জাতীয় লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
জাতীয় লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

সোমবার, ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২১

পণ্য বিক্রিতে অনিয়ম : ৩৮ প্রতিষ্ঠানকে আড়াই লাখ টাকা জরিমানা

পণ্য বিক্রিতে অনিয়ম : ৩৮ প্রতিষ্ঠানকে আড়াই লাখ টাকা জরিমানা

 

সারাদেশে ফার্মেসিসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে অভিযান পরিচালনা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর। এ সময় ভোক্তার স্বার্থবিরোধী অপরাধে ৩৮ প্রতিষ্ঠানকে ২ লাখ ৪৮ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

সোমবার (৮ ফেব্রুয়ারি) ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের মহাপরিচালক কর্তৃক প্রদত্ত ক্ষমতাবলে ঢাকা মহানগরীর ডেমরা থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন ঢাকা জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. আব্দুল জব্বার মন্ডল, ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. মাগফুর রহমান।

এছাড়া ঢাকার বাইরে বিভাগীয় কার্যালয়ের উপ-পরিচালক ও জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালকের নেতৃত্বে বিভিন্ন বাজারে তদারকি ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। তদারকিকালে মাস্কসহ আলু, চাল, পেঁয়াজ, ভোজ্য তেল, আদাসহ অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য যৌক্তিক মূল্যে বিক্রয় হচ্ছে কি-না তা মনিটরিং করেন তারা।

jagonews24

এ সময় পণ্যের ক্রয় রশিদ সংরক্ষণ না করা, অনিবন্ধিত ওষুধ, মেয়াদ উত্তীর্ণ ওষুধ ও পণ্য, নকল পণ্য, ওজনে কারচুপিসহ ভোক্তাস্বার্থ বিরোধী বিভিন্ন অপরাধে সারাদেশ ৩৮টি প্রতিষ্ঠানকে ২ লাখ ৪৮ টাকা জরিমানা আরোপ ও আদায় করা হয়। বাজার তদারকিকালে মাস্ক, চাল, আলু, পেঁয়াজ ও ভোজ্যতেলের মূল্য নিয়ে কারসাজি না করা এবং বাধ্যতামূলকভাবে পণ্যের ক্রয় রশিদ ও মূল্যতালিকা প্রদর্শনের বিষয়ে ব্যবসায়ীদের সচেতন ও সতর্ক করা হয়।

অধিদফতরের মহাপরিচালক বাবলু কুমার সাহা বলেন, নিয়মতান্ত্রিক ও নৈতিকতার সাথে ব্যবসা পরিচালনাকারী সকল ব্যবসায়ীকে এ অধিদফতর সবসময় সাধুবাদ জানায়। ভোক্তা ও ব্যবসাবান্ধব একটি সুশৃঙ্খল বাজারব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য ব্যবসায়ীদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি। এছাড়া মাস্ক পরার প্রতি গুরুত্ব আরোপ করে সংশ্লিষ্ট সবাইকে মাস্ক পরিধান ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে পণ্য ক্রয়-বিক্রয়ের অনুরোধ জানান মহাপরিচালক

শুক্রবার, ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১

১৫ নং কাবিলপুর ইউনিয়ন পরিষদের সফল সাবেক চেয়ারম্যান

১৫ নং কাবিলপুর ইউনিয়ন পরিষদের সফল সাবেক চেয়ারম্যান

 


১৫ নং কাবিলপুর ইউনিয়ন পরিষদের সফল সাবেক চেয়ারম্যান ও গাইবান্ধা জেলা ট্রাক,ট্যাংকলরি, কাভার্ডভ্যান শ্রমিক ইউনিয়নের সন্মানিত সাধারণ সম্পাদক জনাব মোঃ শামসুল আলম ভাই এর পক্ষ থেকে ইউনিয়নবাসীকে জানাই আন্তর্জাতিক মার্তৃভাষা দিবসে শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি।

বুধবার, ৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২১

কৃষি ও কৃষকের জন্য যা লাগবে দেব : প্রধানমন্ত্রী

কৃষি ও কৃষকের জন্য যা লাগবে দেব : প্রধানমন্ত্রী

 

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমাদের দেশ কৃষি নির্ভর। আমাদের অর্থনীতি কৃষি নির্ভর। আমরা এ কৃষিকে গুরুত্ব দিচ্ছি। কৃষিকে যান্ত্রিকীকরণের জন্য কৃষককে যন্ত্রপাতি দিয়েছি। ৭০ হাজার যন্ত্রপাতি কৃষকদের দেয়া হয়েছে। বিশাল অংকের টাকাও দিয়েছি। যখন যা প্রয়োজন দিয়েছি, কৃষি ও কৃষকের জন্য যা লাগবে দিব।

তিনি আরও বলেন, কৃষি উৎপাদন বাড়াতে নতুন নতুন প্রযুক্তি ও জাত আবিস্কারের বিকল্প নেই। এজন্য গবেষণা অধিকতর গুরুত্বপূর্ণ। তাই আমরা গবেষকদের প্রণোদনা দিতে চাই। প্রণোদনা দেয়ার উপায় বাতলে দিতে কৃষি বিজ্ঞানীদের আহ্বান জানাচ্ছি।

বৃহস্পতিবার (৪ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল প্রকাশিত ‘১০০ কৃষি প্রযুক্তি এটলাস’ এর প্রকাশনা উৎসবে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত উৎসবে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যুক্ত হন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘নতুন নতুন কৃষি পণ্য উৎপাদন, প্রক্রিয়াকরণ ও বাজারজাত করে নিজেদের বাজার ধরে রাখতে হবে। দেশের চাহিদা পূরণ করে বাইরেও রফতানি করতে হবে। এজন্য স্বল্পখরচে বেশি ফলদায়ক পণ্য আবিস্কার ও চাষাবাদে মনোযোগী হতে হবে। এজন্য গবেষণাটা বেশি গুরুত্বপূর্ণ। গবেষণা বাড়াতে বিজ্ঞানীদের প্রণোদনা দিতে চাই। এজন্য আমি উপায় খুঁজেছি, পাইনি। আপনারা এ বিষয়ে পরামর্শ দেবেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, খাদ্য নিরাপত্তার জন্য কৃষি গুরুত্বপূর্ণ। আপনাদের (বিজ্ঞানী) উদ্ভাবনের জন্য ধন্যবাদ। আপনাদের উদ্ভাবনের অতিগুরুত্বপূর্ণ ১০০টি জাত নিয়ে এটলাস প্রকাশ করেছেন, একটা ভালো উদ্যোগ। এটি ভবিষ্যতের জন্য কাজে লাগবে। অন্যরা উপকার পাবে।

এ সময় তার সরকারের কৃষি উন্নয়নের ফিরিস্তি তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, আজকের কৃষিক্ষেত্রে যে উন্নয়ন, তার শুরুটা জাতির পিতাই করে গেছেন। বীজ তিনিই বপন করেছেন। আমরা ১৯৯৬ ক্ষমতায় এসেও সে কাজ চলমান রেখেছি। এখনও সে কাজ করে যাচ্ছি। কৃষির উন্নয়নে নানা আইন, অর্থ বরাদ্দ, গবেষণাগার ও কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় করেছি।

জাতির পিতা বলেছেন, আমার মাটি এত উর্বর সেখানে বীজ পড়লেই গাছ হয়, ফল হয়। এই যায়গার মানুষ কেনো না খেয়ে থাকবে? আমিও বলেছি, কোনো এলাকায় কোন ফল ভালো হয়, এর একটা ম্যাপিং প্ল্যান দরকার। এখানে অল্প খরচে একেক এলাকায় একেক ফল ভালো হতে পারে। অল্পখরচে অধিক লাভবান হবো, এমন কিছু পণ্য গবেষণা করে বের করতে হবে। সংশ্লিষ্ট এলকার মাটির উর্বরতা, পানির সরবরাহ, আবহাওয়া ও জলবায়ু পরিবেশ বিবেচনায় একটা ভালো গবেষণা করে পরিকল্পনা করা দরকার।

তিনি আরও বলেন, করোনায় ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন শ্রেণীর মানুষকে আমরা সাহায্য দিয়েছি। এ ক্ষেত্রে কৃষিকে গুরুত্ব দিচ্ছি। এই করোনায় কৃষক যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সেজন্য দলীয় কর্মীদের নির্দেশ দিয়ে ধান কাটিয়ে বাড়িতে তোলারও ব্যবস্থা করেছি। আমাদের আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ সারাদেশে কৃষকের পাশে দাঁড়িয়েছে।

কৃষিমন্ত্রী ড. আবদুর রাজ্জাকের সভাপতিত্বে এতে স্বগত বক্তব্য দেন কৃষি সচিব মেসবাউল ইসলাম, আরও বক্তব্য দেন কৃষি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি মতিয়া চৌধুরী, সফল কৃষক রফিকুল ইসলাম। উপস্থিত ছিলেন মৎস ও প্রাণী সম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

মঙ্গলবার, ২ ফেব্রুয়ারি, ২০২১

দেশ-বিদেশে নানা অপপ্রচার চলছে : প্রধানমন্ত্রী

দেশ-বিদেশে নানা অপপ্রচার চলছে : প্রধানমন্ত্রী

 

সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘দেশে-বিদেশে নানা অপপ্রচার হচ্ছে, শত্রুর মুখে ছাই দিয়ে এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ।’

মঙ্গলবার (২ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় সংসদের শীতকালীন অধিবেশনের সমাপ্তি ও রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে এসব কথা বলেন তিনি।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘মুজিবের বাংলায় কেউ গৃহহীন থাকবে না। ইতোমধ্যে ৭০ হাজার গৃহহীনকে ঘর দেয়া হয়েছে। আরও এক লাখ ঘর নির্মাণকাজ চলছে। মুজিববর্ষ ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে এ ঘরগুলো হস্তান্তর করা হবে।’

রেওয়াজ অনুযায়ী অধিবেশনে সংসদ নেতার সমাপনী বক্তব্যের আগে বক্তব্য দেন বিরোধীদলীয় নেতা। এবারের অধিবেশনে একদিনও বিরোধীদলীয় নেতা রওশন এরশাদ ও বিরোধীদলীয় উপনেতা জিএম কাদেরকে দেখা যায়নি। জিএম কাদের করোনা আক্রান্ত হলেও এখন তিনি করোনামুক্ত।

সমাপনী ভাষণে শেখ হাসিনা বিরোধীদলীয় নেতার অনুপস্থিতির কথা তুলে ধরে বলেন, ‘এ অধিবেশন করোনার সময়ে চলছে। যার জন্য হয়তো সব সংসদ সদস্যকে একই সঙ্গে আনা সম্ভব হচ্ছে না। আমাদের বিরোধীদলীয় নেতার এখানে আসার কথা ছিল। কিন্তু তার বাসায় একজনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছে বলে তিনি জনগণের কথা চিন্তা করে এখানে আসেননি। আমরা তার বক্তৃতা শুনতে পারলাম না এজন্য আমি দুঃখিত, কিন্তু তার ভেতর যে জনগণের প্রতি কল্যাণমূলক চিন্তা তার জন্য তাকে ধন্যবাদ। তিনি এলে ভালো হতো আমরা তার বক্তব্যও শুনতে পেতাম।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘পদ্মা সেতু নিয়ে এত কথা অথচ এরকম একটা কাজ নিজস্ব অর্থায়নে করলাম। সেটার প্রশংসা তো দিতেই পারলো না। উল্টো বিএনপির নেত্রী খালেদা জিয়া বলেছিলেন, জোড়া তালি দিয়ে পদ্মা সেতু তৈরি করা হয়েছে। জোড়া তালি দিয়ে পদ্মা সেতু করা হচ্ছে কেউ উঠবেন না। তাহলে নদীটা পার হবে কিসে? যদি নৌপথে যেতে হয় তাহলে নৌকায় যেতে হবে। উপায় তো নেই। নৌকায় চড়তে হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের নৌকা অনেক বড়, কোনো অসুবিধে নেই। আমাদের নৌকা অনেক বড় সবাইকে নেব, তবে দেখে নেব কেউ আবার নৌকায় বসে নৌকা ফুটো না করে।’

সোমবার, ১ ফেব্রুয়ারি, ২০২১

করোনায় ২৪ ঘণ্টায় ১০ মৃত্যু, শনাক্ত ৪৪৩

করোনায় ২৪ ঘণ্টায় ১০ মৃত্যু, শনাক্ত ৪৪৩

 

করোনাভাইরাসে (কোভিড-১৯) আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে আরও ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে জন ৯ জন পুরুষ ও একজন নারী। এ নিয়ে দেশে করোনায় মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৮ হাজার ১৩৭ জনে।

সোমবার (১ ফেব্রুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা স্বাক্ষরিত করোনাবিষয়ক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ২০৬টি ল্যাবরেটরিতে ১২ হাজার ৫৫৬টি নমুনা সংগ্রহ ও ১২ হাজার ৪৭৫টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এ নিয়ে মোট নমুনা পরীক্ষার সংখ্যা দাঁড়াল ৩৬ লাখ ৬৪ হাজার ১৯৭টি। এই সময়ের মধ্যে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছেন আরও ৪৪৩ জন। এ নিয়ে দেশে মোট করোনা শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ৫ লাখ ৩৫ হাজার ৫৮২ জনে দাঁড়াল।

এদিকে, রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ও বাড়িতে উপসর্গবিহীন রোগীসহ গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ৪৭২ জন। এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ৪ লাখ ৮০ হাজার ২১৬ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষার হার ৩ দশমিক শূন্য ৫৫ শতাংশ। এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ১৪ দশমিক ৬২ শতাংশ এবং শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৮৯ দশমিক শূন্য ৬৬ শতাংশ। শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৫২ শতাংশ।

গেল বছরের ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত এবং ১৮ মার্চ প্রথম করোনা রোগীর মৃত্যু হয়। এ পর্যন্ত মোট মৃতদের মধ্যে পুরুষ ৬ হাজার ১৬৬ জন (৭৫ দশমিক ৭৮ শতাংশ) ও নারী ১ হাজার ৯৭১ জন (২৪ দশমিক শূন্য ২২ শতাংশ)।

বয়স বিশ্লেষণে দেখা যায়, ২৪ ঘণ্টায় মৃত ১০ জনের মধ্যে চল্লিশোর্ধ্ব একজন, পঞ্চাশোর্ধ্ব দুজন এবং ষাটোর্ধ্ব সাতজন রয়েছেন। বিভাগওয়ারী হিসাবে, ১০ জনের মধ্যে ঢাকা বিভাগে সাতজন, চট্টগ্রাম একজন, বরিশাল একজন ও সিলেট বিভাগে একজন মারা গেছেন।