশীলন করে যাচ্ছেন। মাউরো বলেন বলেন, ‘গত মৌসুমে যখন করোনা ভাইরাসের কারণে বিশ্ব কঠিন সময় পার করছিল, আমি কিন্তু ফুটবল খেলাটা বেশ উপভোগ করেছি। ব্যক্তিগতভাবে মৌসুমটা সন্তোষজনক না হলেও, আমার লক্ষ্য এবং আগ্রহ ফুটবলের প্রতি বাড়ছেই। আমি প্রতিদিন কঠোর পরিশ্রম করেই যাব, এই মৌসুমে যত বেশি সম্ভব ম্যাচ খেলে দলের জয়ে অবদান রাখতে চাই।’

গত বছর ক্লাবের হয়ে চারটি ম্যাচ খেলার সুযোগ হয় মিউরার। ৫৩ বছর ৯ মাস বয়সে খেলতে নেমে ইতিহাসে সবচেয়ে বয়সী প্রথম শ্রেণির জে-লিগ খেলোয়াড় হিসেবে রেকর্ডও গড়েন।

২০০৫ সাল থেকেই ইয়কোহামার হয়ে খেলছেন মিউরা। এর মধ্যে বয়স্ক ফুটবলার হিসেবে বেশ কয়েকটি রেকর্ড ছুঁয়েছেন। যার মধ্যে রয়েছে ২০১৭ সালে পেশাদার ম্যাচে সবচেয়ে বেশি বয়সী ফুটবলার হিসেবে গোল করার রেকর্ডও।

১৯৮২ সালে জাপান ছেড়ে ব্রাজিলে পাড়ি জমিয়েছিলেন মিউরা। ১৯৮৬ সালে সান্তোস এফসির হয়ে পেশাদার ফুটবলে অভিষেকও হয়ে যায় তার। ১৯৯০ সালে ডাক পান জাপানের জাতীয় দলে, জায়গা হয়েছিল ১৯৯৮ বিশ্বকাপের দলেও।

তবে জাতীয় দলে ৮৯ ম্যাচে ৫৫ গোল নিয়েও ফ্রান্সে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপের মূল দলে জাপানের জার্সি গায়ে জড়াতে পারেননি মিউরা। কিন্তু খেলার প্রতি আগ্রহটা তার বিন্দুমাত্র কমেনি।

৫৪-তে দাঁড়িয়ে বললেন, ৬০ বছরের আগে অবসরে যেতে চান না কিছুতেই। মিউরার এখনও যে স্পৃহা, যে কোনো ফুটবলারের জন্যই অনুপ্রেরণাদায়ী এক চরিত্র হয়ে থাকবেন এই স্ট্রাইকার।

রবিবার, ১০ জানুয়ারি, ২০২১

ফেয়ার প্লে ট্রফি চট্টগ্রাম আবাহনীর

ফেয়ার প্লে ট্রফি চট্টগ্রাম আবাহনীর

 

ফেডারেশন কাপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে ট্রফি ও ৫ লাখ টাকা পুরস্কার পেয়েছে বসুন্ধরা কিংস। রানার্সআপ সাইফ স্পোর্টিং ক্লাব ট্রফির পাশাপাশি পেয়েছে ৩ লাখ টাকা। ফাইনাল শেষে পুরস্কার মঞ্চে ছিল সেমিফাইনাল থেকে বিদায় নেয়া চট্টগ্রাম আবাহনীও। তারাও যে পেয়েছে একটি পুরস্কার।

চট্টগ্রাম আবাহনী পেয়েছে টুর্নামেন্টের ফেয়ার প্লে ট্রফি। বাফুফের পেশাদার লিগ কমিটির ডেপুটি চেয়ারম্যান আবদুর রহিমের কাছ থেকে ফেয়ার প্লে ট্রফি গ্রহণ করেছেন চট্টগ্রাম আবাহনীর ম্যানেজার সাবেক ফুটবলার আরমান আজিজ।

সেমিফাইনালে চট্টগ্রাম আবাহনী হেরে যায় সাাইফ স্পোর্টিং ক্লাবের কাছে। ১২০ মিনিটের কোয়ার্টার ফাইনালে শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্রকে ২-০ গোলে হারিয়ে সেমিফাইনালে ওঠার পর দ্বিতীয়বার ফাইনালে ওঠার সম্ভাবনা তৈরি করেছিল চট্টলার ক্লাবটি।

কিন্তু সেমিফাইনালের চৌকাঠ আর পেরোতে পারেনি। দেশের অভিজ্ঞ কোচ মারুফুল হকের প্রশিক্ষণে দলটি গ্রপপর্বে ১-০ গোলে রহমতগঞ্জকে হারালেও একই ব্যবধানে হেরেছিল বসুন্ধরা কিংসের কাছে।

শনিবার, ৯ জানুয়ারি, ২০২১

আবাহনী-সাইফের বিরুদ্ধে শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগ

আবাহনী-সাইফের বিরুদ্ধে শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগ

 

ফেডারেশন কাপ ফুটবলে ফাইনাল খেলবে সাইফ স্পোর্টিং ক্লাব। সেমিফাইনাল থেকে বাদ পড়েছে আবাহনী। এই দুই দলই টুর্নামেন্টে শৃঙ্খলা ভেঙেছে। তাদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে বাফুফের ডিসিপ্লিনারি কমিটি। বাফুফের সাধারণ সম্পাদক মো. আবু নাইম সোহাগ বলেছেন, ‘এখন পর্যন্ত শৃঙ্খলাভঙ্গের যে ঘটনাগুলো ঘটেছে, সবগুলোই আমরা ডিসিপ্লিনারি কমিটিতে পাঠাব সিদ্ধান্ত নেয়ার জন্য।’

সাইফ স্পোর্টিং ক্লাব রোববার ফাইনাল খেলবে বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে। ফাইনালপূর্ব সংবাদ সম্মেলনে বসুন্ধরা কিংসের কোচ ও অধিনায়ক আসলেও নিয়মের তোয়াক্কা করেনি সাইফ। ক্লাবটির সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান ও দলের ম্যানেজার ওবায়দুর রহমান আসলেও ছিলেন কোচ কিংবা অধিনায়ক। এমন কি কোনো খেলোয়াড় ফাইনালপূর্ব সংবাদ সম্মেলনে আসেনি সাইফের।

এ নিয়ে সংবাদ সম্মেলন শুরু হয়েছে নির্ধারিত সময়ের অনেক পর। অপেক্ষা করে করে বিরক্ত হয়ে বসুন্ধরা কিংসের স্প্যানিশ কোচ অস্কার ব্রুজোন চলেই যেতে চেয়েছিলেন। সংবাদ সম্মেলন শুরুর আগে এ নিয়েই অনেক প্রশ্নের জবাব দিতে হয়েছে বাফুফে কর্মকর্তাদের।

বাফুফে সাধারণ সম্পাদক মো. আবু নাইম সোহাগ বলেছেন, ‘ফেডারেশন কাপের নিয়ম অনুযায়ী দলগুলোর কোচ বা কর্মকর্তাদের ডাকা হলে তারা আসতে বাধ্য। তাই না এসে নিয়ম ভঙ্গ করেছে সাইফ। বিষয়টি ডিসিপ্লিনারি কমিটিতে পাঠানো হবে। ওই কমিটিই সিদ্ধান্ত নেবে।’

বসুন্ধরা কিংস ও আবাহনীর মধ্যকার সেমিফাইনালের অতিরিক্ত সময়ে দ্বিতীয়ার্ধে একটি সিদ্ধান্ত নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। পিছিয়ে থাকা আবাহনীর নাবিব নেওয়াজ জীবন শেষ মুহূর্তে বল জালে পাঠালেও সহকারী রেফারি অফসাইডের পতাকা তুললে উত্তেজনা তৈরি হয়। আবাহনীর খেলোয়াড়রা ঘিরে ধরেন রেফারি ও সহকারী রেফারিকে। কোচ-কর্মকর্তারাও মাঠে প্রবেশ করেন।

এমনকি ম্যাচের পর দুই দলের কোচের আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত থাকার বাধ্যবাধকতা থাকলেও আবাহনীর কোচ মারিও লেমোস অনুপস্থিত ছিলেন। ম্যাচ চলাকালীন ও ম্যাচের পর আবাহনীর দুটি কাণ্ডই শৃঙ্খলাভঙ্গের মধ্যে পড়ে। যে কারণে, বাফুফে এই দুই ক্লাবের শৃঙ্খলাভঙ্গের বিষয়টি ডিসিপ্লিনারি কমিটিতে পাঠাচ্ছে।

বুধবার, ৬ জানুয়ারি, ২০২১

তিন গোল খেয়ে যা বললেন চট্টগ্রাম আবাহনীর কোচ

তিন গোল খেয়ে যা বললেন চট্টগ্রাম আবাহনীর কোচ

 

দ্বিতীয়বার ফেডারেশন কাপ ফুটবলের ফাইনালে ওঠার সুযোগ ছিল চট্টগ্রাম আবাহনীর। কিন্তু সেমিফাইনালে তারা প্রতিদ্বন্দ্বিতাই করতে পারেনি সাইফ স্পোর্টিং ক্লাবের বিরুদ্ধে। হেরে গেছে ৩-০ গোলে। কিন্তু কেন? সেমিফাইনালে কেন ৩ গোল হজম করলো চট্টলার দলটি? ম্যাচের পর তার ব্যাখ্যা দিয়েছেন দেশের অন্যতম অভিজ্ঞ কোচ মারুফুল হক।

ম্যাচের পর তিনি বলেন, ‘শুরুতেই আমি সাইফ স্পোর্টিং ক্লাবকে অভিনন্দন জানাতে চাই। দলটি প্রথমবারের মতো ফেডারেশন কাপের ফাইনালে উঠেছে। আসলে আমার দলের সমস্যা হলো, বিদেশিরা শেষ মুহূর্তে যোগ দিয়েছেন। চিনেদু ম্যাথু করোনাভাইরাস থেকে সুস্থ হয়েই ম্যাচ খেলেছেন। যে কারণে বিদেশিদের পুরো সার্ভিসটা পাইনি।’

‘তারপরও আমরা যেভাবে শুরু করেছিলাম, তা সব ঠিকই ছিল। তবে আগেভাগে একটা গোল খাওয়ায় সমস্যা হয়ে যায়। তাছাড়া প্রতিপক্ষের ট্যাকটিস ছিল প্রতি আক্রমণের। সে কৌশলে তারা সফল হয়েছে। আমাদের সুযোগ এসেছিল, তবে তা কাজে লাগাতে পারিনি’-যোগ করেন চট্টগ্রাম আবাহনীর কোচ মারুফুল হক।

সেমিফাইনালের পূর্বে মারুফুল হক বলেছিলেন, ম্যাচ জিততে একটি গোলই যথেষ্ট। কিন্তু তিনটি সুযোগ পেয়ে একটি গোল করতে পারেনি তার দল। উল্টো তিনটি খেয়েছে।

এই ৩ গোল হজম প্রসঙ্গে চট্টগ্রাম আবাহনীর কোচ বলেছেন, ‘আমাদের নিশ্চিত তিনটি সুযোগ এসেছিল। তিনটাই গোল হওয়া উচিত ছিল। একটা গোল হলেই ম্যাচের চিত্র অন্য রকম হতে পারতো। ওরা তিনটা সুযোগ পেয়েছে, তিনটাই কাজে লাগিয়েছে। ১-০ হয়ে যাওয়ার পর প্রতি আক্রমণে ৩-০ হতেই পারে। তারপর আমরা ১০ জন নিয়ে খেলেছি। আমরা তো বলেছিলাম ১-০ করার সুযোগ পেলে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ব। সুযোগ তো পেয়েছিলাম, কিন্তু করতে পারিনি।’

সাইফের ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যাওয়া গোলের জন্য বড় দায় চট্টগ্রাম আবাহনীর দিদিয়ের। পরে তিনি লালকার্ড (দ্বিতীয় হলুদকার্ড) পেয়ে আরও বিপদ ডেকে আনেন দলের। তবে কোচ মারুফুল হক তার ওপর দোষ চাপাতে নারাজ।

ফুটবলে এমন হতেই পারে উল্লেখ করে দেশের অভিজ্ঞ এ কোচ বলেন, ‘সে খুবই অভিজ্ঞ ও পেশাদার ফুটবলার। বড় বড় লিগ খেলেছে সে। তাছাড়া একজন ফুটবলার প্রতিদিন ভালো পারফরম্যান্স করবে কিংবা পরিকল্পনা অনুযায়ী খেলবে, সেটা নাও হতে পারে। সে হয়তো একটা চাপ নিয়েছিল। কারণ, একজন বিদেশি নেই, আরেকজন হাফফিট। এই চাপ নেয়াতেই এমন হয়েছে হয়তো।’

মঙ্গলবার, ৫ জানুয়ারি, ২০২১

চট্টগ্রাম আবাহনীর দ্বিতীয় নাকি সাইফ স্পোর্টিংয়ের প্রথম?

চট্টগ্রাম আবাহনীর দ্বিতীয় নাকি সাইফ স্পোর্টিংয়ের প্রথম?

 

কোয়ার্টারের হার্ডলস টপকিয়ে নিজেদের সর্বোচ্চ মঞ্চ সেমিফাইনালে পা রেখেছে সাইফ স্পোর্টিং ক্লাব। ফাইনালে উঠতে পারলে তাদের সামনে আরেকটি ইতিহাস গড়ার হাতছানি। চ্যাম্পিয়ন হলে তো কথাই নেই!

চট্টগ্রাম আবাহনীর জন্য অবশ্য সেমিফাইনাল ও ফাইনাল নতুন নয়। সর্বশেষ ফেডারেশন কাপের একটিতে ফাইনাল ও দুটিতে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে চট্টগ্রামের দলটি। এবার সেমিফাইনাল বাধা পার হয়ে ফাইনালে উঠলে দ্বিতীয়বার শিরোপা যুদ্ধে নামবে চট্টলার আকাশি-নীলরা।

তো চট্টগ্রাম আবাহনী দ্বিতীয়বার ফাইনালে উঠবে, নাকি সাইফ স্পোর্টিং ক্লাবকে প্রথমবারের মতো দেখা যাবে ফাইনালমঞ্চে? এ প্রশ্নের উত্তর দিতেই দুই দল মঙ্গলবার মুখোমুখি হচ্ছে ফেডারেশন কাপ ফুটবলের প্রথম সেমিফাইনালে। বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে সেমিফাইনাল শুরু হবে বিকেল ৪টায়।

কাগজ-কলমের শক্তির বিচারে চট্টগ্রাম আবাহনীর চেয়ে এগিয়ে সাইফ স্পোর্টিং ক্লাব। প্রিমিয়ার লিগে ওঠার পর দলটি এর আগে তিনবার ফেডারেশন কাপে খেলে একবার গ্রুপ থেকে বাদ পড়ে দুইবার কোয়ার্টার ফাইনালে খেলেছে। এই প্রথম তাদের সামনে আছে ফাইনালে খেলার সুযোগ।

খেলোয়াড় তালিকায় দুই দলের ওজন যেমনই হোক, তাদের ডাগআউটে থাকবে দুইজন অভিজ্ঞ কোচ। চট্টগ্রাম আবাহনীর ডাগআউটে দেশের অভিজ্ঞ কোচ মারফুল হক এবং সাইফে আছেন বেলজিয়ামের পল পুট। ৫টি দেশের জাতীয় দলের দায়িত্ব পালন করার অভিজ্ঞতা আছে ৬৪ বছর বয়সী এই কোচের।

কোনো চাপ অনুভব করছেন কি সাইফের নতুন কোচ? একদমই উড়িয়ে দিলেন পল পুট। বললেন, ‘আফ্রিকায় ৭০ হাজার দর্শকের সামনে দল পরিচালনার অভিজ্ঞতা আছে। তাই আমি কোয়ার্টার ফাইনালের এই ম্যাচকে চাপ মনে করি না।’

মাঠে নামার আগে সাইফ স্পোর্টিং ক্লাবকে ফেবারিট মানছেন চট্টগ্রাম আবাহনীর কোচ মারুফুল হক। দেশের এ অভিজ্ঞ কোচ বলেছেন, ‘ম্যাচ জিততে একটির বেশি গোলের প্রয়োজন নেই। আমরা একটি গোলের লক্ষ্য নিয়েই নামব। বেশি হলে তো ভালো। সাইফ স্পোর্টিং ভালো দল। তাদের আমরা এগিয়েই রাখব।’

রবিবার, ৩ জানুয়ারি, ২০২১

নেইমারদের নতুন কোচ আর্জেন্টিনার পচেত্তিনো

নেইমারদের নতুন কোচ আর্জেন্টিনার পচেত্তিনো

 

অবশেষে গুঞ্জনই সত্য হলো। ফরাসি ক্লাব প্যারিস সেইন্ট জার্মেইয়ের নতুন কোচ হিসেবে দায়িত্ব পেলেন আর্জেন্টাইন মাউরিসিও পচেত্তিনো। চলতি মৌসুম থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত নেইমার জুনিয়র, কাইলিয়ান এমবাপেদের কোচের দায়িত্ব পালন করবেন ৪৮ বছর বয়সী পচেত্তিনো।

ফ্রেঞ্চ লিগ ওয়ানে ব্যর্থতার দায় দিয়ে গত ২৪ ডিসেম্বর বহিষ্কার করা হয়েছিল প্যারিস সেইন্ট জার্মেইর কোচ থমাস টুখেলকে। তার বদলে এখন নতুন কোচ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে টটেনহ্যাম, সাউদাম্পটন এবং এসপানিওলের সাবেক ম্যানেজার মাউরিসিও পচেত্তিনো।

২০০০ থেকে ২০০৩ পর্যন্ত সময়ে প্রায় আড়াই মৌসুম পিএসজিতে খেলোয়াড় হিসেবে ছিলেন পচেত্তিনো। এসময় ৯৫ ম্যাচ খেলে তিনি জিতেছেন ২০০১ সালের ইন্টার টোটো কাপ। পরে যোগ দেন স্প্যানিশ ক্লাব এসপানিওলে। সেই ক্লাবে থেকেই ২০০৬ সালে অবসর নেন খেলোয়াড়ি জীবন থেকে।

এরপর ২০০৯ সালে এসপানিওলকে দিয়েই শুরু হয় পচেত্তিনোর কোচিং ক্যারিয়ার। পরে চলে যান ইংল্যান্ডে। সেখানে তিনি দায়িত্ব নেন সাউদাম্পটন ও টটেনহ্যামের। গতবছরের নভেম্বরে টটেনহ্যামের দায়িত্ব থেকে অপসারিত হন তিনি। এবার নতুন মিশনে কাজ শুরু করবেন পিএসজির ডাগআউটে।

বর্তমানে ফ্রেঞ্চ লিগ ওয়ানে পয়েন্ট টেবিলের তৃতীয় স্থানে রয়েছে পিএসজি। ওপরে থাকা দুই দল লিয়ন এবং লিলের চেয়ে মাত্র ১ পয়েন্ট পিছিয়ে রয়েছে তারা। তবে এরই মধ্যে হেরে গেছে ৪টি ম্যাচ। অথচ গত মৌসুমে তারা হেরেছিল মাত্র ৩টি ম্যাচে। এই অবস্থা থেকে ঘুরে দাঁড়িয়ে শিরোপা ধরে রাখাই এখন পচেত্তিনোর মূল চ্যালেঞ্জ।

আজ (রোববার) থেকেই কাজে নেমে পড়ছেন পচেত্তিনো। বুধবার রাতে সেইন্ট এতিয়েনের বিপক্ষে ম্যাচের জন্য আজ থেকেই দলকে অনুশীলন করাবেন। পিএসজির দায়িত্ব নিয়ে পচেত্তিনো বলেছেন, ‘প্যারিস সেইন্ট জার্মেইয়ের নতুন কোচ হতে পেরে আমি সত্যিই আনন্দিত ও গর্বিত।’

তিনি আরও বলেন, ‘ক্লাব ম্যানেজম্যান্টের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ। তারা আমার প্রতি ভরসা রেখেছে। এই ক্লাব সবসময়ই আমাদের হৃদয়ের খুব কাছে। এখানে আমার অনেক মধুর স্মৃতি রয়েছে। আজ ক্লাবে ফিরেছি সুনির্দিষ্ঠ কিছু লক্ষ্য নিয়ে। বিশ্বের অন্যতম সেরা প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের নিয়ে কাজ করতে মুখিয়ে রয়েছি।’

বুধবার, ৩০ ডিসেম্বর, ২০২০

এবার জামালকে সঙ্গী করে কোয়ার্টারে রাসেল

এবার জামালকে সঙ্গী করে কোয়ার্টারে রাসেল

 

ইনজুরি সময়ে বক্সের মাথায় পাওয়া ফ্রি-কিক থেকে শেখ রাসেলের কিরগিজ মিডফিল্ডার বখতিয়ারের নেয়া দুর্দান্ত শটটি জামালের গোলরক্ষক অসাধারণভাবে সেভ না করলে মাঠের বাইরে থেকে হাসতো পুলিশ ফুটবল ক্লাবের কোচ-কর্মকর্তারাই। শেখ জামালের হারের ব্যবধান ৪-২ হলেই গ্রুপ পর্ব থেকেই বাদ পড়তো তারা, রাসেলের সঙ্গে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠে যেতো পুলিশ।

কিন্তু শেষ সময়ে গোলরক্ষকের ওই সেভটা শেখ জামালকে টিকিয়ে রেখেছে মৌসুমের প্রথম টুর্নামেন্ট ফেডারেশন কাপে। শেখ রাসেল ৩-২ গোলে জিতে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে এবং জামাল হেরেও গ্রুপ রানার্সআপ হয়ে উঠলো শেষ আটে।

রাসেলের কাছে ১-০ গোলে হার আর জামালের সঙ্গে ২-২ গোলে ড্র করে এই ম্যাচের দিকে তাকিয়ে ছিল পুলিশ। জামাল আরো বড় ব্যবধানে হারলে তাদের কপাল খুলে যেতো; কিন্তু দুর্ভাগ্য পুলিশের- জামালের সমান পয়েন্ট পেয়েও বাদ পড়লো টুর্নামেন্ট থেকে।

দুই দলের পয়েন্ট (১) সমান, গোল গড়ও (-১) সমান। বেশি গোল করার সুবাদে পুলিশকে টপকে শেষ আটে জায়গা করে নিয়েছে সাবেক চ্যাম্পিয়ন শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাব। সেমিফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে জামাল খেলবে বসুন্ধরা কিংসের বিপক্ষে এবং শেখ রাসেল খেলবে চট্টগ্রাম আবাহনীর বিরুদ্ধে।

দুই সাবেক চ্যাম্পিয়নের লড়াইটা দারুণ জমেছিল। শেখ রাসেল জিতে পূর্ণ পয়েন্ট পেয়েছে। তবে জামালও জিততে পারতো। দুটি গোল করেছে, দুটিই পেনাল্টি থেকে। আরো দুইবার গোল থেকে বঞ্চিত হয়েছে তারা বল পোস্টে লেগে ফেরার কারণে।

৬ মিনিটে আশরভের গোলে এগিয়ে যায় শেখ রাসেল। ৩৯ মিনিটে ব্যবধান বাড়ান নাইজেরিয়ান অবি মনেকে। ৪৯ মিনিটে পেনাল্টি থেকে সলোমন কিং গোল করে ম্যাচে ফেরার আশা জাগান জামালের।

কিন্তু ৫৯ মিনিটে রাসেলে তকলিস গোল করে ব্যবধান ৩-১ করলে আবার অনিশ্চিয়তায় পড়ে জামাল। শেষ মিনিটে পাওয়া পেনাল্টি থেকে সলোমন কিং দ্বিতীয় গোল করলে হারের ব্যবধান দাঁড়ায় ২-৩, যে ব্যবধান তাকে উঠিয়ে নেয় কোয়ার্টার ফাইনালে।

‘গোল করতে হাজারটা সুযোগ প্রয়োজন বার্সেলোনার’

‘গোল করতে হাজারটা সুযোগ প্রয়োজন বার্সেলোনার’

 

মঙ্গলবার রাতে এইবারের বিপক্ষে জিততে না পারার হতাশা নিয়েই বছর শেষ করেছে স্প্যানিশ জায়ান্ট ক্লাব বার্সেলোনা। নামে-ভারে বড় দল হলেও, লা লিগার চলতি মৌসুমে গড়পড়তা পারফরম্যান্সই করে চলেছে কাতালান ক্লাবটি। তুলনামূলক দুর্বল দল এইবারের সঙ্গে ঘরের মাঠে ১-১ গোলের ড্র যেন এটিরই সাক্ষী দেন।

গোড়ালির চোটের কারণে এই ম্যাচটিতে ছিলেন না বার্সেলোনার অধিনায়ক ও নিয়মিত পারফর্মার লিওনেল মেসি। এইবারের হারানোর জন্য মেসির থাকারও দরকার ছিল না। কিন্তু একের পর এক গোল মিসের মহড়ায় সুযোগ হাতছাড়া করেছেন মার্টিন ব্রাথওয়েট, ওসুমানে দেম্বেলেরা। যে কারণে ড্র নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে তাদের।

ম্যাচ শেষে এ বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন দলের তরুণ ডিফেন্ডার জুনিয়র ফিরপো। তিনি রীতিমতো ধুয়ে দিয়েছেন দলের আক্রমণভাগকে। বারবার গোল মিস করায় মূলত চটেছেন ফিরপো। একইসঙ্গে মেনে নিয়েছেন পুরো মৌসুম ধরেই যে চলছে দলের এমন পারফরম্যান্স।

স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম মার্কায় তিনি বলেছেন, ‘আমাদের গোল করার জন্য হাজারটা সুযোগ দরকার। অথচ তারা (এইবার) একটা সুযোগ পেয়েছে এবং সেটাই কাজে লাগিয়েছে। চলতি মৌসুমে এটাই যেন আমাদের স্বাভাবিক অবস্থা হয়ে দাঁড়িয়েছে। সবগুলো ম্যাচই কঠিন, পথটাও বন্ধুর।’

এদিকে এইবারের বিপক্ষে ম্যাচটি দিয়েই প্রথমবারের মতো শুরুর একাদশে জায়গা পেয়েছেন ফিরপো। জর্দি আলবার জায়গায় খেলতে নেমে অবদান রেখেছেন দলের একমাত্র গোলেও। ম্যাচের ৬৭ মিনিটের সময় দেম্বেলের করা গোলটির আক্রমণ সাজিয়েছিলেন ফিরপো এবং পেদ্রি মিলে।

নিজের পারফরম্যান্স সম্পর্কে ফিরপো বলেছেন, ‘আমার অনুভূতি বেশ ভাল। আপনি যখন নিয়মিত না খেলবেন, তখন এটা সহজেই চোখে পড়ে যায়। তবে আমি চেষ্টা করি অনুশীলনে সর্বোচ্চটা দিতে। যাতে যখনই খেলার সুযোগ পাই, সর্বোচ্চ ফায়দা নিতে পারি।’

উল্লেখ্য, এইবারের বিপক্ষে ম্যাচের অষ্টম মিনিটে প্রতিপক্ষের ভুলে তারা পেয়েছিল পেনাল্টি। কিন্তু সেটি থেকে গোল করতে পারেননি মার্টিন ব্রাথওয়েট। ডি-বক্সের মধ্যে রোনাল্ড আরাউজোকে এইবারের ডিফেন্ডার পেদ্রো বিগাস ফাউল করলে, ভিএআরের সাহায্য নিয়ে পেনাল্টির বাঁশি বাজিয়েছিলেন রেফারি।

শুরুতে পেনাল্টি মিস করলেও ম্যাচের ২৫ মিনিটের সময় বল জালে প্রবেশ করান ব্রাথওয়েট। কিন্তু সেটি বাতিল হয়ে যায় অফসাইডের কারণে, নষ্ট হয় বার্সেলোনার আরও একটি আক্রমণ। প্রতিপক্ষের ওপর আধিপত্য বিস্তার করে খেলেও প্রথমার্ধে গোলের দেখা পায়নি বার্সেলোনা।

পরে দ্বিতীয়ার্ধে ছয় মিনিটের ব্যবধানে জোড়া সুযোগ হাতছাড়া করেন দেম্বেলে। প্রথমে ৫০ মিনিটের সময় ডি-বক্সে বল পেয়ে লক্ষ্যভ্রষ্ট শট নেন তিনি। এরপর পেদ্রির কাছ থেকে পাস পেয়ে গোলরক্ষককে একা পেয়ে যান দেম্বেলে। কিন্তু তার শটটি পা বাড়িয়ে ঠেকান এইবার গোলরক্ষক।

সোমবার, ২৮ ডিসেম্বর, ২০২০

‘কোচের নাম দেখে বার্সা ছাড়বেন না মেসি’

‘কোচের নাম দেখে বার্সা ছাড়বেন না মেসি’

 



মাঝে প্রায় থেমে গিয়েছিল আলোচনা। বছরের শেষভাগে এসে আবার শুরু হলো ইতিহাসের অন্যতম সেরা ফুটবলার লিওনেল মেসির বার্সেলোনা ছেড়ে যাওয়ার বিষয়ে গুঞ্জন। সম্প্রতি লা সেক্সটা দেয়া সাক্ষাৎকারে মেসি নিজেই জানিয়েছেন, তিনি মৌসুম শেষে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন। তাই এর আগে কোনও মন্তব্য করতে রাজি নন।

মেসির এমন মন্তব্যে একটি বিষয় অন্তত নিশ্চিত হওয়া গেছে যে, এখনও বার্সেলোনায় থেকে যাওয়ার ব্যাপারে মনস্থির করতে পারেননি তিনি। অর্থাৎ চলতি মৌসুম শেষ হওয়ার পরই জানা যাবে ২০২০-২১ মৌসুমে তিনি কোন ক্লাবের হয়ে খেলবেন। মেসিকে দলে ভেড়ানোর দৌড়ে আগে থেকেই রয়েছে প্যারিস সেইন্ট জার্মেই (পিএসজি) ও ম্যানচেস্টার সিটি।

এবার শুরু হলো নতুন গুঞ্জন। যদি পিএসজির নতুন কোচ হিসেবে মাউরিসিও পচেত্তিনো দায়িত্ব গ্রহণ করেন, তাহলে মেসি ফরাসি ক্লাবটিতেই যাবেন- এমন কথা শোনা যাচ্ছে জোরেশোরে। তবে বার্সেলোনার কোচ রোনাল্ড কোম্যানের ভাবনা ভিন্ন। তার মতে, কোনও ক্লাবের কোচের নাম দেখে সেই দলে নাম লেখাবেন না মেসি।

সম্প্রতি নিজেদের কোচ থমাস টুখেলকে বরখাস্ত করেছে পিএসজি। এরপর থেকেই গুঞ্জন চলছে, মাউরিসিও পচেত্তিনোকে নিজেদের নতুন কোচ হিসেবে দায়িত্ব দেবে দলটি। আর পচেত্তিনো দায়িত্ব নিলে মেসিও পিএসজিতে নাম লেখাবেন এমন গুঞ্জনও ছড়িয়ে গেছে ফুটবল অঙ্গনে।

এ বিষয়ে বার্সা কোচের ভাষ্য, ‘পচেত্তিনোর পিএসজিতে নাম লেখানোর খবরটি সত্য কি না আমি জানি না। তবে মেসি যখন নিজের ভবিষ্যত ঠিকানা ঠিক করবে, তখন সেটি কোনও কোচের ওপর নির্ভর করবে না।’

কোম্যান আরও বলেন, ‘আমি মেসির সাক্ষাৎকারটি (লা সেক্সটাকে দেয়া) সরাসরি দেখিনি। তবে পরে ঠিকই দেখেছি। আমি বরাবরই মেসির সঙ্গে শান্ত ছিলাম। তবে এর চেয়ে বেশি শান্ত হওয়া যাবে না। কারণ সে বলেছে, মৌসুম শেষে সিদ্ধান্ত নেবে (ক্লাবে থাকবে কি না)। আমরা দেখব কী হবে বা হতে পারে।’

তবে মেসি যে সিদ্ধান্তই নেন না কেন, কোচের কাছ থেকে পূর্ণ সমর্থনই পাবেন। তা জানিয়ে কোম্যান বলেন, ‘মেসির বক্তব্য আমি সাধুবাদ জানাই। কারণ সে ক্লাব এবং ফুটবলের জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ একজন খেলোয়াড়। আমি এখনও একই মানুষ আছি। আমি দলকে এগিয়ে নেয়ার চেষ্টা করছি। এ বছরটা আমাদের রুপান্তরের এবং এ প্রক্রিয়ার অন্যতম চাবিকাঠি মেসি।’

এসএএস/জেআইএম

শুক্রবার, ২৫ ডিসেম্বর, ২০২০

ব্রাজিল ও রিয়াল মাদ্রিদের জন্য বড় দুঃসংবাদ

ব্রাজিল ও রিয়াল মাদ্রিদের জন্য বড় দুঃসংবাদ

 

লম্বা সময়ের জন্য মাঠের বাইরে চলে গেলেন রিয়াল মাদ্রিদের ব্রাজিলিয়ান তারকা রদ্রিগো। লা লিগায় গত বুধবার গ্রানাডার বিপক্ষে ম্যাচে এমনই চোট পেয়েছেন, তিন মাসের মত আর খেলা হবে না এই ফরোয়ার্ডের।

লা লিগায় বুধবার ঘরের মাঠে গ্রানাডার বিপক্ষে ২-০ গোলে জয় পেয়েছে রিয়াল। ওই ম্যাচেরই প্রথমার্ধে প্রতিপক্ষের ট্যাকলে পড়ে গিয়ে পায়ে শক্ত আঘাত পান রদ্রিগো। তাকে স্ট্রেচারে করে মাঠের বাইরে নিয়ে যাওয়া হয়।

রদ্রিগোর চেহারা দেখেই ধারণা করা হচ্ছিল, চোটটা গুরুতর হতে পারে। পরীক্ষার পর সেই ধারণাই সত্য হলো। রিয়াল নিজেদের ওয়েবসাইটে শুক্রবার দেওয়া বিবৃতিতে ১৯ বছর বয়সী এই ফুটবলারের পেশির চোটের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

বিবৃতিতে অবশ্য রদ্রিগো কত দিনের জন্য ছিটকে গেছেন, পরিষ্কার জানানো হয়নি। তবে স্প্যানিশ গণমাধ্যমের খবর, তিন মাসের মত সময় মাঠের বাইরে থাকতে হতে পারে এই ফরোয়ার্ডের।

রিয়াল মাদ্রিদের চোট সমস্যা দিনকে দিন বাড়ছেই। চোটের কারণে বর্তমানে খেলার বাইরে আছেন লুকা মদ্রিচ। চোট কাটিয়ে উঠলেও এডেন হ্যাজার্ডও বেশ কয়েকটি ম্যাচ মিস করেছেন। একই কারণে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি ম্যাচে খেলতে পারেননি অধিনায়ক সার্জিও রামোস, দানি কারভাহালের মতো দলের ভরসারা। সব মিলিয়ে ভীষণ চাপে আছেন রিয়াল কোচ জিনেদিন জিদান।

এমএমআর/এমএস