ফেডারেশন কাপ ফুটবলে ফাইনাল খেলবে সাইফ স্পোর্টিং ক্লাব। সেমিফাইনাল থেকে বাদ পড়েছে আবাহনী। এই দুই দলই টুর্নামেন্টে শৃঙ্খলা ভেঙেছে। তাদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে বাফুফের ডিসিপ্লিনারি কমিটি। বাফুফের সাধারণ সম্পাদক মো. আবু নাইম সোহাগ বলেছেন, ‘এখন পর্যন্ত শৃঙ্খলাভঙ্গের যে ঘটনাগুলো ঘটেছে, সবগুলোই আমরা ডিসিপ্লিনারি কমিটিতে পাঠাব সিদ্ধান্ত নেয়ার জন্য।’
সাইফ স্পোর্টিং ক্লাব রোববার ফাইনাল খেলবে বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে। ফাইনালপূর্ব সংবাদ সম্মেলনে বসুন্ধরা কিংসের কোচ ও অধিনায়ক আসলেও নিয়মের তোয়াক্কা করেনি সাইফ। ক্লাবটির সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান ও দলের ম্যানেজার ওবায়দুর রহমান আসলেও ছিলেন কোচ কিংবা অধিনায়ক। এমন কি কোনো খেলোয়াড় ফাইনালপূর্ব সংবাদ সম্মেলনে আসেনি সাইফের।
এ নিয়ে সংবাদ সম্মেলন শুরু হয়েছে নির্ধারিত সময়ের অনেক পর। অপেক্ষা করে করে বিরক্ত হয়ে বসুন্ধরা কিংসের স্প্যানিশ কোচ অস্কার ব্রুজোন চলেই যেতে চেয়েছিলেন। সংবাদ সম্মেলন শুরুর আগে এ নিয়েই অনেক প্রশ্নের জবাব দিতে হয়েছে বাফুফে কর্মকর্তাদের।
বাফুফে সাধারণ সম্পাদক মো. আবু নাইম সোহাগ বলেছেন, ‘ফেডারেশন কাপের নিয়ম অনুযায়ী দলগুলোর কোচ বা কর্মকর্তাদের ডাকা হলে তারা আসতে বাধ্য। তাই না এসে নিয়ম ভঙ্গ করেছে সাইফ। বিষয়টি ডিসিপ্লিনারি কমিটিতে পাঠানো হবে। ওই কমিটিই সিদ্ধান্ত নেবে।’
বসুন্ধরা কিংস ও আবাহনীর মধ্যকার সেমিফাইনালের অতিরিক্ত সময়ে দ্বিতীয়ার্ধে একটি সিদ্ধান্ত নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। পিছিয়ে থাকা আবাহনীর নাবিব নেওয়াজ জীবন শেষ মুহূর্তে বল জালে পাঠালেও সহকারী রেফারি অফসাইডের পতাকা তুললে উত্তেজনা তৈরি হয়। আবাহনীর খেলোয়াড়রা ঘিরে ধরেন রেফারি ও সহকারী রেফারিকে। কোচ-কর্মকর্তারাও মাঠে প্রবেশ করেন।
এমনকি ম্যাচের পর দুই দলের কোচের আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত থাকার বাধ্যবাধকতা থাকলেও আবাহনীর কোচ মারিও লেমোস অনুপস্থিত ছিলেন। ম্যাচ চলাকালীন ও ম্যাচের পর আবাহনীর দুটি কাণ্ডই শৃঙ্খলাভঙ্গের মধ্যে পড়ে। যে কারণে, বাফুফে এই দুই ক্লাবের শৃঙ্খলাভঙ্গের বিষয়টি ডিসিপ্লিনারি কমিটিতে পাঠাচ্ছে।
