তথ্যপ্রযুক্তি লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
তথ্যপ্রযুক্তি লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

বুধবার, ৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২১

বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের লক্ষ্যে ইমোর ক্যাম্পেইন

বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের লক্ষ্যে ইমোর ক্যাম্পেইন

 

বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নকে অগ্রগামী করতে সম্প্রতি ‘সেলিব্রেট লাইফ টুগেদার’ ক্যাম্পেইন শুরু করেছে ইমো। এটি চলতি বছরের তাদের প্রথম ক্যাম্পেইন এবং এর মাধ্যমে এমন কিছু মানুষের গল্প ভিডিওচিত্রের মাধ্যমে উপস্থাপন করা হবে যারা ইমো ব্যবহার করে জীবনযাত্রার মান উন্নত করার পাশাপাশি নিজেদের স্বপ্ন পূরণ করতে পেরেছেন।

এছাড়াও ক্যাম্পেইনের আরেকটি উদ্দেশ্য হলো- সব ধরনের মানুষকে তাদের অনুপ্রেরণামূলক গল্প শেয়ার ও ইমো’র সঙ্গে তাদের জীবন উপভোগ করতে উৎসাহিত করা।

প্রথম গল্প হিসেবে ইউটিউবে মেঘার গল্প দেখা যাবে। ২৬ বছর বয়সী তরুণী মেঘা ইমোর মাধ্যমে কিভাবে তার ক্যারিয়ার নতুনভাবে শুরু করে নিজের স্বপ্ন পূরণ করেছেন, সেটি উঠে এসেছে এই ভিডিওতে। এছাড়া সারা বছরজুড়ে দেখানো হবে আরও নতুন কিছু মানুষের সফলতার গল্প।

গত বছরের মার্চ থেকে করোনাভাইরাসের পুরো সময়জুড়ে অনেক মানুষ যখন চাকরি হারিয়েছেন, তখন মেঘা প্রতিমাসে প্রায় তিন হাজার মার্কিন ডলার আয় করেছেন। শুরুতে তার ধারণা ছিল না, ইমো’র মাধ্যমে টাকা উপার্জন করা সম্ভব। প্রথমে তার একজন বন্ধুর আহ্বানে তিনি কয়েকটি ইমো গ্রুপে যুক্ত হন। তবে শিক্ষাভিত্তিক একটি গ্রুপে যুক্ত হওয়াটি ছিল তার জীবনের মোড় ঘোরানো মুহূর্ত। তিনি প্রতিদিন নতুন জিনিস শিখতে থাকেন এবং প্রথমদিকের একজন ইমো হোস্ট হওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।

এখন মেঘা প্রতিদিন প্রায় ৭৫টি গ্রুপ সক্রিয়ভাবে পরিচালনা করেন। তার সবচেয়ে বড় গ্রুপটিতে ৭৮ হাজারের বেশি এবং সবচেয়ে ছোট গ্রুপটিতে প্রায় ২২ হাজার সদস্য রয়েছে। এখন তিনি অন্যদেরকেও বিভিন্ন গ্রুপে সংযুক্ত হতে ও নিজের গ্রুপ তৈরি করতে উৎসাহিত করছেন।

মেঘা বলেন, ‘আমি ইমোকে শুধুমাত্র একটি ম্যাসেজিং ও কলিং অ্যাপ হিসেবে সীমাবদ্ধ করে রাখব না। বরং আমি বলবো, এই অ্যাপে সীমাহীন সুযোগ অপেক্ষা করছে। এটি আমাকে জীবিকা নির্বাহে সহায়তা করে আসছে এবং আমি বিশ্বাস করি, এর মাধ্যমে অনেকের জীবন পরিবর্তন করা সম্ভব। বিশেষ করে নারী ও গৃহিণীদের, যারা সাধারণত বাসার বাইরে খুব একটা বের হন না।’

ইমো’র ভাইস প্রেসিডেন্ট ক্রিস্টোফার হিউ বলেন, ‘ইমো-তে আমরা মানুষকে সংযুক্ত করতে ও তাদের জীবনমান উন্নত করতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। আমরা গর্বিত যে, ইমো ব্যবহারকারীরা এটিকে তাদের দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানাচ্ছেন এবং তাদের জীবনের অর্জনে ইমো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।’

ইনস্ট্যান্ট কমিউনিকেশন মাধ্যম হিসেবে ২০২০ সালে ইমো ব্যবহারের সংখ্যা রেকর্ড ছুঁয়েছে। বাংলাদেশিরা ইমো’র মাধ্যমে প্রায় ৯ হাজার ৬৮০ কোটি ম্যাসেজ এবং ২ হাজার ৬০০ কোটি অডিও ও ভিডিও কল করেছে। এছাড়াও ইমো স্থানীয়করণ ও শীর্ষস্থানীয় প্রযুক্তির মাধ্যমে ২০২০ সালে বাংলাদেশের ব্যবহারকারীদের অডিও ও ভিডিও কলে প্রায় ১৫ কোটি গিগাবাইট ডাটা বাঁচিয়েছে।

এছাড়াও ইমো মাইপ্ল্যানেট কন্টেন্ট ফিড, ভয়েসরুম ও গেমস ইত্যাদির মতো ইন্টারঅ্যাকটিভ ফাংশন তৈরি করেছে যেখানে মানুষ তাদের আগ্রহের বিষয় জানাতে পারে, প্রতিভা বিকাশ ও জীবনের নতুন নতুন সম্ভাবনা খুঁজে বের করতে পারে। #CelebratelLifetTogether-এ জয়েন করতে হলে একজন ব্যবহারকারী ইমো নিয়ে তার মৌলিক গল্প ক্যাম্পেইনের হ্যাশট্যাগ দিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এবং ইমো’র মাইপ্ল্যানেটে শেয়ার করতে পারে।

মঙ্গলবার, ২ ফেব্রুয়ারি, ২০২১

স্মার্টফোনের নতুন সিরিজ আনল সিম্ফনি

স্মার্টফোনের নতুন সিরিজ আনল সিম্ফনি

 

দেশের বাজারে ‘এটম’ নামে নতুন একটি স্মার্টফোন সিরিজ নিয়ে এসেছে জনপ্রিয় স্মার্টফোন কোম্পানি সিম্ফনি মোবাইল।

এটম সম্পর্কে সিম্ফনি মোবাইলের হেড অব মার্কেটিং তাইয়েবুর রহমান বলেন, ‘উন্নয়নশীল বাংলাদেশের সকল স্তরের মানুষের মাঝে স্মার্টফোনের চাহিদা বৃদ্ধি পেয়েছে। বাজেট যেমনই হোক উন্নত প্রযুক্তির স্মার্টফোন ব্যবহারের দাবিদার সবাই। বাংলাদেশে উৎপাদিত সিম্ফনি এটম স্বল্প বাজেটে উন্নত প্রযুক্তির একটি উদাহরণ। প্রযুক্তির ব্যবহার এবং দামে সিম্ফনি এটম বাজারের বাকি সব ফোন থেকে এগিয়ে থাকবে।’

এটমের বিভিন্ন কারিগরি দিক তুলে ধরে সিম্ফনির পক্ষ থেকে জানানো হয়, ১.৮ গিগাহার্টজের মিডিয়াটেক হ্যালিও এ২০ কোয়াড কোর প্রসেসর এবং অ্যান্ড্রয়েড ১০.০ এর গো অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করা হয়েছে এতে। ৬.২২ ইঞ্চির বড় আইপিএস ডিসপ্লেতে আছে এইচডি প্লাস বা ১৫২০*৭২০ রেজুলেশন।

jagonews24

এই হ্যান্ডসেটটিতে আছে ২ জিবি র্যাম ও ৩২ জিবি ইন্টারনাল স্টোরেজ যা ১২৮ জিবি পর্যন্ত বাড়ানো যাবে। ছবি তোলার জন্য এই স্মার্টফোনটির ব্যাক ক্যামেরায় ব্যবহার করা হয়েছে গুগল কাস্টমাইজড ও সনি সেন্সরের ১৩ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা যার অ্যাপারচার ১.৮।

আর সেলফি তোলার জন্য আছে ৫ মেগাপিক্সেল ফ্রন্ট ক্যামেরা। ডিসপ্লে ফ্ল্যাশ থাকার কারণে সেলফিও হবে অনেক বেশি আকর্ষণীয়। ক্যামেরার ফিচারগুলো হলো পোট্রেইট মোড, নাইট মোড, গুগল ট্রান্সলেটর, এইচডিআর এবং ফেস বিউটি।

jagonews24

চার হাজার এমএএইচের লি-পলিমার ব্যাটারি আছে যা দিয়ে ব্যবহারের তারতম্যের ভিত্তিতে দুইদিন অনায়াসেই চালানো যাবে। হ্যান্ডসেটটিতে ফিংগার প্রিন্ট সেন্সর এবং ফেস আনলকের পাশাপাশি স্পেশাল কিছু ফিচারও আছে যেমন প্যারেন্টাল কন্ট্রোল, ডিজিটাল ওয়েলবিয়িং, ওয়ান হ্যান্ড মোড এবং ডার্ক থিম।

সিম্ফনির সকল আউটলেটে এই হ্যান্ডসেটটি পাওয়া যাচ্ছে বাংলালিংক এবং রবির ডাটা বান্ডেল সহ মাত্র সাত হাজার ২৯০ টাকায়।

রবিবার, ৩১ জানুয়ারি, ২০২১

হোয়াটসঅ্যাপ নিয়ে এলো নতুন নিরাপত্তা ফিচার

হোয়াটসঅ্যাপ নিয়ে এলো নতুন নিরাপত্তা ফিচার

 

হোয়াটসঅ্যাপ ঘোষণা করেছে নতুন সিকিউরিটি ফিচার। এ ফিচার নিয়ে আসছে ওয়েব ভার্সনে। ডেক্সটপ থেকে হোয়াটসঅ্যাপ ওয়েব খুললে আরও একধাপ পেরিয়ে পৌঁছাতে হবে চ্যাট বক্সে।

ফোনের ফেস আইডি এবং ফিঙ্গারপ্রিন্ট ব্যবহার করতে হবে আনলকের ক্ষেত্রে। অর্থাৎ, আপনার অ্যাকাউন্টকে নিরাপত্তা দিতে আরও আনলক প্রক্রিয়া দৃঢ় করতে চলছে হোয়াটসঅ্যাপ।

jagonews24

QR code স্ক্যান করার আগে এই আনলক প্রক্রিয়া থাকবে বলে জানিয়েছে হোয়াটসঅ্যাপ কর্তৃপক্ষ। এই ফিচারে সুবিধা হবে যারা অফিস থেকে তাদের হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট খুলে থাকেন- এমনটাই মনে করছে হোয়াটসঅ্যাপ।

অন্যদিকে জানা গেছে, ডেক্সটপে হোয়াটসঅ্যাপ খুললে ফোনে আসবে নোটিফিকেশন।

শুক্রবার, ২৯ জানুয়ারি, ২০২১

ফৌজি গেম ডাউনলোড করবেন যেভাবে

ফৌজি গেম ডাউনলোড করবেন যেভাবে

 

অনেক অপেক্ষার পর অবশেষে ভারতীয় গেমারদের জন্য চালু করা হয়েছে দীর্ঘ প্রত্যাশিত ব্যাটেল গেম                                                                                                                                                                                                                                                                 ফৌজি (ফিয়ারলেস অ্যান্ড উইনাইটেড গার্ডস)। ২৬ জানুয়ারি অর্থাৎ প্রজাতন্ত্র দিবসের দিনই লঞ্চ হয়েছে ফৌজি মোবাইল গেম। এই মুহূর্তে অ্যান্ড্রয়েড ইউজারদের জন্য মোবাইল গেমটি লঞ্চ করেছে বেঙ্গালুরু ভিত্তিক সংস্থা এনকোর গেমস।

এখন গুগল প্লে স্টোর থেকে এই গেমিং অ্যাপ্লিকেশনটিকে বিনামূল্যে ডাউনলোড করতে পারবেন। বর্তমানে শুধুমাত্র অ্যান্ড্রয়েড ইউজারদের জন্য এই গেমটিকে লঞ্চ করা হয়েছে, তবে মনে করা হচ্ছে যে এই বছরের শেষে গেমটির iOS ভার্সনও লঞ্চ করা হবে।

উল্লেখযোগ্য, এই মোবাইল গেমটির ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর বলিউড তারকা অক্ষয় কুমার। তিনি নিজেই গেম ডাউনলোডের লিংক শেয়ার করেছেন।

এই গেমটির সাইজ মাত্র ৪৬০ এমবি। তবে, ফৌজি গেমটি ইন্সটল করে খেলার জন্য আপনার স্মার্টফোনটিতে কমপক্ষে অ্যান্ড্রয়েড ৮ বা তার পরবর্তী অপারেটিং সিস্টেম থাকতে হবে। এই মুহূর্তে ইংরেজির ছাড়া হিন্দি আর তামিল ভাষায় গেমটিকে লঞ্চ করা হয়েছে। গেমের ডেভেলপার জানিয়েছে যে শীঘ্রই অনান্য ভাষাতেও গেমটি চালু হবে।

বর্তমানে গেমটি কেবল সিঙ্গেল প্লেয়ার এবং কো-অপারেটিভ প্লে মোডে খেলা যাবে, কিন্তু শীঘ্রই এই রয়্যাল ব্যাটাল মোড এবং মাল্টি ইউজার মোডও চালু হবে। ফৌজি গেমে তিনটি মোড Campaign, Team Deathmatch আর Free for All রয়েছে। তবে বর্তমানে এনকোর গেমস গেমারদের শুধুমাত্র Campaign মোড অফার করছে।

গত বছর নভেম্বর মাস থেকে গেমটির প্রি-রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল। সংশ্লিষ্ট সংস্থার তরফে জানানো হয়, প্রথম ২৪ ঘণ্টাতেই ১ মিলিয়নের মাইলস্টোন ছুঁয়ে ফেলে গেমের প্রি-রেজিস্ট্রেশন। তবে iOS ডিভাইজে ফিয়ারলেস অ্যান্ড ইউনাইটেড গার্ডস কবে থেকে পাওয়া যাবে, সেই বিষয়ে এখনো কিছুই জানা যায়নি।

এই গেমটিকে গুগল প্লে স্টোর থেকে ডাউনলোড করা যাচ্ছে, এর জন্য আপনাকে সার্চ অপশনে গিয়ে ফৌজি টাইপ করতে হবে। ইতিমধ্যে আপনি যদি গেমটি প্রি-রেজিস্ট্রেশনও করে থাকেন তাহলেও আপনাকে এইভাবেই গেম ডাউনলোড করতে হবে।

বৃহস্পতিবার, ২৮ জানুয়ারি, ২০২১

‘ডুপ্লিকেট ছবি’ ডিলিট করার সেরা ৫ অ্যাপ

‘ডুপ্লিকেট ছবি’ ডিলিট করার সেরা ৫ অ্যাপ

 

এক ক্লিকেই ৫ থেকে ১০টি ছবি তুলতে সক্ষম এখনকার নতুন স্মার্টফোনগুলো। এর যেমন সুবিধা রয়েছে; তেমনই কিছু অসুবিধাও আছে। এতে একই ছবিতে আপনার ফোনের স্টোরেজ ভর্তি হয়ে যাবে।

অপ্রয়োজনীয় ছবিগুলোকে ডিলিট করলে ফোনের স্টোরেজ ও ক্লাউড স্টোরেজে অনেকটা স্পেস বাঁচানো যায়। তবে হাজারো ছবির মাঝ থেকে অপ্রয়োজনীয় ছবি কোনটি তা বেছে নেয়া অনেক সময় সাপেক্ষ।

jagonews24

তাই এ কাজ করতে রয়েছে বেশ কিছু অ্যাপ। চলুন জেনে নেয়া যাক অ্যানড্রয়েড ফোনের ডুপ্লিকেট ছবি ডিলিট করার সেরা ৫টি অ্যাপ-

>> ‘ফাইলস ফর গুগল’ অ্যাপ ব্যবহার করতে পারেন। এক্ষেত্রে ফাইলস অ্যাপ ওপেন করে সব পারমিশন দিয়ে ডুপ্লিকেট কার্ড সিলেক্ট করে ডিলিট প্রেস করে দিন। এ ছাড়াও অ্যাপটি ব্যবহার করে ডুপ্লিকেট অডিও, ডকুমেন্ট, ভিডিও ও অন্যান্য ফাইলও ডিলিট করা যাবে।

jagonews24

>> আরও একটি জনপ্রিয় অ্যানড্রয়েড অ্যাপ ডুপ্লিকেট ক্লিনার। অ্যাপটি ফোনের সব ছবি স্ক্যান করে ডুপ্লিকেট ছবি ডিলিট করবে। ছবি ছাড়াও এই অ্যাপ ডিলিট করবে ডুপ্লিকেট অডিও, ডকুমেন্ট ইত্যাদি।

>> সিক্লিনার অ্যাপটি দিয়েও ডুপ্লিকেট ফাইল ডিলিট করা যাবে। এ অ্যাপ আপনার ফোনের স্টোরেজের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ডুপ্লিকেট ছবি ডিলিট ছাড়াও স্টোরেজ অপটিমাইজেশনে সাহায্য করবে।

>> নক্স ক্লিনার অ্যাপের সাহায্যে স্টোরেজ অপটিমাইজেশন ও সিস্টেম জাঙ্ক ডিলিট করতে পারবেন। জাঙ্ক ক্লিনার ছাড়াও এই অ্যাপে রয়েছে ফটো বুস্টার, অ্যান্টিভাইরাস, সিপিইউ কুলার, ইমেজ ম্যানেজার ও অন্যান্য ফিচার।

jagonews24

>> ‘রেমো ডুপ্লিকেট ফটো রিমুভার’ ডুপ্লিকেট ছবি ডিলিট করার অন্যতম জনপ্রিয় অ্যাপ। শুধু একই ছবি স্ক্যান করে খুঁজে বের করাই নয়, একাধিক নামে একই ছবি থাকলে সেগুলোও খুঁজে বের করতে পারে অ্যাপটি।

মঙ্গলবার, ২৬ জানুয়ারি, ২০২১

শনির উপগ্রহে হাজার ফুট গভীর সমুদ্রের সন্ধান

শনির উপগ্রহে হাজার ফুট গভীর সমুদ্রের সন্ধান

 

এক বিশাল আয়তনের সমুদ্রের সন্ধান পাওয়া গেছে মহাকাশে। মহাজাগতিক রহস্য উদঘাটনে ব্যস্ত বিজ্ঞানীদের হাতে এসেছে এমন এক চমকপ্রদ তথ্য। এতে তারা অবাক হয়েছেন।

প্রায় হাজারের বেশি ফুট গভীরের সমুদ্রের খোঁজ মিলেছে শনির উপগ্রহ টাইটানে। যার আয়তন এতোটাই বেশি যে সাবমেরিন চলাচল করতে পারে। সেই সমুদ্রের তলদেশে কী আছে তা জানতে বিজ্ঞানীরা গবষেণা চালিয়ে যাচ্ছেন।

টাইটানের জলাশয়ের সঙ্গে মিল আছে পৃথিবীর। বিজ্ঞানীদের একাংশের মতে পৃথিবী জন্মলগ্নে যেমন দেখতে ছিল, টাইটানের এখন সেই রূপ।

এর আগে শনির উত্তরমেরুতে পাওয়া গিয়েছিল ক্র্যাকেন মেয়ার নামে এক বড়সড় জলাশয়। যার মধ্যে ছিল ইথেন এবং মিথেন গ্যাসের তরল আকার। যার আয়তন ১ লাখ ৫৪ হাজার বর্গ মাইল।

তবে টাইটানে কীভাবে এতো পানি আছে, তা জানতে মিথেন গ্যাসের পরীক্ষা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। এ পানি পরীক্ষা হলেই সব কিছু বোঝা যাবে বলে মনে করছেন তারা।

শনির উপগ্রহের সুমদ্রের গভীরতা নিয়ে গবেষণা করা হবে। বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন, সেইখানে সাবমেরিন চালানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে তারা। এর জন্য দেখতে হবে পানির ঘনত্ব, প্রবাহ, মধ্যাকর্ষণ শক্তি ও পানির প্রবাহ।

শনিবার, ২৩ জানুয়ারি, ২০২১

ফেসবুক থেকে তথ্য চুরি, ক্যামব্রিজ অ্যানালিটিকার বিরুদ্ধে মামলা

ফেসবুক থেকে তথ্য চুরি, ক্যামব্রিজ অ্যানালিটিকার বিরুদ্ধে মামলা

 

৫ লাখ ২০ হাজার ভারতীয় ফেসবুক ব্যবহারকারীর তথ্য চুরির অভিযোগে লন্ডনের ক্যামব্রিজ অ্যানালিটিকার বিরুদ্ধে মামলা করেছে ভারতের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা (সিবিআই)। শুধু ক্যামব্রিজ অ্যানালিটিকা নয়, গ্লোবাল সায়েন্স রিসার্চ নামে আরও এক বিদেশি সংস্থার নাম যুক্ত হয়েছে সিবিআইয়ের অভিযোগে। খবর ভারতীয় গণমাধ্যমের।

২০১৮ সালে লন্ডনের ওই সংস্থার বিরুদ্ধে বিশ্বের অনেক গণমাধ্যমে ফেসবুক থেকে তথ্য চুরির অভিযোগে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছিল। সেসময় ভারতের কেন্দ্রীয় তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী রবি শঙ্কর প্রসাদ সংসদে জানিয়েছিলেন, ফেসবুক-কেমব্রিজ অ্যানালিটিকা তথ্য চুরির বিষয়ে সিবিআই তদন্ত করবে। এরপরই তদন্তে নামে সিবিআই। প্রায় আড়াই বছর তদন্ত চালানোর পর তারা ওই সংস্থার বিরুদ্ধে মামলা করে।

জানা যায়, গ্লোবাল সায়েন্স প্রাইভেট লিমিটেডের প্রতিষ্ঠাতা ও ডিরেক্টর ড. আলেকজান্ডার কোগান একটি অ্যাপ তৈরি করেন, যার নাম ‘দিস ইজ ইওর ডিজিটাল লাইফ’। ফেসবুকের নীতি অনুযায়ী, গবেষণা ও শিক্ষামূলক কাজের জন্য এই অ্যাপটি ব্যবহারকারীদের কিছু নির্দিষ্ট তথ্য সংগ্রহ করতে পারে। কিন্তু সেই অ্যাপের মাধ্যমে বেআইনিভাবে ব্যবহারকারীদের আরও অনেক তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছিল।

ফেসবুক জানায়, ৩৩৫ জন ভারতীয় ব্যবহারকারী ওই অ্যাপ ইন্সটল করেছেন। সিবিআই অনুমান করেছে, প্রায় ৫ লাখ ৬২ হাজার ব্যবহারকারীর তথ্য চুরি করা হয়েছে।

যেসব ব্যবহারকারী অ্যাপটি ডাউনলোড করেছিলেন, তাদের মধ্যে ছয় জন গণমাধ্যমের বরাত দিয়ে সিবিআইকে জানান, তাদের কাছে এ ব্যাপারে কোনো তথ্য ছিল না। তাদের অজান্তেই তথ্য চুরি হয়েছে। তারা জানলে এই অ্যাপ ডাউনলোড করতেন না। ওই সংস্থার বিরুদ্ধে অভিযোগ, সংগ্রহ করা এসব তথ্য ব্যবসায়িক স্বার্থে ক্যামব্রিজ অ্যানালিটিকাকে দিয়েছিল গ্লোবাল সায়েন্স রিসার্চ লিমিটেড।

এই ক্যামব্রিজ অ্যানালিটিকার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছিল, যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনের আগে ট্রাম্পের হয়ে সংস্থাটি ক্যাম্পেইন করেছিল। সেই কারণে ফেসবুক থেকে তথ্য চুরি করে তারা। তাদের তথ্য প্রভাব ফেলে নির্বাচনের প্রচারে। এরপরই বিতর্ক ছড়িয়ে পড়ে। ফেসবুক থেকে তথ্য চুরির অভিযোগে অনেক গ্রাহকও হারাতে থাকে ক্যামব্রিজ অ্যানালিটিকা।

খবরের জন্য অর্থব্যয় : অস্ট্রেলিয়া সরকারের মুখোমুখি গুগল-ফেসবুক

খবরের জন্য অর্থব্যয় : অস্ট্রেলিয়া সরকারের মুখোমুখি গুগল-ফেসবুক

 

অস্ট্রেলিয়া সরকারের এক আইন অনুযায়ী, সংবাদ প্রতিবেদন প্রচারের জন্য টাকা দিতে হবে গুগল ও ফেসবুককে। এ টাকা পাবে গণমাধ্যমগুলো। কিন্তু এতে নারাজ অনলাইন জগতের শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান দুটি। এতে বাধ্য করা হলে অস্ট্রেলিয়ায় সার্চ ইঞ্জিন সার্ভিস বন্ধ করে দেয়ার হুমকি দিয়েছে গুগল। আর ফেসবুক বলছে, এমনটা হলে অস্ট্রেলীয় ব্যবহারকারীরা তাদের ওয়েবসাইটে আর কোনো সংবাদের লিংক দেখতে পাবেন না।

মাসে গুগলের সার্চ ইঞ্জিন ব্যবহার করেন ১ কোটি ৯০ লাখ অস্ট্রেলীয়। আর ফেসবুকের ক্ষেত্রে যার সংখ্যা ১ কোটি ৭০ লাখ। কোম্পানি দুটি উপরোক্ত সিদ্ধান্ত নিলে ভুক্তভোগী হবেন এই বিপুল সংখ্যক ব্যবহারকারী। গুগলে যেমন তারা কোনো কিছু খুঁজতে পারবেন না, তেমনি ফেসবুকে দেখতে কিংবা পোস্ট করতে পারবেন না কোনো সংবাদের লিংক।

দ্য গার্ডিয়ানের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমানে প্রতিষ্ঠান দুটি সরকারের এ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে লড়ছে।

শুক্রবার (২২ জানুয়ারি) বিষয়টি সরাসরি সরকারকে জানিয়েও দিয়েছে গুগল। তাদের মতে, সরকারের এ সিদ্ধান্ত অস্ট্রেলিয়ার গণতন্ত্রকামী মানুষের জন্য হুমকিস্বরূপ।

গুগলের অস্ট্রেলিয়ান ম্যানেজিং ডিরেক্টর মেল সিলভা জানান, সরকারের আইনটিকে ‘কার্যকরী’ করে গড়ে তুলতে এতে পরিবর্তন চায় তার প্রতিষ্ঠান। একই সঙ্গে তারা গণমাধ্যমগুলোকে কন্টেন্টের জন্য অর্থও দিতে ইচ্ছুক এবং বিশ্বব্যাপী এ ধরনের ৪৫০টি চুক্তি ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে।

এদিকে, অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন জানান, এ হুমকিতে ভ্রুক্ষেপ করবে না সরকার।

তিনি বলেন, ‘বিষয়টি পরিষ্কার করা যাক। দেশে কী করা যাবে, সে বিষয়ে আইন প্রনয়ণ করে অস্ট্রেলিয়া। এটা আমাদের পার্লামেন্ট থেকে এসেছে, সরকার থেকে এসেছে। আর এভাবেই অস্ট্রেলিয়ায় সবকিছু হয়। আর যারা এভাবে আমাদের সঙ্গে কাজ করতে ইচ্ছুক, তাদেরকে স্বাগতম।’

‘কিন্তু আমরা কোনো হুমকিতে ভ্রুক্ষেপ করি না।’

এদিকে, বড় বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের লবিস্ট হিসেবে কাজ করা প্রতিষ্ঠান ‘রিসেট অস্ট্রেলিয়া’র মতে, গুগল রীতিমতো অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ করেছে।

এ বিষয়ে ফেসবুকও তাদের অবস্থান থেকে সরে আসেনি। অস্ট্রেলিয়ায় ফেসবুকের হেড অব পাবলিক পলিসি জশ ম্যাচিনের মুখে শোনা গেছে সেই একই হুমকির পুনর্ব্যক্তি।

তিনি জানান, ব্যবহারকারীর নিউজফিডে ঘুরে বেড়ানো কন্টেন্টগুলোর মধ্যে মাত্র ৫ শতাংশ হলো সংবাদ। আর এ থেকে ফেসবুকের খুব একটা আয়ও হয় না।

তবে গার্ডিয়ান অস্ট্রেলিয়ার ম্যানেজিং ডিরেক্টর ড্যান স্টিনটন সরকারকে জানান, ফেসবুকের এমন দাবি অসত্য। কারণ, সংবাদ প্রতিবেদনগুলো ব্যবহারকারীদের ফেসবুকে ধরে রাখে।

তাই ফেসবুক নিউজফিডে সাংবাদিকতার বিষয়টিকে গুরুত্ব না দেয়ায় বিস্ময় প্রকাশ করেন স্টিনটন।

বিবাদমান নিয়মটি যাদের মস্তিষ্কপ্রসূত সেই অস্ট্রেলিয়ান কম্পিটিশন অ্যান্ড কনজ্যুমার কমিশনের প্রধান রড সিমস জানান, এর মাধ্যমে আলোচনায় বসার পথ সৃষ্টি হয়েছে। সচরাচর এমনটা না হলেও এর মাধ্যমে উভয়পক্ষ দর কষাকষি করতে পারে। কেবল এই পদ্ধতিতেই ব্যবসায়িক চুক্তিগুলো করা সম্ভব।

গুগল ও ফেসবুকের এমন অবস্থানকে আশঙ্কাজনক বলে মনে করেন লেবার পার্টির শ্যাডো মিনিস্টার মিশেল রাউল্যান্ড।

‘কোটি কোটি ব্যবহারকারীকে সমস্যায় না ফেলে কেন গণমাধ্যমের পাশা দাঁড়ানো গেল না, ট্রেজারার জোশ ফ্রাইডেনবার্গ এবং যোগাযোগ মন্ত্রী পল ফ্লেচারকে অবশ্যই এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে হবে।’

সার্চ রেজাল্টে আসা সংবাদ কন্টেন্টের জন্য গুগল যখন ৩০০টি ফ্রেঞ্চ প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হলো, সেদিনই অস্ট্রেলিয়ার ক্ষেত্রে এমন ঘোষণা দিল প্রতিষ্ঠানটি।

এদিকে, প্রতি তিনজনে একজন অস্ট্রেলিয়ান সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের নিউজ ফিডে সংবাদ প্রতিবেদন দেখতে চান বলে শুক্রবার প্রকাশিত এক জরিপে উঠে এসেছে।

এই জরিপে অংশগ্রহণকারীদের ৭৫ শতাংশ মনে করেন বেনামী অ্যাকাউন্টগুলো বন্ধ করে দেয়া উচিত।

বুধবার, ২০ জানুয়ারি, ২০২১

দক্ষ কারিগর গড়তে স্কিল বেসড কোর্স করাবে ‘বি এ ফ্রিল্যান্সার’

দক্ষ কারিগর গড়তে স্কিল বেসড কোর্স করাবে ‘বি এ ফ্রিল্যান্সার’

 

কারিগরি দক্ষতা ছাড়া সামনের পথ কারও জন্যই সুখকর হবে না। বিগত বছরে চাকরি হারানো মানুষের গল্প আমরা সবাই জানি, নতুনদের জন্য এটি যেন আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে আগামীতে। ফলশ্রুতিতে নিজের স্কিল ডেভেলপ করাই একমাত্র উপায়। আর তাই দেশের দক্ষ কারিগর গড়তে স্কিল বেসড ফ্রিল্যান্সিং কোর্স উন্মুক্ত করেছে ‘বি এ ফ্রিল্যান্সার’

‘নিজেকে দক্ষ করে গড়ে তোলার দারুণ সুযোগ’ শিরোনামে ফ্রিল্যান্সিং কোর্সগুলো নামমাত্র মূল্যে স্থান পেয়েছে তাদের ওয়েবসাইটে। এই অনলাইন লার্নিং প্ল্যাটফর্ম থেকে কোর্স কিনে বাসায় বসেই ফ্রিল্যান্সিং শিখতে পারবেন আগ্রহীরা।

প্রতিটি কোর্সের মেন্টরদের আলাদা সিক্রেট ফেসবুক গ্রুপ আছে, যেগুলোতে সবার সমস্যার সমাধান তাৎক্ষণিক করা হয়ে থাকে। মাসে দুটি করে লাইভ প্রব্লেম সলভিং ক্লাসও পাচ্ছেন শিক্ষার্থীরা।

এছাড়া ‘বিফ্রিল্যান্সার কমিউনিটি ক্লাব’ নামে ফেসবুক গ্রুপের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা ফ্রিল্যান্সিং পরামর্শগুলো প্রতিনিয়ত শেয়ার করে যাচ্ছে। বিস্তারিত জানা যাবে (Website: https://befreelancer.net/) এ ওয়েবসাইট থেকে।


শুক্রবার, ১৫ জানুয়ারি, ২০২১

যেসব নতুন ফিচার নিয়ে এসেছে লুডু কিং গেম

যেসব নতুন ফিচার নিয়ে এসেছে লুডু কিং গেম

 

এবার আরও আকর্ষণীয় হয়ে উঠল লুডু কিং গেম। কুইক লুডু ও সিক্স প্লেয়ার মোড নামে দু'টি ফিচার এসেছে এই গেমে। এর ফলে চারজনের জায়গায় ছয়জন মিলে একসঙ্গে খেলতে পারবেন। পাশাপাশি পাওয়া যাবে ভয়েস চ্যাটের সুবিধাও। একই সঙ্গে মাত্র পাঁচ মিনিটেই এক রাউন্ড লুডু খেলা হয়ে যাবে।

সম্প্রতি গেমেশন টেকনোলজিস পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, এবার আরো দু'টি নতুন ফিচার যুক্ত হতে চলেছে লুডু কিং গেমে। প্রথমটি হল মোড। এই মোডের সাহায্যে গেম খেলার সময় কমে যাবে।

এক্ষেত্রে ক্লাসিক লুডু গেম বা সাধারণ লুডু গেম খেলতে প্রায় ১৫ থেকে ৪০ মিনিট পর্যন্ত সময় লাগে। কিন্তু কুইক লুডু মোডের সাহায্যে মাত্র পাঁচ মিনিটেই এক রাউন্ড লুডু খেলা হয়ে যাবে।

এবার আসা যাক ফাইভ টু সিক্স প্লেয়ার মোড ফিচারে। নামেই বোঝা যাচ্ছে এই ফিচারের কাজ। এক্ষেত্রে একসঙ্গে ছয়জন প্লেয়ার একে অন্যের সঙ্গে লুডু খেলতে পারবেন। এতদিন পর্যন্ত অফলাইনে কার্যকর ছিল এই সিক্স প্লেয়ার মোড।

এবার থেকে চার জনের জায়গায় অনলাইনে একসঙ্গে ছয়জন মিলে খেলতে পারবেন। অনলাইনেই একে অন্যের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে পারবেন ছয়জন খেলোয়াড়। আর এই মোডেই ভয়েস চ্যাটের সুবিধা পাওয়া যাবে। ভয়েস চ্যাট অপশনের মাধ্যমে খেলা চলাকালীন একে অন্যের সঙ্গে কথা বলার পাশাপাশি ঠাট্টা-তামাশা করতেন পারবেন তারা।

লুডুর ডিজিটাল ভার্সন লুডু কিং গেম ইতিমধ্যেই ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করেছে। তবে মহামারির বছরে অর্থাৎ ২০২০ সালে উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে এই গেমের ডাউনলোড। সংক্রমণের ভয়ে এতদিন গৃহবন্দী ছিল মানুষজন। আর এই সুবাদে বাড়ি বসে ফোনে লুডু খেলার পরিমাণও বেড়েছে।

গত নয় মাসে গড়ে ১৫ মিলিয়ন থেকে ৩২ মিলিয়ন পর্যন্ত বেড়েছে এই গেম ব্যবহারকারীর সংখ্যা। এক্ষেত্রে মোট ব্যবহারকারীর সংখ্যা ১১০ মিলিয়ন থেকে ১৪২ মিলিয়নে পৌঁছেছে। প্রস্তুতকারী সংস্থার মতে, ২০২০ সালের ডিসেম্বর মাসে বিশ্বজুড়ে সব মিলিয়ে ৫০০ মিলিয়ন ডাউনলোডের মাইলস্টোন পেরিয়েছে এই গেম।

উল্লেখ্য, বর্তমানে প্রায় ৩০টি দেশে ও ১৪টি ভাষায় কার্যকর রয়েছে এই লুডু কিং গেম। এক্ষেত্রে গুগল প্লে স্টোর, অ্যাপ স্টোর ও উইন্ডোস ভার্সনে রয়েছে এই গেম।

মঙ্গলবার, ১২ জানুয়ারি, ২০২১

২০২১ সালে প্রযুক্তি দুনিয়া কাঁপাবে যেসব উদ্ভাবন

২০২১ সালে প্রযুক্তি দুনিয়া কাঁপাবে যেসব উদ্ভাবন

 

ড. মশিউর রহমান

নতুন বছরের শুরুতে নতুন করে সব কিছু পর্যালোচনা করে দেখার সুযোগ হয়। তেমনই এ বছর যে প্রযুক্তিগুলো আলোচিত হবে এবং ভূমিকা রাখবে; তারই একটি তালিকা তৈরি করার প্রয়াস করলাম। কোভিডের কারণে বেশ কিছু প্রযুক্তি গত বছর ভূমিকা রেখেছিল। বরাবরের মতো নতুন বছরের শুরুতে সিট বেল্টটি শক্ত করে আটকে নিন। চলুন প্রযুক্তির জগতে একটু ড্রাইভ দিয়ে ঘুরে আসি-

এডজ কম্পিউটিং: ডিভাইসের উপরেই ব্যবহারকারীদের আরও কাছে কম্পিউটিং। তথ্যের প্রোসেস আরও দ্রুত করার অত্যাধুনিক একটি উপায়। গত কয়েক বছর ধরেই ইন্টারনেট অব থিংগের কারণে ডিভাইসের উপরেই আরও বেশি তথ্যকে প্রোসেস করার প্রয়োজন হয়ে পড়ছিল। এই এডজ কম্পিউটিং সেই কাজগুলো আরও সহজতর করে ফেলেছে।

jagonews24

সনাতন পদ্ধতিতে যেখানে ডিভাইস থেকে সার্ভারে প্রতিনিয়ত যোগাযোগ করার প্রয়োজন হয়ে পড়ে; সেখানে এই এডজ কম্পিউটিং ব্যাপারটি আরও দ্রুত সম্পন্ন করে। যেখানে প্রতিনিয়ত সার্ভারের সাথে যোগাযোগের প্রয়োজন নেই। একটি কম্পিউটিং বা কোনো কাজ শেষ হয়ে যাওয়ার পর তথ্যকে পরিশেষে পাঠানো হয়। এ এডজ কম্পিউটিংয়ের ব্যবহার আমরা ২০২১ সালে আরও বেশি দেখতে পাবো।

ফাইভ-জি মোবাইল নেটওয়ার্ক: এটি ৫ম প্রজন্মের নতুন ধরনের একটি মোবাইল নেটওয়ার্ক। ২০২০ সাল থেকে অনেক দেশে এটি পরীক্ষামূলকভাবে শুরু হলেও আমরা এ বছরে এর বিস্তার দেখতে পাবো। এ সংযোগে ল্যাটেন্সি খুব কম এবং ডাটা ট্রান্সফার দ্রুত হয়। ফলে ৮কে রেজ্যুলেশনের ভিডিওগুলো বাফার ছাড়াই মোবাইলে উপভোগ করতে পারবেন। ৫জি নেটওয়ার্কের ডাউনলোড স্পিড ৪জি নেটওয়ার্কের থেকে ১০০ গুণ বেশি। ডাউনলোড স্পিড ১০০০ এমবিপিএস থেকে ১০ গিগাবাইট হতে পারে। যদি অনলাইন গেমার হন; তবে ৫জিতে দ্রুত গেম খেলতে পারবেন। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা কমে যাবে।jagonews24

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বলতে কোনো যন্ত্রের নিজস্ব বুদ্ধি বা চিন্তাশক্তির ক্ষমতা। মানুষ ও পশু-পাখির মধ্যে যে চিন্তা করার ক্ষমতা দেখতে পাই, একটি যন্ত্রের সেই চিন্তা করার সক্ষমতা। ফলে যন্ত্রটি নিজেই নিজের মত চিন্তা করে সিদ্ধান্ত নিতে পারবে। যদিও অনেকই এ প্রযুক্তিকে মানবজাতির জন্য হুমকি হিসাবে মনে করে। তবে মনে রাখতে হবে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা শুধু তথ্যভিত্তিক রুটিন কাজগুলোর ক্ষেত্রে মানুষের কাজগুলোকে সহজ করে তুলতে পারে। মানুষের মত ডায়নামিকভাবে সব কিছু এ বুদ্ধিমত্তা দিয়ে করা সম্ভব নয়। সামনের বছরগুলোয় এর ব্যাপক প্রয়োগ দেখতে পাবো। বিশেষ করে স্বাস্থসেবা, ব্যাংকিং, খুচরা বিক্রি, মেনুফ্যাকচারিংয়ে আরও প্রয়োগ দেখতে পাবো।jagonews24

ইন্টেলিজেন্ট অ্যাপস: মোবাইলের জগতে এক নতুন অধ্যায় শুরু হতে যাচ্ছে, যাকে আমরা বলছি বুদ্ধিমান অ্যাপস। যেসব মোবাইল অ্যাপস কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সংযুক্ত থাকছে; সেগুলোকেই বলছি বুদ্ধিমান অ্যাপস। এসব অ্যাপস মোবইলের তথ্যগুলো ব্যবহার করে ভালো সার্ভিস দিচ্ছে। দেখতে খুব সাধারণ মনে হলেও এ অ্যাপগুলোর পেছনে আছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মত অত্যাধুনিক প্রযুক্তি। খুব সাধারণ সুইফট কি-বোর্ড, যা দ্রুত মোবাইলে টাইপ করতে ব্যবহার করি; তা একটি ইন্টেলিজেন্ট অ্যাপস। কিংবা যখন কোনো সাইটের সাপোর্ট বটের সাথে সাপোর্ট সংক্রান্ত কোনো কথোপথন করছেন; তখন কিন্তু কোনো মানুষ এর উত্তর দিচ্ছে না। একটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সমস্যাটির সম্ভাব্য উত্তর তার ডাটাবেস থেকে খোঁজ করে আপনাকে জানাচ্ছে। আপনি মোবাইলে যে সিরি বা গুগল অ্যাসিস্টেন্ট-এর সাথে কথা বলছেন, তা-ও কিন্তু বুদ্ধিমান অ্যাপস। এ বছরে এ ধরনের আরও স্মার্ট অ্যাপস দেখতে পাবো।

jagonews24

নিরাপদ ইন্টারনেট: বর্তমানে যে ইন্টারনেট ব্যবহার করছি, তা কিন্তু সম্পূর্ণ নিরাপদ নয়। একে নিরাপদ করার জন্য বিভিন্ন ধরনের এনক্রিপশন প্রযুক্তি ব্যবহার করছি। যা শেষ পর্যন্ত একেবারেই নিশ্ছিদ্র নয়। হয়তো বা তা ক্রাক বা হ্যাক করতে অনেক সময়ের প্রয়োজন কিন্তু একেবারেই অসম্ভব নয়। কিন্তু একেবারেই হ্যাক করা যাবে না এমন ইন্টারনেট তৈরি করছেন বিজ্ঞানীরা। কোয়ান্টাম প্রযুক্তি ব্যবহার করে এমন ইন্টারনেট তৈরির কাজ হচ্ছে। সাধারণত যখন তথ্য আদান-প্রদান করি; তখন ইলেকট্রন ব্যবহার করি। কিন্তু কোয়ান্টাম প্রযুক্তিতে ইলেকট্রনের পরিবর্তে প্রোটন ব্যবহৃত হবে। এর মধ্যে তথ্যকে সংযুক্ত করে প্রেরণ করা হবে। যা হ্যাক করা যাবে না। গত কয়েক বছর ধরে পরীক্ষাগারে এ ধরনের ইন্টারনেট তৈরি হলেও এ বছর এ নতুন ধরনের নিরাপদ ইন্টারনেটের বাণিজ্যিক প্রয়োগ দেখতে পাবো।

jagonews24

ডিজিটাল হেলথকেয়ার: কোভিডের কারণে দেখতে পেয়েছি তথ্যপ্রযুক্তি বর্তমান স্বাস্থ্যসেবায় ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়েছে। এ সংক্রান্ত প্রযুক্তিগুলো হলো- টেলিমেডিসিন, ডিজিটাল মেডিসিন, ভার্চুয়াল ডাক্তার, ভার্চুয়াল রোগী ইত্যাদি। সংক্রমণ ও নিরাপত্তার ভয় আছে, পরিবহন করে যাওয়া কঠিন- সেই ক্ষেত্রে দেখেছি কীভাবে এ ডিজিটাল প্রযুক্তিগুলো স্বাস্থ্যসেবাকে আমাদের ঘরে পৌঁছে দেয়। এ বছর এর আরও প্রয়োগ দেখতে পাবো। শুধু জরুরি প্রয়োজনেই নয়, সাধারণ স্বাস্থ্যসেবার মধ্যেই এটি জায়গা করে নেবে। এগুলো ছাড়াও অনলাইন ভিত্তিক কাজ ও শিক্ষার প্রসারের কারণে নতুন নতুন প্রযুক্তি ও প্লাটফর্ম এ বছর দেখতে পাবো বলে আশা করি।

jagonews24

লেখক: ডিজিটাল হেলথকেয়ার এক্সপার্ট। বর্তমানে ওমরন হেল্থকেয়ার জাপানে কর্মরত। পেশাগত কাজের পাশাপাশি বাংলা ভাষার বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির পোর্টাল ‘বিজ্ঞানী ডট ওআরজি’র প্রতিষ্ঠাতা।

তথ্যসূত্র:
১. কম্পিউটার ডট ওআরজি
২. জিএসসিআইটি সলিউশন্স ডটকম
৩. ডেলাওয়্যার কনসাল্টিং ডটকম
৪. ইনভেস্টোপিডিয়া ডটকম
৫. দ্য ভার্জ ডটকম
৬. কোয়ালকম ডটকম

রবিবার, ১০ জানুয়ারি, ২০২১

২০২০ সালে বাংলাদেশে রেকর্ড সংখ্যক ইমোর ব্যবহার

২০২০ সালে বাংলাদেশে রেকর্ড সংখ্যক ইমোর ব্যবহার

 

অনলাইন যোগাযোগে গত বছর রেকর্ড সংখ্যক ছুঁয়েছে বাংলাদেশিদের ইমোর ব্যবহার। এ সময় বাংলাদেশি ইমো ব্যবহারকারীরা প্রায় ৯৬০ কোটি মেসেজ এবং ২৬০ কোটি অডিও ও ভিডিও কল করেছে। যেখানে ২০১৯ সালের তুলনায় ৮ দশমিক ২ শতাংশ মেসেজে এবং ৭ দশমিক ৮ শতাংশ অডিও ও ভিডিও কল বৃদ্ধি পেয়েছে।

রোববার (১০ জানুয়ারি) ২০২০ সাল নিয়ে ইমোর প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা যায়।

এতে আরও বলা হয়েছে, গত বছর ইমোর মাধ্যমে প্রত্যেক বাংলাদেশি গড়ে প্রায় ৭৫৩ বার মেসেজ বা কল করেছে। এরমধ্যে মোট মেসেজের ৩১ শতাংশ অর্থাৎ ৩০০ কোটি মেসেজ এবং মোট কলের ৫৮ শতাংশ অর্থাৎ ১৫০ কোটি কল ছিল আন্তর্জাতিক। যা বাংলাদেশে বসবাসকারীদের সঙ্গে দেশের বাইরে থাকা বিপুল পরিমাণ প্রবাসীদের যোগাযোগের ব্যাপারটি নির্দেশ করে।

বাংলাদেশি ইমো ব্যবহারকারীদের আন্তর্জাতিক কল সর্বোচ্চ যেসব দেশে গিয়েছে তারমধ্যে পাঁচটি দেশ হলো- সৌদি আরব, ওমান, মালয়েশিয়া, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং কাতার। গত বছরের মে মাসে ইমো আন্তর্জাতিক পর্যায়ে করোনা মোকাবিলায় পাঁচটি বিশেষ হটলাইন নম্বর বাংলাদেশের তথ্য, যোগাযোগ ও প্রযুক্তি অধিদফতরের জন্য বরাদ্দ করেছিল। যাতে বিদেশে অবস্থানরত প্রবাসীরা ওই নম্বরগুলোতে যোগাযোগ করতে পারেন।

বাংলাদেশিদের মাঝে অনলাইনের মাধ্যমে যোগাযোগ করার প্রবণতা অন্য যেকোনো বছরের তুলনায় ২০২০ সালে বেশি ছিল। এ বছরে প্রায় ১৩ কোটি গ্রুপ কল এবং ২০২০ সালে যাত্রা শুরু করা ইমো’র ইন্টারেকশন ফিচার প্লে-টুগেদারের মাধ্যমে ১২ দশমিক ৮ কোটি ভার্চুয়াল পার্টি রুম তৈরি হয়েছে।
এছাড়া সহজভাবে ব্যবহারযোগ্য এবং ইন্টারেক্টিভ মাধ্যম হওয়ার পাশাপাশি অনলাইন কমিউনিকেশনের
জন্য ইমো আরও সহজলভ্য এবং স্বাচ্ছন্দ্যে ব্যবহার উপযোগী প্ল্যাটফর্ম তৈরি অব্যাহত রাখবে।

বাজারের সেরা প্রযুক্তি এবং স্থানীয় কমিউনিকেশন প্রযুক্তি নিয়ে ইমো ইন্টারনেট স্বল্পতা সত্ত্বেও ডাটা সক্ষমতার মাধ্যমে ইউজারদের জন্য কলের সুবিধা বাস্তবায়িত করতে পেরেছে। বাংলাদেশি ব্যবহারকারীদের জন্য ২০২০ সালে ইমো ভিডিও ও অডিও কলে প্রায় ১৫০ মিলিয়ন গিগাবাইট ডাটা বাঁচিয়েছে, যার মূল্য প্রায় ১৪৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

ইমো’র ভাইস প্রেসিডেন্ট ক্রিস হিউ বলেন, গত বছরের কঠিন সময়ে বাংলাদেশের বিপুল সংখ্যক মানুষ দেশে এবং দেশের বাইরের প্রিয়জনের সঙ্গে প্রিয় মুহূর্তগুলো ইমো’তে ভাগাভাগি করে নেয়ায় আমরা গর্ববোধ করছি। ২০২১ সালে আমরা নতুন কিছু প্রত্যাশা করি এবং ইমো বাংলাদেশে নতুন নতুন উদ্ভাবনের মাধ্যমে স্থানীয় সুযোগ-সুবিধা এবং নিরাপদ প্রোডাক্ট ও সার্ভিস অব্যাহত রাখবে।

শনিবার, ৯ জানুয়ারি, ২০২১

দেশের বাজারে এলো অপো রেনো-৫

দেশের বাজারে এলো অপো রেনো-৫

 

বাংলাদেশের বাজারে অপো নিয়ে এসেছে জনপ্রিয় রেনো সিরিজের নতুন স্মার্টফোন ‘অপো রেনো-৫’। ৩৫ হাজার ৯৯০ টাকা বাজারমূল্যের ফোনটিতে ৬৪ মেগাপিক্সেলের কোয়াডক্যাম ম্যাট্রিক্সের সাথে থাকছে এআই মিক্সড পোর্টেট এবং ডুয়াল-ভিউ ভিডিও মোড।

শনিবার (৯ জানুয়ারি) একটি জাকজমকপূর্ণ অনলাইন ইভেন্টের মধ্যে দিয়ে গ্লোবাল স্মার্ট ডিভাইজ ব্র্যান্ড অপো তাদের পণ্যটি বাজারে এনেছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে রেনো-৫ এর প্রোডাক্ট অ্যাম্বাসেডর হিসেবে বিশিষ্ট মডেল ও অভিনেত্রী সাবিলা নূর উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন অপো বাংলাদেশ এইডি’র ব্র্যান্ড ম্যানেজার, উইদার এবং পাবলিক রিলেশন ও কমিউনিকেশন ম্যানেজার জোশিতা সানজানা রিজভান।

অপো রেনো-৫ এ আছে ৬৪ মেগাপিক্সেলের কোয়াড রিয়ার ক্যামেরা। এতে আরও আছে ৮ মেগাপিক্সেলের আল্ট্রা-ওয়াইড-অ্যাঙ্গেল ক্যামেরা, একটি ম্যাক্রো ক্যামেরা এবং একটি মনো লেন্স। এছাড়া এর ক্রিস্টাল ক্লিয়ার ৪৪ মেগাপিক্সেলের ফ্রন্ট ক্যামেরায় ব্যবহারকারীদের সেলফি তোলার অভিজ্ঞতা হবে আরও অনন্য।

অপোর উন্নত এইচডিআর অ্যালগরিদম, এআই হাইলাইট ভিডিও সহ চমৎকার আল্ট্রা নাইট ভিডিও অ্যালগরিদম এবং এআই হাইলাইট ভিডিও নিজে থেকে উজ্জ্বলতা ও ডিটেইলসের ভিডিও করতে সাহায্য করবে। ফুল ডাইমেনশন ফিউশন (এফডিএফ) পোর্ট্রেট ভিডিও সিস্টেম এবং এআই হাইলাইট ভিডিও তরুণ প্রজন্মকে অধিক ডিটেইলসে ছবি এবং ভিডিও ধারণে সাহায্য করবে।

সম্পূর্ণ কম্প্যাক্ট ফর্ম ফ্যাক্টরে (ফ্যান্টাসি সিলভারের) রেনো-৫ ফোনটি মাত্র ৭.৮ মিমি এবং ওজনে মাত্র ১৭১ গ্রাম। রেনো-৫ এর প্রাণবন্ত ও প্রিমিয়াম ডিজাইনে চকচকে পেছনের প্যানেলেটি দেখতে অনেকটা মিল্কিওয়ের মতো এবং এতে আলোর অসাধারণ প্রতিফলনে ব্যবহারকারীদের হাতে এনে দিবে সম্পূর্ণ ছায়াপথ।

রেনো-৫ এ আছে ৫০ ওয়াট ফ্ল্যাশ চার্জ, যা ফোনটির ৪ হাজার ৩১০ মিলিঅ্যাম্পিয়ারের ব্যাটারির ৮০ শতাংশ মাত্র ৩১ মিনিটে চার্জ করতে পারবে। রেনো-৫ এর বিশাল ৬.৪-ইঞ্চি ৯০ হার্টজের অ্যামোলেড ডিসপ্লের স্ক্রিন-টু-বডি রেশিও ৯১.৭ শতাংশ। ৮ ন্যানোমিটারের স্ন্যাপড্রাগন ৭২০জি চিপসেট, ৮ গিগাবাইট র্যাম ও ১২৮ গিগাবাইট স্টোরেজের এই ফোনটি প্রযুক্তিপ্রেমীদের দিবে চমৎকার স্মার্টফোন অভিজ্ঞতা। ফোনটি অ্যান্ড্রয়েড ১১ ওপর ভিত্তি করে কালারওএস ১১.১ এ চলে, যা স্মার্টফোনটি আর সহজে ব্যবহারে সাহায্য করবে।

অনুষ্ঠানে অপো বাংলাদেশ এইডি’র পাবলিক রিলেশন ও কমিউনিকেশন ম্যানেজার জোশিতা সানজানা রিজভান বলেন, অপোতে আমরা ‘টেকনোলজি ফর দ্য ম্যানকাইন্ড, কাইন্ডনেস ফর দ্য ওয়ার্ল্ডে’ বিশ্বাস করি এবং আমরা এই অনুপ্রেরণা থেকেই এই শিল্পে গুরুত্বপূর্ণ উদ্ভাবন নিয়ে আসছি। আমাদের অনন্য ইমেজিং ফিচারসমূহ ‘পিকচার লাইফ টুগেদারে’ সবাইকে উত্সাহিত করবে এবং স্মার্টফোন ফটোগ্রাফিকে সবার জন্যে আগের চেয়ে সহজ করে তুলছে।

বুধবার, ৬ জানুয়ারি, ২০২১

হোয়াটসঅ্যাপের ‘ভুয়া মেসেজ’ চেনার ৫ উপায়

হোয়াটসঅ্যাপের ‘ভুয়া মেসেজ’ চেনার ৫ উপায়

 

হোয়াটসঅ্যাপে প্রায়ই আমরা ভুয়া কিছু মেসেজ পেয়ে থাকি। ভুয়া মেসেজ বলতে, পরিচিত বা অপরিচিত কারো কাছ থেকে অপ্রয়োজনীয় টেক্সট, লিংক, অডিও বা ভিডিও পাওয়া যায়। ফোনের ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষার ক্ষেত্রে এসব ভুয়া মেসেজের নির্দেশনা না মানাই ভালো।

অনেকেই ভুয়া মেসেজগুলো চিনতে পারেন না। দেখা যায়, আপনি পরিচিত কারো মাধ্যমেই একটি ভুয়া মেসেজ পেলেন; তখন সেটি আপনাকে বিভ্রান্ত করতে পারে। কয়েকটি টিপস রয়েছে যেগুলোর মাধ্যমে আপনি জানতে পারবেন, হোয়াটসঅ্যাপে আসা মেসেজটি ভুয়া না-কি আসল-

>> ভুয়া বা ভুল তথ্য শনাক্তকরণের জন্য প্রথমেই দেখবেন, হোয়াটসঅ্যাপে আসা মেসেজটির পাশে ‘ফরওয়ার্ড’র চিহ্নটি আছে কি-না। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ভুয়া মেসেজগুলো ফরওয়ার্ড হয়ে বিভিন্ন মানুষের মেসেজে আসে।

>> ফরোয়ার্ড করা মেসেজগুলো যিনি সেন্ট করেন, তিনি কিন্তু লেখেন না। ওই ব্যক্তিও হয়তো অন্য কারো কাছ থেকে ফরওয়ার্ডকৃত মেসেজটি পেয়েছেন। পরবর্তীতে হয়তো তিনি মেসেজটি আপনাকে পাঠিয়েছেন। তাই পরিচিতজনের কাছ থেকেও যদি এমন ফরওয়ার্ডকৃত মেসেজ পেয়ে থাকেন, তবে তার সত্যতা জানুন আগে।

jagonews24

>> ফরোয়ার্ড লেবেলযুক্ত বার্তাগুলোর অর্থ কী? যখন কোনো বার্তা এক ব্যবহারকারী থেকে অন্য ৫ বারেরও বেশিবার পাঠানো হয়, তখন মেসেজটির পাশে একটি ডাবল তীর আইকন থাকে। এমনটি দেখলে দ্রুত মেসেজটির সত্যতা বিশ্বস্ত মাধ্যম থেকে জানার চেষ্টা করুন।

>> ফরোয়ার্ড করা ফটো এবং মিডিয়া সাবধানতার সঙ্গে চেক করুন। অনেক সময় হোয়াটসঅ্যাপে আসা এসব ফটো, অডিও রেকর্ডিং এবং ভিডিওগুলো আপনাকে বিভ্রান্ত করতে পারে।

>> অনেক সময় ভুয়া মেসেজগুলোতে দেখবেন, বানান ভুল বা অনেক অক্ষর থাকতে পারে। যেগুলো কোনো অর্থ প্রকাশ করে না ঠিকই, কিন্তু ওই লেখাগুলো হাইপারলিংক করা থাকায় ট্যাপ করলেই আপনি অন্য একটি পেইজে ঢুকে যাবেন। কিছু ক্ষেত্রে দেখা যায়, সেখানে একটি ফরমে আপনার নাম, ঠিকানা, ফোন নম্বর, ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নম্বর, ক্রেডিট কার্ডের নম্বর বা পাসপোর্টের নম্বর চাইতে পারে। ভুলেও এসব তথ্য কোনো পেজে যুক্ত করবেন না। এগুলো হ্যাকারদের কাজ।

jagonews24

যেভাবে ভুয়া মেসেজের সত্যতা যাচাই করবেন-

গতবছর থেকে হোয়াটসঅ্যাপ তার সর্বশেষ আপডেটেড ভার্সনের একটি বৈশিষ্ট্য যুক্ত করেছে। যার মাধ্যমে ভুয়া মেসেজের সত্যতা যাচাই করা যাবে। এক্ষেত্রে ব্যবহারকারী বার্তার ঠিক পাশে থাকা অনুসন্ধান আইকনটি নির্বাচন করে ফরওয়ার্ড করা বার্তাটি যাচাই করতে পারবেন।

আপনি যখন অনুসন্ধান বারে ক্লিক করবেন; তখন আপনি নিজের বার্তা গুগলে অনুসন্ধান করতে চান কি-না, সেটি জিজ্ঞাসা করবে। আপনি যদি হ্যাঁ নির্বাচন করেন, তখন আপনাকে সার্চ ইঞ্জিন অন্য একটি পৃষ্ঠায় নিয়ে যাবে। যা আপনার বার্তাটি সত্য বা মিথ্যা কি-না তা নিশ্চিত করবে।

মঙ্গলবার, ৫ জানুয়ারি, ২০২১

হোয়াটসঅ্যাপে ‘ভুয়া মেসেজ’ এলে কী করবেন?

হোয়াটসঅ্যাপে ‘ভুয়া মেসেজ’ এলে কী করবেন?

 

হোয়াটসঅ্যাপে বিভিন্ন নম্বর থেকে ভুয়া মেসেজ সবার ফোনে কম-বেশি আসে। অনেকে আবার কৌতূহলবশত ভুয়া ওইসব মেসেজে পাঠানো ছবি, লিংক বা ভিডিওতে ঢুকে থাকেন। এগুলো কিন্তু হ্যাকারদের কাজ। তাই ফোনের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য রক্ষায় এসব অজানা লিংকে প্রবেশ না করাই ভালো।


শুধু আপনি নন, বিশ্বের অনেকেই এমন অদ্ভুত সব ভুয়া মেসেজ হোয়াটসঅ্যাপে পেয়ে থাকেন। বিশেষ করে করোনার এ সময়ে অনেকেই তাদের হোয়াটসঅ্যাপে বিভ্রান্তিকর নানা মেসেজ পেয়েছেন। স্বাস্থ্যগত বিভিন্ন পরামর্শ দিয়ে ওইসব মেসেজ পাঠানো হয়। যেগুলো অনুসরণ করলে স্বাস্থ্যঝুঁক বাড়তে পারে।

ওয়াবেটা ইনফোর তথ্যমতে, আপনার কোনো পরিচিত নম্বর থেকে একটি মেসেজ পাঠানো হতে পারে। যেটি অদ্ভুত বর্ণ ব্যবহার করে লেখা। আপনি সেগুলো সম্পূর্ণ পড়লেও ওই মেসেজের কোনো অর্থই বুঝতে পারবেন না। আবার দেখবেন এমন মেসেজ সবাই পরিচিতজনদের হোয়াটসঅ্যাপে ফরওয়ার্ড করছেন। এতে আপনি নিজেরও যেমন ক্ষতি করছেন; তেমন অন্যেরও বড় ক্ষতি করতে যাচ্ছেন।

অনেক সময় হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজগুলো সম্পূর্ণরূপে রেন্ডার করতে সক্ষম হয় না। কারণ এদের স্ট্রাকচার সম্পূর্ণ অদ্ভুত। মেসেজগুলোর সংমিশ্রণ এমন একটি পরিস্থিতি তৈরি করে, যে কারণে হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজটি প্রসেস করতে পারে না। ফলে আপনার ফোন থেকে অ্যাপটি সম্পূর্ণরূপে ক্র্যাশ হয়ে যেতে পারে।


বর্তমানে হোয়াটঅ্যাপ হ্যাকিং করে তথ্য চুরির ঘটনা অহরহই ঘটছে। রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, মেসেজগুলো অনেকসময় ভার্চুয়াল কার্ড বা ভিকার্ড রূপেও পাঠানো হতে পারে। ওয়াবেট ইনফো আরও জানিয়েছে, আপনি যদি এ ভার্চুয়াল কার্ড মেসেজটি খোলেন, আপনি দেখতে পাবেন যে প্রায় ১০০টি অ্যাসোসিয়েট কন্টাক্ট থাকবে।


প্রতিটি কন্টাক্টের নাম খুব দীর্ঘ এবং অদ্ভুত হবে। এর মধ্যে ক্র্যাশ কোডটি লুকানো থাকে। কখনো ভার্চুয়াল কার্ডগুলোকে এডিট করে পেলোড ইনজেক্টেড করে দেওয়া হয়। যা সমস্যাটিকে আরও গুরুতর করে তোলে।


যেভাবে রক্ষা পাবেন

>> কখনো যদি আপনার হোয়াটসঅ্যাপে অনেক স্পেশাল ক্যারেক্টর ব্যবহৃত কোনো ভুয়া মেসেজ এসে থাকে, তাহলে চেষ্টা করুন হোয়াটসঅ্যাপ ওয়েবের মাধ্যমে সেই কন্টাক্টটিকে ব্লক করতে। আর সব সময় অপরিচিত নম্বর থেকে আসা মেসেজ এড়িয়ে চলুন।


>> পরিচিত কাউকে মেসেজ ফরওয়ার্ড করার আগে অবশ্যই তা সঠিক কি-না যাচাই করুন। ফরওয়ার্ড করার আগে অবশ্যই মেসেজটি সম্পর্কে গুগল করে জানার চেষ্টা করুন। আসলেই সেটির সত্যতা রয়েছে কি-না। অযথা কোনো মেসেজ পরিচিতজনকে ফরওয়ার্ড করে নিজের সম্মানহানী করবেন না। বিশেষ করে ফেক নিউজ ফরওয়ার্ড করা থেকে বিরত থাকুন।


>> হোয়াটসঅ্যাপে আপনার গোপনীয়তা রক্ষা করুন। হোয়াটসঅ্যাপ সম্প্রতি একটি নতুন গোপনীয়তা সেটিংস যুক্ত করেছে, তা মেনে চলুন। হোয়াটসঅ্যাপে খোলা বিভিন্ন গ্রুপে যাতে আপনার নম্বরটি যুক্ত না থাকে, তা খেয়াল রাখুন। এতে আপনার নম্বরটি অনেকেই জানতে পারবেন এবং হ্যাকিংয়ের ঝুঁকিও রয়েছে।


>> ভুয়া মেসেজে বিভিন্ন ছবি, অডিও ও ভিডিও দিয়ে আপনাকে বিভ্রান্ত করা হতে পারে। এজন্য সেসব ছবি বা ভিডিওর সত্যতা যাচাই করতে গুগলে সার্চ দিয়ে সঠিক তথ্য জানুন।


তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ছয় মাস আগের তুলনায় বর্তমানে অনেকটাই কমেছে ভুয়া মেসেজ পাওয়ার ঘটনা। ভুয়া তথ্য বিশ্লেষক মারিয়ানা স্প্রিং বলেন, কয়েক মাস আগেও ভুয়া মেসেজ ভাইরাল হওয়ার ঘটনা ছিল অগণিত। এখন ৭০ শতাংশ পর্যন্ত তা কমেছে। কারণ এখন মানুষ এসব ফেক তথ্য মানতে বা অন্যকে জানাতে আগ্রহী নন। যেকোনো কিছু বিশ্বাস করার আগে তারা দ্বিতীয়বার ভাবছেন।

বুধবার, ৩০ ডিসেম্বর, ২০২০

আপনার মোবাইলটি আসল না নকল বুঝবেন যেভাবে

আপনার মোবাইলটি আসল না নকল বুঝবেন যেভাবে

 

এখন বাজারে অবৈধ মোবাইল যত্রতত্র পাওয়া যাচ্ছে। তাই এ নিয়ে নতুন মোবাইল ক্রেতারা চিন্তিত। তবে অবৈধ পথে দেশে আসা, ক্লোন বা চুরি করা হ্যান্ডসেটের দিন শেষ হতে যাচ্ছে।

চালু হতে যাচ্ছে ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেনটিটি রেজিস্টার (এনইআইআর)। ফলে অবৈধ হ্যান্ডসেট দিয়ে দেশের মোবাইল নেটওয়ার্কে আর যোগাযোগ করা যাবে না।

এনইআইআর চালুর পরে এসব মোবাইল একেবারেই কোনো মোবাইল ফোন অপারেটরের সিম চালু করা না।

ফোন অবৈধ বা নকল কি না তা দেখেতে বিটিআরসি সঠিক আইএমইআই যাচাই পদ্ধতি রয়েছে।

যে কেউ ম্যাসেজে KYD টাইপ করে স্পেস দিয়ে হ্যান্ডসেটের ১৫ ডিজিটের আইএমইআই নম্বর দিয়ে সেটি ১৬০০২ নম্বরে পাঠালে ফিরতি এসএমএসে আইএমইআই নম্বরটি বিটিআরসির ডাটাবেজে সংরক্ষিত রয়েছে কি না তা জানতে পারবেন।

বিটিআরসির ডাটাবেজে আইএমইআই নম্বর থাকলে বুঝতে হবে হ্যান্ডসেটটি বৈধ। আইএমইআই নম্বর নতুন হ্যান্ডসেটের মোড়কেই দেখা যাবে।

সে ক্ষেত্রে * # /, . ইত্যাদি বিশেষ চিহ্ন বাদে শুধু ১৫টি নম্বর নিতে হবে বিটিআরসিতে এসএমএসের জন্য।

ব্যবহার করা হ্যান্ডসেটে * # ০ ৬ # ডায়াল করেই জেনে নেয়া যায় মোবাইল ফোনে ব্যবহৃত ১৫ ডিজিটের আইএমইআই নম্বর।

তাই অবৈধ ফোন বিক্রির কাজটি আর করা যাবে না। গ্রাহকরা পাবেন আসল ফোন।

ফেসবুক মার্কেটিং হতে পারে আয়ের উৎস

ফেসবুক মার্কেটিং হতে পারে আয়ের উৎস

 এহসান ফারুকী

বর্তমান বিশ্ব ডিজিটাল-এ কথা তা আমরা সবাই কম-বেশি জানি। আর ডিজিটাল দুনিয়ায় সব কিছুই ডিজিটাল। কোনো কিছুই আর আগের মতো নেই, সবকিছুই হয়ে গেছে এখন ডিজিটাল। আর ডিজিটাল দুনিয়ার ডিজিটাল ছোঁয়াতে সবকিছুতেই এসেছে এখন আধুনিকতার ছোঁয়া।

আর সেই আধুনিকতার ছোঁয়া সবচেয়ে বেশি পরেছে ফেসবুকের উপর। আর সেই ফেসবুককে কাজে লাগিয়েই মানুষ এখন টাকা আয় করছে, ফেসবুকে মার্কেটিং করছে। জেনে নিন ফেসবুক মার্কেটিং সম্পর্কে।

হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় দুনিয়ার অন্যতম শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে একটি। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি শিক্ষার্থীই ব্রেইন যেনো আটলান্টিক মহাসাগরের মতো বিশাল আর সেই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের চিন্তাভাবনা যেনো ছিলো চীনের মহাপ্রাচীরের মতো সুবিশাল।

তেমনি, হার্ভার্ডে কম্পিউটার প্রযুক্তির প্রেমে পাগল হওয়া এক শিক্ষার্থী ছিলেন নাম তার মার্ক জুকারবার্গ। এখন আমাদের কাছে এই মার্ক জাকারবার্গ নামটি বেশ পরিচিত।

যদি ও একসময় এই মার্ক পরিচিত ছিলো শুধু তার ক্যাম্পাসের বন্ধু-বান্ধবদের মহলে। মূলত হার্ভার্ডের শিক্ষার্থীদের অনলাইনে নেটওয়ার্ক সৃষ্টির লক্ষ্যে ফেসবুকের আবিষ্কার। পরবর্তীতে এই ফেসবুক বিশ্বজুড়ে পরিচিত লাভ করে অতি দ্রুততার সাথে। হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সেই মার্ক জুকারবার্গের হাত ধরে আসা ফেসবুক এখন ব্যবসার এক বড় মাধ্যম।

ফেসবুক হচ্ছে একটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম। এর মাধ্যমে আমরা বন্ধু-বান্ধবদের সাথে যোগাযোগ করতে পারি, ছবি আদান প্রদান করতে পারি আর ও ইত্যাদি ইত্যাদি কাজ করতে পারি। ২০০৪ সালে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মার্ক জুকারবার্গের হাত ধরে এই ফেসবুক প্রতিষ্ঠিত।

ফেসবুক মার্কেটিং:
ফেসবুক মার্কেটিং এটি ডিজিটাল মার্কেটিং এর একটি অংশ। সোশ্যাল মিডিয়া গুলোর মধ্যে ফেসবুক অন্যতম শুধু অন্যতম না জনপ্রিয়তার শীর্ষে ও ফেসবুক এক নাম্বার, সোশ্যাল মিডিয়াগুলোর জনপ্রিয়তার মধ্যে ফেসবুক রয়েছে শীর্ষে। ফেসবুকের মাধ্যমে কোন প্রোডাক্ট বা সার্ভিস প্রচার করে দেয়াকেই ফেসবুক মার্কেটিং বলে।

এক কথায় ফেসবুকে যে বিজ্ঞাপন দেয়া হয় তাকেই ফেসবুক মার্কেটিং বলে। যে কোন ধরণের পোস্ট ফেসবুকে টাকার মাধ্যমে দেয়া যায়, যেটা স্পন্সর হিসাবে ফেসবুক ব্যবহারকারীর নিউজফিডে শো করে। এ ধরণের পোস্টগুলো সাধারণত আপনার নিউজফিডে স্পন্সরড পোষ্ট হিসেবে এসে থাকে।

একটি ফেসবুক পেজের মাধ্যমে পোস্ট অথবা আপনি বিভিন্ন অডিও, ভিডিও, টেক্সট এর মাধ্যমে আপনার প্রচার চালাতে পারেন। আর আপনি চাইলে একজন এক্সপার্টের মাধ্যমে ও এই এডসের কাজটা করাতে পারেন।

বর্তমান বিশ্বে সবচেয়ে জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম হচ্ছে ফেসবুক। ফেসবুক এখন কোটি কোটি মানুষ ও ব্যবহার করছে এমনকি বাংলাদেশে ও জনপ্রিয় ফেসবুক। তাই আপনি সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং করলে অবশ্যই ফেসবুক মার্কেটিং করতে হবে।

ফেসবুক মার্কেটিং এ বাংলাদেশে সুবিধা কি কি?
১. বাংলাদেশে কোটির উপর মানুষ ফেসবুক ব্যবহার করছে। সেখান থেকে যদি আপনার কাছ থেকে হাজার হাজার করে লাখ লাখ মানুষ আপনার প্রোডাক্ট সার্ভিস নেয় তাহলে কেমন লাগবে? এ কারণে আপনি চাইলে ফেসবুক পেজ পেইড প্রমোট পেজের পোস্ট বুস্ট করতে পারবেন।

২. নির্দিষ্ট বয়স, লিঙ্গ, ভেদে আপনি পেজের মাধ্যমে প্রমোট করতে পারবেন। যেমন: আপনি যদি ১৬-২৫ বছর বয়সীদেরকে টার্গেট করে কোনো স্মার্টফোন কিংবা বডি স্প্রে এর প্রচার করেন তাহলে অনেকেই কিনবে আপনার প্রোডাক্ট।

তবে আপনি যদি বডি স্প্রে এর প্রমোটে ৫০-৬০ বছর বয়সীদেরকে টার্গেট করেন তাহলে সে পরিমানে সেল আসবে না। আবার আপনি যদি লিঙ্গ টার্গেট করে মেয়েদের অথবা মহিলাদেরকে টার্গেট করলেন কিন্তু প্রোডাক্ট প্রমোট করলেন পাঞ্জাবী।

ছেলেদের তাহলে ও তুলনামূলক কম সেল আসবে। অন্যদিকে এই লকডাউন পরিস্থিতিতে অনেকেই এখন স্মার্টফোন কিনছে অনলাইন ক্লাসের জন্য। আপনি পেজের মাধ্যমে স্মার্টফোন বিক্রি করতে পারেন সেক্ষেত্রে ফেসবুকে মার্কেটিং করে বেশ ভালো উপার্জন করতে পারবেন আপনি।

এরপর এখন চলছে শীতে আর শীতে সবার চোখ থাকে সুন্দর সুন্দর হুডি, ট্রাকশ্যুট, জ্যাকেটের উপর। আপনি এসবের ক্ষেত্রে বাংলাদেশি যুবক-যুবতীকে টার্গেট করে প্রমোট দিতে পারেন। শুধু প্রমোট এর আগে ভালো টার্গেট, বয়স ঠিক মতো করে সিলেক্ট করে এরপর প্রমোট করলে আপনার জন্য বেশ ভালো একটা ইনকাম জেনারেট হবে।

৩. যেকোনো নির্দিষ্ট এরিয়ার মানুষকে টার্গেট করে প্রমোট করতে পারবেন। যেমন: মনে করেন আপনার ব্যবসা শুধু ঢাকাতে ঢাকার বাহিরে আপনার ডেলিভার, কুরিয়ার সার্ভিসের ব্যবস্থা করা সম্ভব নয় সেক্ষেত্রে আপনি সারা দেশজুড়ে প্রমোট না করে শুধুমাত্র ঢাকার মানুষকে টার্গেট করে প্রমোট করতে পারবেন। মনে করেন, আপনি বগুড়া থাকেন আর বগুড়ার দই অনেক জনপ্রিয়। আপনি চাইলে বগুড়ার দই বিক্রির সার্ভিস ফেসবুকে পেজের মাধ্যমে তুলে ধরতে পারেন।

৪. যেকোনো সময়ে আপনার কোনো প্রোডাক্ট সার্ভিস ভাইরাল হয়ে যেতে পারে তাই ফেসবুক অন্যতম এবং সেরা। মনে করুন আপনি স্মার্টফোন বিক্রি করেন অনলাইনে ফেসবুক পেজের মাধ্যমে, সাধারণত নতুন নতুন স্মার্টফোনগুলো একদম শুরুর দিকে সারা বাংলাদেশে ছড়িয়ে যাওয়ার আগে আপনার কাছে যদি সেই স্মার্টফোনটা এসে যায় তখন অনেকেই হুমড়ি খেয়ে অর্ডার করবে আপনার কাছ থেকে।

এরপর মনে করুন আপনি জার্সি বিক্রি করেন, সাধারণত ইউরোপীয়ন ক্লাব ফুটবলের জার্সি মার্কেটে বেশ জনপ্রিয় এখন ইউরোপীয়ান কোনো ক্লাবের জার্সি বাংলাদেশে আপনার কাছে সবার আগে যদি আসে তখন মানুষ আপনার কাছ থেকে জার্সি কিনতে বাধ্য।

৫. মনে করুন আপনি খুব ভালো ছবি আঁকতে পারেন, অনেক সুন্দর স্কেচ আঁকতে পারেন এখন এটা হচ্ছে আপনার একটা স্কিল। আপনি প্রথমে একটি ফেসবুক পেজ খুলবেন সেখানে আপনার বন্ধু-বান্ধব অথবা পছন্দের মানুষের আঁকা স্কেচ বা ছবিগুলো শেয়ার করুন।

এরপর আপনি সার্ভিস দেন তখন অনেকেই আপনার কাছ থেকে নিজেদের পছন্দ মানুষ কিংবা নিজের জন্য স্কেচ বা ছবি আপনাকে দিয়ে আঁকাতে চাইবে তখন সে কাজের বিনিময়ে আপনি টাকা নিবেন। যখন আস্তে আস্তে কিছু লাইক যেমন: ১০০০ লাইক আসবে তখন আপনি আপনার পেজকে প্রমোট করতে পারবেন।

অথবা নিজের পেজের একটি পোস্টকে বুস্ট করতে পারবেন এবং আপনার সেই পোস্ট দেখে অনেকেই আপনার কাছ থেকে ছবি আঁকাবে, স্কেচ ও আঁকাবে। আর তখন আপনি এই ছবি আঁকা, স্কেচ করেই টাকা উপার্জন করতে পারবেন।

৬. মনে করুন আপনি রাজশাহীতে থাকেন রাজশাহীতে গ্রীষ্মকালীন আম সারা দেশ জুড়ে পরিচিত। রাজশাহীতে আপনাদের যদি আমের বাগান থাকে কিংবা আমের বাগানের মালিকের সাথে পরিচয় সেখান থেকে ভালো মানের আম কিনে আপনি ফেসবুকে মার্কেটিং করে হাজার হাজার টাকা আয় করতে পারবেন এবং এটা সম্ভবও।

শুক্রবার, ২৫ ডিসেম্বর, ২০২০

‘স্মার্টফোন না পেলে বিয়েই নয়,’ অবশেষে আবদার পূরণ

‘স্মার্টফোন না পেলে বিয়েই নয়,’ অবশেষে আবদার পূরণ


 বিয়েতে রাজি হতে অনেকেই নানারকম শর্ত দেন। কেউ বলেন নতুন বাড়ি করে বিয়ে করবেন, কেউ আবার করেন ভালো চাকরির অপেক্ষা। কিন্তু বিয়ের জন্য নতুন ফোন পাওয়ার শর্ত দিয়েছিলেন ভারতের উত্তরপ্রদেশের এক তরুণ। অবাক করার বিষয় হল, মোবাইল ফোন নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে নতুন একটি ডিভাইস উপহার পেয়েছেন তিনি।

জানা গেছে, কামাল আহমেদ নামে উত্তরপ্রদেশের ওই তরুণ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম টুইটারে লিখেছিলেন, সদ্য বাজারে আসা এমআই ১০টি প্রো ফোনটি না পাওয়া পর্যন্ত তিনি বিয়ে করবেন না। এটাই যেন তার বড়দিনের উপহার।

তার টুইটটি নজরে পড়ে এমআই তথা শাওমি কর্তৃপক্ষের। আর সবাইকে অবাক করে দিয়ে উপহার হিসেবে তাকে একটি ফোন পাঠান শাওমি‌র ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং ম্যানেজিং ডিরেক্টর মানু কুমার জৈন।

এই ঘটনায় অবাক হয়ে যান আহমেদও। টুইট করে জানান, ‘এবার তিনি বিয়ের জন্য প্রস্তুত।‌’

বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে চলছে তুমুল আলোচনা।

এসএস/এমএস

আপডেটের ঝামেলা থেকে বাঁচতে উইন্ডোস টেন ব্যবহারকারীরা যা করবেন

আপডেটের ঝামেলা থেকে বাঁচতে উইন্ডোস টেন ব্যবহারকারীরা যা করবেন

 

আবারও আপডেট হচ্ছে উইন্ডোস। তবে নতুন আপডেটের এই এক্সটেনশনের সূত্র ধরে নানা সমস্যাও রয়েছে। ইতিমধ্যেই Microsoft-এর তরফে এ নিয়ে বিবৃতি দেওয়া হয়েছে।

এ ক্ষেত্রে Windows 10 KB4592438 আপডেটের জেরে আপনার কম্পিউটারের ফাইল সিস্টেমে নানা প্রভাব পড়তে পারে। PC বুটিংয়ের ক্ষেত্রেও নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে। এবার এই সমস্যা ও আপডেট সংক্রান্ত বিষয়ে বিস্তারিত জেনে নেয়া যাক।

যদি ইতিমধ্যেই লেটেস্ট Windows 10 KB4592438 আপডেটের সূত্র ধরে আপনার কম্পিউটারে কোনো সমস্যা দেখা দেয়, তা হলে Microsoft-এর প্রস্তাবিত কিছু বিষয়ে নজর দেয়া যেতে পারে।

যদি বুটিংয়ের ক্ষেত্রে PC বা ল্যাপটপে কোনো সমস্যা দেখা দেয়, তা হলে রিকভারি কনসোলের ক্ষেত্রেও সমস্যা দেখা দিতে পারে।

এ ক্ষেত্রে প্রথমে কম্পিউটারের অ্যাডভান্স অপশনে যেতে হবে। তারপর Command Prompt সিলেক্ট করতে হবে। এবার এই কমান্ড প্রম্পট উইন্ডোতে chkdsk /f টাইপ করতে হবে। এর কারণে Windows 10 PC-এর স্টোরেজে স্ক্যান শুরু হবে। একবার স্ক্যান সম্পূর্ণ হয়ে গেলে কমান্ড প্রম্পটে একজিট টাইপ করতে হবে।

এবার Windows 10 রিস্টার্ট নেবে। যদি রিস্টার্ট না হয়, তা হলে বেশ কয়েকটি অপশন দেখাবে। এক্ষেত্রে Exit and continue to Windows 10 অপশন সিলেক্ট করতে হবে। তা হলেই সমস্যার সমাধান পাওয়া যাবে।

এ ক্ষেত্রে সাময়িক একটি সমাধানও রয়েছে। যদি আপনার ভাগ্য ভালো হয় এবং এখন পর্যন্ত আপনি আপনার Windows 10-এ এইরকম কোনো ইস্যুর সম্মুখীন না হন, তাহলে কিছুদিনের জন্য OS আপডেটকে পজ করে রাখতে পারেন। এ ক্ষেত্রে স্টার্ট মেনু খোলার জন্য কম্পিউটার স্ক্রিনের বাম দিকের নিচে Windows 10 আইকনে ক্লিক করতে হবে।

এরপর সেটিংস মেনু সিলেক্ট করতে হবে। এর ফলে একটি নতুন উইন্ডো খুলে যাবে। এখানে নিচের দিকে স্ক্রোল করে উইন্ডোজ আপডেট অপশনে যেতে হবে বা সার্চ করে নিতে হবে। এরপর আপডেট পেইজ খুলে যাবে।

এখানে পেন্ডিং আপডেটগুলির তালিকা রয়েছে। দেখা যাবে ডাউনলোড বা ইনস্টলের স্টেটাসও। এই পেজের নিচের দিকেই Pause Updates for 7 days অপশন রয়েছে। এবার এই অপশনটি সিলেক্ট করে অটোমেটিক ডাউনলোড বা ইনস্টলের বিষয়টি কয়েকদিনের জন্য বন্ধ রাখতে পারেন। পরে আবার এই সময়সীমা বাড়ানো যেতে পারে।

যদি আপনি আপাতত Windows 10-এর আপডেট না চান, তা হলে একইভাবে একটু স্ক্রোল করে নিচে উইন্ডোজ আপডেট পেইজে আসতে হবে। এখানে আরও একটি সমাধান রয়েছে। উইন্ডোজ আপডেট পেইজে এসে অ্যাডভান্স অপশন সিলেক্ট করতে হবে।

অ্যাডভান্স অপশন সিলেক্ট করার পর বেশ কয়েকটি অপশন হাজির হবে আপনার কম্পিউটার স্ক্রিনে। আর এখানে উইন্ডোজ আপডেট বা অটোমেটিক ইনস্টলেশনের জন্য আপনি আগামী ৩৫ দিন পর্যন্ত যে কোনো একটি তারিখ নির্বাচন করতে পারেন। অর্থাৎ আপডেটটির ডাউনলোড বা ইনস্টল বন্ধ রাখার ক্ষেত্রে ৩৫ দিন পর্যন্ত সময় পেয়ে যেতে পারেন।

এমএমএফ/এমএস

বৃহস্পতিবার, ২৪ ডিসেম্বর, ২০২০

ওয়ালটনের পর পিসিবিএ উৎপাদন শুরু করল সিম্ফনি

ওয়ালটনের পর পিসিবিএ উৎপাদন শুরু করল সিম্ফনি


 ওয়ালটনের পর দ্বিতীয় বাংলাদেশি কোম্পানি হিসেবে প্রিন্টেড সার্কিট বোর্ড অ্যাসেম্বলি (পিসিবিএ) উৎপাদন শুরু করলো মোবাইল ফোন উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান সিম্ফনি।

বুধবার (২৩ ডিসেম্বর) রাতে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বিষয়টি নিশ্চিত করে তার ভ্যারিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে বলেন, ‘আমরা গর্বিত যে ওয়ালটনের পর দ্বিতীয় কোম্পানি হিসেবে সিম্ফনি পিসিবিএ দেশে উৎপাদন করছে। জয় বাংলা।’

আশুলিয়ায় সিম্ফনি মোবাইলের দ্বিতীয় কারখানায় মোবাইল ফোনের জন্য পিসিবিএ’র পরীক্ষামূলক উৎপাদন শুরু হয়েছে। পিসিবিএ’র পাশাপাশি মোবাইল ফোন ম্যানুফ্যাকচারিং, মোবাইল ফোন অ্যাক্সেসরিজ উৎপাদন শুরু হবে বলে জানিয়েছে সিম্ফনি। প্রাথমিক পর্যায়ে এ কারখানা থেকে প্রতি মাসে ২ লাখ পিস পিসিবিএ উৎপাদনের পরিকল্পনা করে প্রতিষ্ঠানটি।

অদূর ভবিষ্যতে মোবাইল ফোনের ডিসপ্লেও এই ফ্যাক্টরি থেকে উৎপাদন করা হবে বলে জানিয়েছেন সিম্ফনির ম্যানেজিং ডিরেক্টর জাকারিয়া শাহীদ। তিনি বলেন, ‘মোবাইল ফোন উৎপাদনের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে সিম্ফনি মোবাইল। কারখানাটিতে প্রায় ২ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। দেশের চাহিদা মিটিয়ে বিদেশের বাজারেও সিম্ফনি মোবাইল, অ্যাক্সেসরিজ রফতানির পরিকল্পনা আছে আমাদের।’